রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গোপন ভোটের অধ্যাদেশ জারি করতে পারত বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহাকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা ও সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
এ সময় তিনি বলেন, সরকার যদি চায়, একটি অধ্যাদেশ করতে পারে। তারা ইতিমধ্যে অনেক অধ্যাদেশ জারি করেছে। তাদের এটা করার সুযোগ ছিল।
তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হতো এবং এমপিরা স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারতেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতন্ত্র চর্চার পেছনে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বাধা তৈরি করেছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে এমপিরা ভোট দিতে পারবে না।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হওয়ার কথা জানিয়ে আযাদ বলেন, গণভোটে এটা পাস হবার পরেও ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একগুঁয়েমি এবং দলীয় সংকীর্ণতার কারণে এই সংস্কারটা করছে না। বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছেন না।
১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী অলি আহমেদ সম্পর্কে জামায়াত নেতা বলেন, ‘তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং জাতীয়ভাবে সমালোচনা বিতর্কের ঊর্ধ্বে। দেশের জন্য অনেক অবদান রেখে আসছেন দীর্ঘ সময় ধরে।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে হলে কর্নেল অলি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রার্থী বাছাই করতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা, এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে! শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে এটা অতীতের রেকর্ড আমাদের জানা নাই। এই কাজটি উনারা করছেন! তাহলে ওনারা গণতন্ত্রকে কিভাবে দেখেন? আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, নাহলে স্বৈরতন্ত্র।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, নাজিবুর রহমান মোমেন, কামাল হোসেন, আবদুল বাতেন, এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন, মাহমুদা মিতু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব জালাল উদ্দিন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওমর ফারুক, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মুফতি ফখরুল ইসলাম, এবি পার্টির আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, নেজামে ইসলামী পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতাহারী।

বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গোপন ভোটের অধ্যাদেশ জারি করতে পারত বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহাকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা ও সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
এ সময় তিনি বলেন, সরকার যদি চায়, একটি অধ্যাদেশ করতে পারে। তারা ইতিমধ্যে অনেক অধ্যাদেশ জারি করেছে। তাদের এটা করার সুযোগ ছিল।
তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হতো এবং এমপিরা স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারতেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতন্ত্র চর্চার পেছনে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বাধা তৈরি করেছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে এমপিরা ভোট দিতে পারবে না।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হওয়ার কথা জানিয়ে আযাদ বলেন, গণভোটে এটা পাস হবার পরেও ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একগুঁয়েমি এবং দলীয় সংকীর্ণতার কারণে এই সংস্কারটা করছে না। বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছেন না।
১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী অলি আহমেদ সম্পর্কে জামায়াত নেতা বলেন, ‘তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং জাতীয়ভাবে সমালোচনা বিতর্কের ঊর্ধ্বে। দেশের জন্য অনেক অবদান রেখে আসছেন দীর্ঘ সময় ধরে।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে হলে কর্নেল অলি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রার্থী বাছাই করতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা, এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে! শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে এটা অতীতের রেকর্ড আমাদের জানা নাই। এই কাজটি উনারা করছেন! তাহলে ওনারা গণতন্ত্রকে কিভাবে দেখেন? আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, নাহলে স্বৈরতন্ত্র।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, নাজিবুর রহমান মোমেন, কামাল হোসেন, আবদুল বাতেন, এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন, মাহমুদা মিতু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব জালাল উদ্দিন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওমর ফারুক, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মুফতি ফখরুল ইসলাম, এবি পার্টির আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, নেজামে ইসলামী পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতাহারী।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গে নেই দুটি দল। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের অভিযোগ, দলছুট নেতাদের ভিড়িয়ে ঐক্যবদ্ধ জোট প্রমাণে জামায়াত ‘চালাকির’ আশ্রয় নিয়েছে। অবৈধভাবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিবন্ধিত অংশের ব্যানার ব্যবহার করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার না করার সুযোগ নিয়ে বর্তমান বিএনপি সরকার জনগণের ওপর চড়াও হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই বৈঠক হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীর ডিমলায় কাঠের সাঁকো ভেঙে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বেশ কয়েক সঙ্গী নদীতে পড়ে গেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার ডিমলা ইউনিয়নের নটাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
২১ ঘণ্টা আগে