স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হলে সংসদ আর রাজপথ একাকার হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে এই সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, ফলে জুলাই সনদ ও সংস্কারের পক্ষে পাওয়া গণরায়কে বাস্তবায়ন করতেই হবে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনও অল্প কথা বলছি, কারণ দেশে অনেক সংকট। দেশে জ্বালানির সংকট, শিশুরা হামে চিকিৎসা পাচ্ছে না, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে- এই ধরনের অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। বিরোধীদলের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার বারবার কথার বরখেলাপ করেছে।’
এত সংকটের মধ্যেও সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দলীয়করণ করছে এবং বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন করে জেগে ওঠা স্বৈরতন্ত্র আর পুরনো বন্দোবস্তকে টিকিয়ে রাখাকে বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না।
নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে জানান, এনসিপিসহ ১১ দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য সবাই আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি গণরায়কে উপেক্ষা করলে এর পরিণতি হবে পুরোনো ফ্যাসিবাদীদের মতো।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা চাই দেশ ও সরকার দ্রুত স্থিতিশীল হোক। এ কারণে যত দ্রুত সরকার গণরায় মেনে নেবে ততই মঙ্গল।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হলে সংসদ আর রাজপথ একাকার হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে এই সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, ফলে জুলাই সনদ ও সংস্কারের পক্ষে পাওয়া গণরায়কে বাস্তবায়ন করতেই হবে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনও অল্প কথা বলছি, কারণ দেশে অনেক সংকট। দেশে জ্বালানির সংকট, শিশুরা হামে চিকিৎসা পাচ্ছে না, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে- এই ধরনের অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। বিরোধীদলের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার বারবার কথার বরখেলাপ করেছে।’
এত সংকটের মধ্যেও সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দলীয়করণ করছে এবং বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন করে জেগে ওঠা স্বৈরতন্ত্র আর পুরনো বন্দোবস্তকে টিকিয়ে রাখাকে বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না।
নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে জানান, এনসিপিসহ ১১ দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য সবাই আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি গণরায়কে উপেক্ষা করলে এর পরিণতি হবে পুরোনো ফ্যাসিবাদীদের মতো।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা চাই দেশ ও সরকার দ্রুত স্থিতিশীল হোক। এ কারণে যত দ্রুত সরকার গণরায় মেনে নেবে ততই মঙ্গল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে