স্ট্রিম প্রতিবেদক

একই দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। দুটি দলই আগামীকাল বুধবার পৃথক অনুষ্ঠানে তাদের ইশতেহার ঘোষণা করবে। যদিও জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল আজ মঙ্গলবার। তবে একদিন পিছিয়ে বুধবার ইশতেহার ঘোষণার কথা জানিয়েছে জামায়াত।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইশতেহার প্রকাশ করার কথা জানায় ইসলামী আন্দোলন। ওই দিন দুপুরে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত হয় বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এর একদিন পরে গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দিয়ে জানান, ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। পরে গতকাল জামায়াত আমিরের সেই পোস্টটি সম্পাদনা করে ৩ ফেব্রুয়ারির জায়গায় ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার প্রকাশের কথা বলা হয়।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন জানিয়েছে, বুধবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈষম্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের ইশতেহার ঘোষণা করবে দলটি। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে তারা।
চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পরে ইসলামপন্থীদের ভোট একটি বাক্সে আনতে জামায়াতের সঙ্গে কয়েকটি কওমিধারার রাজনৈতিক দলকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হয় ইসলামী আন্দোলন। পরে আরও কয়েকটি দল যুক্ত হয়। সবগুলো দলকে নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য তৈরির চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ইসলামী আন্দোলন। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে জটিলতা তৈরি হয় দলটির।
পরে গত ১৬ জানুয়ারি ঘোষণা দিয়ে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যায় চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে শরিয়াহ প্রাধান্য পাবে।
ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শব্দবন্ধনীকে গ্রহণ করা হয়েছে। জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার গুরুত্ব পাবে।
এছাড়া আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানভিত্তিক বৈদেশিক নীতি ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে দলটি। ইশতেহার উপস্থাপন করবেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, মঙ্গলবার ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার শবে বরাত, দিনটিতে সংবাদপত্রের ছুটি এবং জামায়াত আমিরের রাজধানীর বাইরে প্রোগ্রাম থাকায় একদিন পিছিয়ে বুধবার ইশতেহার ঘোষণার সম্ভাব্য সময় ঠিক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানটি বুধবার বিকেলে হোটেল শেরাটনে হতে পারে বলেও স্ট্রিমকে জানিয়েছেন মোবারক হোসাইন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে জামায়াত। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ ও জুলাই সনদকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনা দিয়ে ইশতেহার সাজিয়েছে দলটি।

একই দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। দুটি দলই আগামীকাল বুধবার পৃথক অনুষ্ঠানে তাদের ইশতেহার ঘোষণা করবে। যদিও জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল আজ মঙ্গলবার। তবে একদিন পিছিয়ে বুধবার ইশতেহার ঘোষণার কথা জানিয়েছে জামায়াত।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইশতেহার প্রকাশ করার কথা জানায় ইসলামী আন্দোলন। ওই দিন দুপুরে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত হয় বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এর একদিন পরে গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দিয়ে জানান, ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। পরে গতকাল জামায়াত আমিরের সেই পোস্টটি সম্পাদনা করে ৩ ফেব্রুয়ারির জায়গায় ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার প্রকাশের কথা বলা হয়।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন জানিয়েছে, বুধবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈষম্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের ইশতেহার ঘোষণা করবে দলটি। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে তারা।
চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পরে ইসলামপন্থীদের ভোট একটি বাক্সে আনতে জামায়াতের সঙ্গে কয়েকটি কওমিধারার রাজনৈতিক দলকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হয় ইসলামী আন্দোলন। পরে আরও কয়েকটি দল যুক্ত হয়। সবগুলো দলকে নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য তৈরির চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ইসলামী আন্দোলন। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে জটিলতা তৈরি হয় দলটির।
পরে গত ১৬ জানুয়ারি ঘোষণা দিয়ে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যায় চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে শরিয়াহ প্রাধান্য পাবে।
ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শব্দবন্ধনীকে গ্রহণ করা হয়েছে। জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার গুরুত্ব পাবে।
এছাড়া আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানভিত্তিক বৈদেশিক নীতি ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে দলটি। ইশতেহার উপস্থাপন করবেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, মঙ্গলবার ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার শবে বরাত, দিনটিতে সংবাদপত্রের ছুটি এবং জামায়াত আমিরের রাজধানীর বাইরে প্রোগ্রাম থাকায় একদিন পিছিয়ে বুধবার ইশতেহার ঘোষণার সম্ভাব্য সময় ঠিক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানটি বুধবার বিকেলে হোটেল শেরাটনে হতে পারে বলেও স্ট্রিমকে জানিয়েছেন মোবারক হোসাইন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে জামায়াত। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ ও জুলাই সনদকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনা দিয়ে ইশতেহার সাজিয়েছে দলটি।

রাজশাহীর পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলার নির্বাচনী মাঠে দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে ধানের শীষের শিবির। তিন ভাগে বিভক্ত বিএনপি যখন ঘরোয়া কোন্দল সামলাতে ব্যস্ত, তখন সেই সুযোগে জয়ের স্বপ্ন দেখছে দীর্ঘদিন পর ভোটের মাঠে ফেরা জামায়াতে ইসলামী
৩৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো নীলফামারীর নির্বাচনী এলাকাগুলোও এখন সরগরম। তবে উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নীলফামারী-৪ আসনে এবার এক ভিন্নধর্মী নির্বাচনী সংস্কৃতির দেখা মিলছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সমীকরণ বেশ চমকপ্রদ হয়ে উঠেছে। ব্যালটে দীর্ঘদিনের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’ প্রতীক না থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। তবে এই সহজ হিসেবে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক ও বর্তমান
২ ঘণ্টা আগে
সিংড়ায় এক পদযাত্রায় এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনে যখন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ যায়, সেই অভিযোগের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ করার কারণে, আমরা দেখছি, ওই দিন যেতে না যেতেই সেই অফিসারকে উইড্রো করা হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে