স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনে জয়ী হলে দল ও ধর্মের ঊর্ধ্বে ওঠে দেশকে ফুলের বাগান বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যাদের ৩৯ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী ঋণখেলাপি। তারা কখনো দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধুপখোলা মাঠে ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘দলটির (বিএনপি) মুখে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার কথা মানায় না। চোর-ডাকাতদের সংসদে নিয়ে দেশ চোর-ডাকাত মুক্ত করা যায় না। দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের দিয়ে দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায় না।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ১১ দলীয় ঐক্য আল্লাহর ইচ্ছায়, আপনাদের ভালোবাসা-সমর্থন এবং ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করার সুযোগ পেলে, সামাজিক দায়িত্বগুলো পালন করব। সারাদেশকে দল-ধর্মের ঊর্ধ্বে ওঠে ফুলের বাগান হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘মানুষে মানুষে আর কোনো বিভক্তি-ভেদাভেদ আমরা দেখতে চাই না। সবাই মিলে আমাদের পরিচয়, আমরাই বাংলাদেশ। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে তুমি কে? আমার জবাব হবে আমি বাংলাদেশ। আপনাকে জিজ্ঞেস করলেও বলবেন, আপনিই বাংলাদেশ।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘এদেশ সামগ্রিকতার বাংলাদেশ। যেখানে ন্যায়-ইনসাফ থাকবে। যেখানে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ থাকবে না। যেখানে সুশিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে। যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে, মানুষ কর্মের অধিকার পাবে। মানুষ ইজ্জতের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে দাঁড়াবে।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে আমরা প্রথম স্বাধীনতার মুখ দেখেছিলাম। না, এই অঙ্গীকার যারা আমাদের দিয়েছিলেন– ‘লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তানের’ স্লোগান দিয়ে তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। এ কারণে অনিবার্য হয়েছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। সেই মুক্তিযুদ্ধে বুক চিতিয়ে জীবনবাজি রেখে যারা লড়াই করেছিলেন, তাদের লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্য এবং সবাই মিলেমিশে উন্নয়নের অগ্রপথিক হয়ে রাজপথে চলব। কিন্তু পূরণ হয়নি।

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। কিন্তু কাউকে আমাদের প্রভু হতে দেব না। কেউ আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে চেষ্টা করে, তাঁকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
সমাজকে বদলে দিতে যুব সমাজকে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীর নেতৃত্ব দেবে তরুণ প্রজন্ম। জামায়াতে ইসলামী তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নিয়েছে। ক্ষমতায় গেলে বেকারভাতা দিয়ে বেকারত্বের মহাসাগর সৃষ্টি না করে যুব সমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করবে। কারণ যুবসমাজ হবে আগামীর বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।
এ সময় ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল মান্নান ও ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।

নির্বাচনে জয়ী হলে দল ও ধর্মের ঊর্ধ্বে ওঠে দেশকে ফুলের বাগান বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যাদের ৩৯ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী ঋণখেলাপি। তারা কখনো দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধুপখোলা মাঠে ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘দলটির (বিএনপি) মুখে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার কথা মানায় না। চোর-ডাকাতদের সংসদে নিয়ে দেশ চোর-ডাকাত মুক্ত করা যায় না। দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের দিয়ে দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায় না।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ১১ দলীয় ঐক্য আল্লাহর ইচ্ছায়, আপনাদের ভালোবাসা-সমর্থন এবং ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করার সুযোগ পেলে, সামাজিক দায়িত্বগুলো পালন করব। সারাদেশকে দল-ধর্মের ঊর্ধ্বে ওঠে ফুলের বাগান হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘মানুষে মানুষে আর কোনো বিভক্তি-ভেদাভেদ আমরা দেখতে চাই না। সবাই মিলে আমাদের পরিচয়, আমরাই বাংলাদেশ। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে তুমি কে? আমার জবাব হবে আমি বাংলাদেশ। আপনাকে জিজ্ঞেস করলেও বলবেন, আপনিই বাংলাদেশ।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘এদেশ সামগ্রিকতার বাংলাদেশ। যেখানে ন্যায়-ইনসাফ থাকবে। যেখানে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ থাকবে না। যেখানে সুশিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে। যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে, মানুষ কর্মের অধিকার পাবে। মানুষ ইজ্জতের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে দাঁড়াবে।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে আমরা প্রথম স্বাধীনতার মুখ দেখেছিলাম। না, এই অঙ্গীকার যারা আমাদের দিয়েছিলেন– ‘লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তানের’ স্লোগান দিয়ে তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। এ কারণে অনিবার্য হয়েছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। সেই মুক্তিযুদ্ধে বুক চিতিয়ে জীবনবাজি রেখে যারা লড়াই করেছিলেন, তাদের লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্য এবং সবাই মিলেমিশে উন্নয়নের অগ্রপথিক হয়ে রাজপথে চলব। কিন্তু পূরণ হয়নি।

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। কিন্তু কাউকে আমাদের প্রভু হতে দেব না। কেউ আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে চেষ্টা করে, তাঁকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
সমাজকে বদলে দিতে যুব সমাজকে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীর নেতৃত্ব দেবে তরুণ প্রজন্ম। জামায়াতে ইসলামী তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নিয়েছে। ক্ষমতায় গেলে বেকারভাতা দিয়ে বেকারত্বের মহাসাগর সৃষ্টি না করে যুব সমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করবে। কারণ যুবসমাজ হবে আগামীর বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।
এ সময় ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল মান্নান ও ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।

রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বিএনপি নতুন ফ্যাসিবাদ হওয়ার চেষ্টা করলে আবারও এদেশের ছাত্র-জনতা বিএনপির পুরাতন ঠিকানা লন্ডন পালিয়ে যেতে বাধ্য করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছে। প্রতীক বরাদ্দের পর দলটির প্রার্থীরা মাঠে থাকলেও, কিছু আসনে শরিকদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করছেন। শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ শরিক ১০ দলের তৃণমূল বাগে না আসলে ‘শাপলা কলি’ চ্যালেঞ্জে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
২ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বীর শহীদ ইশমামের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী পদযাত্রা।
২ ঘণ্টা আগে