স্ট্রিম প্রতিবেদক

সিলেটে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সহ-উপাচার্য সাজেদুল করিম এবং রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের যোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আইন অমান্য করে রাজনৈতিক জনসভায় অংশ নেওয়ায় শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে বিএনপির এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না।
জনসমাবেশে উপস্থিত হওয়া ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়।
এ আর আনিস নামে একজন শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ যাঁরা তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় গেছেন এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী। আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী কাজে সরাসরি জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীরা এই কর্মকাণ্ডের কারণে বাকরুদ্ধ।’
এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরীকে মুটোফোনে যোগাযোগ একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সহ-উপাচার্য সাজেদুল করিম বলেন, ‘আমি সিলেটের সব ধরনের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সারা জীবনে আমন্ত্রিত হইছি এবং অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের আইনে কোথাও লেখা নাই যে কোনো প্রোগ্রামে আমন্ত্রিত হয়ে দর্শক সারিতে বসা, শ্রোতা হওয়া যাবে না। আজকে আমিও আমন্ত্রিত, ভাইস চ্যান্সেলরও আমন্ত্রিত। আমাদেরকে বারবার অনুরোধ করা হইছে। কিন্তু আমরা তো আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডায়াসে জায়গা নেই নাই, বসি নাই। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কাজে আমরা দর্শকের সারিতে থেকেছি।’

সিলেটে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সহ-উপাচার্য সাজেদুল করিম এবং রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের যোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আইন অমান্য করে রাজনৈতিক জনসভায় অংশ নেওয়ায় শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে বিএনপির এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না।
জনসমাবেশে উপস্থিত হওয়া ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়।
এ আর আনিস নামে একজন শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ যাঁরা তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় গেছেন এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী। আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী কাজে সরাসরি জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীরা এই কর্মকাণ্ডের কারণে বাকরুদ্ধ।’
এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরীকে মুটোফোনে যোগাযোগ একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সহ-উপাচার্য সাজেদুল করিম বলেন, ‘আমি সিলেটের সব ধরনের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সারা জীবনে আমন্ত্রিত হইছি এবং অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের আইনে কোথাও লেখা নাই যে কোনো প্রোগ্রামে আমন্ত্রিত হয়ে দর্শক সারিতে বসা, শ্রোতা হওয়া যাবে না। আজকে আমিও আমন্ত্রিত, ভাইস চ্যান্সেলরও আমন্ত্রিত। আমাদেরকে বারবার অনুরোধ করা হইছে। কিন্তু আমরা তো আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডায়াসে জায়গা নেই নাই, বসি নাই। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কাজে আমরা দর্শকের সারিতে থেকেছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
২ ঘণ্টা আগে