স্ট্রিম প্রতিবেদক

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোটের আগে থেকেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন ভোটাররা। এই ভিড় এখন আরও বেড়েছে।
বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল থেকে দলবেঁধে কেন্দ্রে আসছেন। বন্ধুদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট কেন্দ্রে ঢুকছেন তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সৌমিক দেব। জগন্নাথ হলের এই আবাসিক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে জানান, একসঙ্গে আট বন্ধু মিলে কেন্দ্রে এসেছেন তাঁরা।
সৌমিক বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন অনেকদিন ধরে হবে হবে বলে শুনে আসছিলাম। অবশেষে ভোট দিতে পারলাম, এবারই প্রথম। সবাই বিভিন্ন হল থেকে বাস থেকে একসঙ্গে আসছেন, দেখে খুব উচ্ছ্বসিত। প্রচারণার মধ্যেও এক্সাইটেড ছিলাম। যেন যোগ্য প্রার্থী জিতে আসে, এটাই এখন প্রত্যাশা। যে ক্যাম্পাসের জন্য কাজ করবে তাকে ভোট দিয়েছি।’
এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হচ্ছে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ৪৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আছেন ১৯ জন প্রার্থী। মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন আর ১৮টি হল সংসদে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন ১ হাজার ৩৫ জন। প্রতিটি হল সংসদে ১৩টি করে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪।
এবারই প্রথম আবাসিক হলের বাইরে ডাকসু ও হল সংসদের ভোট গ্রহণ হচ্ছে। ক্যাম্পাসের নির্ধারিত আটটি কেন্দ্রে (৮১০টি বুথ) শিক্ষার্থীরা ভোট দেবেন। এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫, ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন।
ভোটগ্রহণ হচ্ছে ওএমআর ফরমে, ছয় পাতার ব্যালটে। এরপর ১৪টি গণনা মেশিনে ৮টি কেন্দ্রে হবে ফলাফল গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হবে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে। ভোটগণনা সরাসরি দেখানো হবে এলইডি স্ক্রিনে।
কার্জন হল কেন্দ্রে ভোট দেবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, ফজলুল হক মুসলিম হল ও অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীরা (৫ হাজার ৭৭ ভোট)। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রটি নির্ধারণ করা হয়েছে জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীদের জন্য (৪ হাজার ৮৫৩ ভোট)। ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ভোট দেবেন রোকেয়া হলের ছাত্রীরা (৫ হাজার ৬৬৫ ভোট)।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দেবেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা (৪ হাজার ৭৫৫ ভোট)। স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দেবেন সিনেট ভবন কেন্দ্রে (৪ হাজার ৮৩০ ভোট)।
সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভোট দেবেন উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মাস্টারদা সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীমউদ্দীন হলের মোট ৬ হাজার ১৫৫ শিক্ষার্থী ভোট দেবেন। ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে ভোট দেবেন কবি সুফিয়া কামাল হলের ৪ হাজার ৪৪৩ জন ছাত্রী। আর ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে শামসুন নাহার হলের ৪ হাজার ৯৬ জন ছাত্রীর ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোটের আগে থেকেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন ভোটাররা। এই ভিড় এখন আরও বেড়েছে।
বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল থেকে দলবেঁধে কেন্দ্রে আসছেন। বন্ধুদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট কেন্দ্রে ঢুকছেন তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সৌমিক দেব। জগন্নাথ হলের এই আবাসিক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে জানান, একসঙ্গে আট বন্ধু মিলে কেন্দ্রে এসেছেন তাঁরা।
সৌমিক বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন অনেকদিন ধরে হবে হবে বলে শুনে আসছিলাম। অবশেষে ভোট দিতে পারলাম, এবারই প্রথম। সবাই বিভিন্ন হল থেকে বাস থেকে একসঙ্গে আসছেন, দেখে খুব উচ্ছ্বসিত। প্রচারণার মধ্যেও এক্সাইটেড ছিলাম। যেন যোগ্য প্রার্থী জিতে আসে, এটাই এখন প্রত্যাশা। যে ক্যাম্পাসের জন্য কাজ করবে তাকে ভোট দিয়েছি।’
এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হচ্ছে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ৪৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আছেন ১৯ জন প্রার্থী। মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন আর ১৮টি হল সংসদে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন ১ হাজার ৩৫ জন। প্রতিটি হল সংসদে ১৩টি করে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪।
এবারই প্রথম আবাসিক হলের বাইরে ডাকসু ও হল সংসদের ভোট গ্রহণ হচ্ছে। ক্যাম্পাসের নির্ধারিত আটটি কেন্দ্রে (৮১০টি বুথ) শিক্ষার্থীরা ভোট দেবেন। এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫, ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন।
ভোটগ্রহণ হচ্ছে ওএমআর ফরমে, ছয় পাতার ব্যালটে। এরপর ১৪টি গণনা মেশিনে ৮টি কেন্দ্রে হবে ফলাফল গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হবে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে। ভোটগণনা সরাসরি দেখানো হবে এলইডি স্ক্রিনে।
কার্জন হল কেন্দ্রে ভোট দেবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, ফজলুল হক মুসলিম হল ও অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীরা (৫ হাজার ৭৭ ভোট)। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রটি নির্ধারণ করা হয়েছে জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীদের জন্য (৪ হাজার ৮৫৩ ভোট)। ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ভোট দেবেন রোকেয়া হলের ছাত্রীরা (৫ হাজার ৬৬৫ ভোট)।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দেবেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা (৪ হাজার ৭৫৫ ভোট)। স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দেবেন সিনেট ভবন কেন্দ্রে (৪ হাজার ৮৩০ ভোট)।
সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভোট দেবেন উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মাস্টারদা সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীমউদ্দীন হলের মোট ৬ হাজার ১৫৫ শিক্ষার্থী ভোট দেবেন। ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে ভোট দেবেন কবি সুফিয়া কামাল হলের ৪ হাজার ৪৪৩ জন ছাত্রী। আর ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে শামসুন নাহার হলের ৪ হাজার ৯৬ জন ছাত্রীর ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬