স্ট্রিম প্রতিবেদক

পবিত্র রমজান উপলক্ষে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে এক সভায় সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রেসড ব্রয়লার মুরগি, দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি করা হবে। ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতিকেজি ২৪৫, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০, ডিম প্রতিপিস ৮ ও গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০ টাকায় ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে।
যেসব স্পটে মিলবে পণ্য
সুলভ মূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে জুলাই বিপ্লবের সময় যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বেশি ছিল সেসব স্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবার প্রাথমিকভাবে ঢাকার ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পণ্যগুলো বিক্রি করা হবে। এগুলো হলো– সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ষাটফুট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর গলির মুখ (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচা বাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), মোহাম্মদপুর (বসিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)।
স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে বলে মন্ত্রণালয়য়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গত রমজানেও একইভাবে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি করেছিল সরকার। প্রথম থেকে ২৮ রমজান পর্যন্ত পাস্তুরিত তরল দুধ প্রতিলিটার ৮০ টাকা, গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতিকেজি ২৫০ এবং ডিম প্রতি পিস ৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেছিল। অন্যান্য পণ্যের দাম এবার ঠিক রাখলেও ডিমের বর্তমান বাজার মূল্য কম থাকায় তা দেড় টাকা এবং ড্রেসড ব্রয়লার কেজিতে ৫ টাকা কমানো হয়েছে।
সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে গত রমজানে নিত্যপণ্যের দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে ছিল। গত রমজানে দাম সহনীয় রাখতে আমদানি পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক ৩০ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছিল সরকার। এ ছাড়া ফল আমদানির ওপর অগ্রিম আয়কর ১০ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছিল।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে এক সভায় সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রেসড ব্রয়লার মুরগি, দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি করা হবে। ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতিকেজি ২৪৫, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০, ডিম প্রতিপিস ৮ ও গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০ টাকায় ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে।
যেসব স্পটে মিলবে পণ্য
সুলভ মূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে জুলাই বিপ্লবের সময় যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বেশি ছিল সেসব স্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবার প্রাথমিকভাবে ঢাকার ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পণ্যগুলো বিক্রি করা হবে। এগুলো হলো– সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ষাটফুট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর গলির মুখ (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচা বাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), মোহাম্মদপুর (বসিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)।
স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে বলে মন্ত্রণালয়য়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গত রমজানেও একইভাবে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি করেছিল সরকার। প্রথম থেকে ২৮ রমজান পর্যন্ত পাস্তুরিত তরল দুধ প্রতিলিটার ৮০ টাকা, গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতিকেজি ২৫০ এবং ডিম প্রতি পিস ৯ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেছিল। অন্যান্য পণ্যের দাম এবার ঠিক রাখলেও ডিমের বর্তমান বাজার মূল্য কম থাকায় তা দেড় টাকা এবং ড্রেসড ব্রয়লার কেজিতে ৫ টাকা কমানো হয়েছে।
সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে গত রমজানে নিত্যপণ্যের দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে ছিল। গত রমজানে দাম সহনীয় রাখতে আমদানি পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক ৩০ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছিল সরকার। এ ছাড়া ফল আমদানির ওপর অগ্রিম আয়কর ১০ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছিল।

দেশের সোনার বাজারে চলছে অস্থিরতা। গতকাল সোমবার তিন দফায় দাম কমানোর পর আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় ভরিতে ১৬ হাজার ৩০০ টাকা দাম বেড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
একই দিনে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এবার কমানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৩ টাকা। এতে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
১ দিন আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নতুন সরকার ক্ষমতায় বসতে না বসতেই শুরু পবিত্র রমজান। এমনিতেই রোজায় বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতির পরও সরকারকে হিমশিম খেতে হয়। নবগঠিত সরকার শুরুতেই বাজার নিয়ন্ত্রণে চাপে থাকবে।
১ দিন আগে
দুই দিনের টানা দরপতনের পর শনিবার কিছুটা বাড়লেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম রোববার আবারও দুই দফায় কমেছে।
১ দিন আগে