স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে ছাত্রদলের হামলায় সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, তা তারা দেখতে চান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হবিগঞ্জের হামলায় দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আলিফ চৌধুরীকে দেখে এসে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকার জনগণের নিরাপত্তার রক্ষক। কিন্তু যদি তারা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের উদ্বেগ বাড়বে। আমরা ব্যর্থতার ব্যাখ্যা শুনতে চাই না; আমরা বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই। সরকারকে কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে–এই দেশ সব নাগরিকের এবং আইন সবার জন্য সমান।
এ সময় তিনি হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলার ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, যারা এই নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আহত আলিফের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, এই ছেলেটি কাউকে আক্রমণ করতে যায়নি, বরং সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই নির্মম হামলার শিকার হয়েছে। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছে। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, নিন্দনীয় এবং কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে কারও ওপর হামলা হবে না। এখন পুরো জাতি অপেক্ষা করছে, সরকার এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দলীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, তা দেখতে।
শফিকুর রহমান বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা যেই দলেরই হোক, তাদের বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলার শিকার ব্যক্তিরা বিচার চাইতে এমনকি মামলা করতে গিয়েও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন। বহু চেষ্টা-তদবিরের পর মামলা নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সরকারের দায়িত্ব আইনের শাসন নিশ্চিত করা। কিন্তু যদি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পেতেই সংগ্রাম করতে হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা কীভাবে তৈরি হবে?
তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরেবাংলা নগর উত্তর থানা আমির আব্দুল আউয়াল আজম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) নেতা হাসান আল বান্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, যুগ্ম সদস্যসচিব সাইফ মোস্তাফিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে ছাত্রদলের হামলায় সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, তা তারা দেখতে চান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হবিগঞ্জের হামলায় দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আলিফ চৌধুরীকে দেখে এসে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকার জনগণের নিরাপত্তার রক্ষক। কিন্তু যদি তারা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের উদ্বেগ বাড়বে। আমরা ব্যর্থতার ব্যাখ্যা শুনতে চাই না; আমরা বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই। সরকারকে কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে–এই দেশ সব নাগরিকের এবং আইন সবার জন্য সমান।
এ সময় তিনি হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলার ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, যারা এই নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আহত আলিফের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, এই ছেলেটি কাউকে আক্রমণ করতে যায়নি, বরং সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই নির্মম হামলার শিকার হয়েছে। তাঁর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছে। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, নিন্দনীয় এবং কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে কারও ওপর হামলা হবে না। এখন পুরো জাতি অপেক্ষা করছে, সরকার এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দলীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, তা দেখতে।
শফিকুর রহমান বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা যেই দলেরই হোক, তাদের বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলার শিকার ব্যক্তিরা বিচার চাইতে এমনকি মামলা করতে গিয়েও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন। বহু চেষ্টা-তদবিরের পর মামলা নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সরকারের দায়িত্ব আইনের শাসন নিশ্চিত করা। কিন্তু যদি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পেতেই সংগ্রাম করতে হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা কীভাবে তৈরি হবে?
তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরেবাংলা নগর উত্তর থানা আমির আব্দুল আউয়াল আজম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) নেতা হাসান আল বান্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, যুগ্ম সদস্যসচিব সাইফ মোস্তাফিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে দলটি। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আমরা আর কোনো উপদেষ্টা বানাব না, সবাই (উপদেষ্টা) দেশটার বারোটা বাজিয়ে গেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবকিছু পরিচালিত হলে দুর্নীতি বন্ধ হয় না কেন– এমন প্রশ্ন রেখেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, সরকারের একজন যখন নিজেই ব্যর্থতার কথা স্বীকার করছেন, তখন ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার কোথায়?
৩ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে