স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁর শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশন (লাইফ সাপোর্ট) দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে ডা. শাহাবউদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মেডিকেল বোর্ড জানায়, গত কয়েকদিনে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে হাই ফ্লো ন্যাসাল ক্যানুলা এবং বাইপ্যাপ মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। তবে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, তাঁর কিডনির কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে নিবিড় ডায়ালাইসিস চলছে। এ ছাড়া শরীরে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন ধরা পড়ায় তাঁকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাংগাল ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর তাঁর ‘একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস’ ধরা পড়ে, যার জন্য নিবিড় চিকিৎসা চলছে। পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ এবং ডিআইসি সমস্যার কারণে তাঁকে নিয়মিত রক্ত ও রক্তের উপাদান দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া হৃৎপিণ্ডের ‘অ্যার্টিক ভালভে’ সমস্যা দেখা দেওয়ায় টিইই পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর ইনফেক্টিভ এন্ডোকার্ডাইটিস (হৃৎপিণ্ডের সংক্রমণ) শনাক্ত হয়েছে। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এ বিষয়েও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে ভুগছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। গত মাস দুয়েক ধরে জ্বর, বমি ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন তিনি।
অবস্থার অবনতি হলে গত ২৬ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই যকৃত ও কিডনির অবস্থার দ্রুত অবনতি দেখে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউতে (ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়।
দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিক তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রফেসর ডা. শাহাবউদ্দিন তালুকদার কোনো ধরনের গুজব বা ভুল তথ্য প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আশু রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁর শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশন (লাইফ সাপোর্ট) দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে ডা. শাহাবউদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মেডিকেল বোর্ড জানায়, গত কয়েকদিনে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে হাই ফ্লো ন্যাসাল ক্যানুলা এবং বাইপ্যাপ মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। তবে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, তাঁর কিডনির কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে নিবিড় ডায়ালাইসিস চলছে। এ ছাড়া শরীরে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন ধরা পড়ায় তাঁকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাংগাল ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর তাঁর ‘একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস’ ধরা পড়ে, যার জন্য নিবিড় চিকিৎসা চলছে। পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ এবং ডিআইসি সমস্যার কারণে তাঁকে নিয়মিত রক্ত ও রক্তের উপাদান দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া হৃৎপিণ্ডের ‘অ্যার্টিক ভালভে’ সমস্যা দেখা দেওয়ায় টিইই পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর ইনফেক্টিভ এন্ডোকার্ডাইটিস (হৃৎপিণ্ডের সংক্রমণ) শনাক্ত হয়েছে। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এ বিষয়েও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে ভুগছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। গত মাস দুয়েক ধরে জ্বর, বমি ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন তিনি।
অবস্থার অবনতি হলে গত ২৬ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই যকৃত ও কিডনির অবস্থার দ্রুত অবনতি দেখে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউতে (ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়।
দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিক তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রফেসর ডা. শাহাবউদ্দিন তালুকদার কোনো ধরনের গুজব বা ভুল তথ্য প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আশু রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত নাটোর-১ আসন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনের ভোটাররা প্রার্থীদের যোগ্যতা, অবদান ও অঙ্গীকারের হিসাব মেলাতে শুরু করেছেন।
২৭ মিনিট আগে
আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘৫ আগস্টের আগে ১৭ বছর মানুষকে অত্যাচার, নিপীড়ন, খুন-গুম, জেলখানায় অত্যাচার করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ঠিক তার একটা ডেমো ১৬ মাসে আমরা দেখেছি। ...গ্রামের অলি-গলি থেকে শুরু করে শহর ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যন্ত চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে বৈধতা দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার (মার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
৩ ঘণ্টা আগে