স্ট্রিম প্রতিবেদক

বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদের পথ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে ‘জুলাই ঐক্য’ জানিয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে নস্যাৎ করার কোনো অপচেষ্টা চললে ছাত্রজনতা আবারও রাজপথে নামবে এবং বিপ্লব সংগঠিত করবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংগঠনটির সংগঠক মুন্সি বুরহান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আইনি মারপ্যাঁচের মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম আওয়ামী লীগের মতোই হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই সরকার জুলাইয়ের ফসল। জুলাই যদি না থাকে, তবে এই নির্বাচন ও সরকারের কোনো বৈধতা থাকবে না। সরকার যদি বল প্রয়োগ করে ভারত বা অন্য কোনো দেশের সহযোগিতায় আবারও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়, তবে আমরা ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও বিপ্লবের পথে হাঁটবো।’
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যে রিট করা হয়েছে, তা জাতির সঙ্গে গাদ্দারি। সংগঠনটির দাবি, এই রিটের পেছনে সরকারের স্পষ্ট পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রিট পিটিশনারদের আইনজীবীরা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী। অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলাম এবং মাহফুজুর রহমান মিলনের মতো ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, তারা সরাসরি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও আইনজীবী ফোরামের সঙ্গে যুক্ত।
বিবৃতিতে ৫ দফা দাবি জানায় সংগঠনটি। দাবিগুলো হলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে; সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গণহত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে বিচারের আওতায় আনতে হবে; সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নিয়োগ দিতে হবে; জুলাইয়ের শহীদদের তালিকা ও বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগেই রাষ্ট্র সংস্কারে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে; অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরকারকে দ্রুত সরে আসতে হবে।

বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদের পথ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে ‘জুলাই ঐক্য’ জানিয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে নস্যাৎ করার কোনো অপচেষ্টা চললে ছাত্রজনতা আবারও রাজপথে নামবে এবং বিপ্লব সংগঠিত করবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংগঠনটির সংগঠক মুন্সি বুরহান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আইনি মারপ্যাঁচের মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম আওয়ামী লীগের মতোই হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই সরকার জুলাইয়ের ফসল। জুলাই যদি না থাকে, তবে এই নির্বাচন ও সরকারের কোনো বৈধতা থাকবে না। সরকার যদি বল প্রয়োগ করে ভারত বা অন্য কোনো দেশের সহযোগিতায় আবারও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়, তবে আমরা ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও বিপ্লবের পথে হাঁটবো।’
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যে রিট করা হয়েছে, তা জাতির সঙ্গে গাদ্দারি। সংগঠনটির দাবি, এই রিটের পেছনে সরকারের স্পষ্ট পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রিট পিটিশনারদের আইনজীবীরা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী। অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলাম এবং মাহফুজুর রহমান মিলনের মতো ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, তারা সরাসরি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও আইনজীবী ফোরামের সঙ্গে যুক্ত।
বিবৃতিতে ৫ দফা দাবি জানায় সংগঠনটি। দাবিগুলো হলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে; সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গণহত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে বিচারের আওতায় আনতে হবে; সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নিয়োগ দিতে হবে; জুলাইয়ের শহীদদের তালিকা ও বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগেই রাষ্ট্র সংস্কারে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে; অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরকারকে দ্রুত সরে আসতে হবে।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬