স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত গণসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকারকে ‘আখেরি পয়গাম’ বা ‘শেষ বার্তা’ দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। আগামী তিন মাসব্যাপী দেশব্যাপী কর্মসূচি পালনের পরে ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিলের মাধ্যমে চূড়ান্ত কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মামুনুল হক বলেন, ‘আগামী তিন মাস—মে, জুন ও রক্তাক্ত জুলাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং দেশের অন্যান্য চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নাগরিক সমাবেশ করবার ঘোষণা দিচ্ছে। প্রতিটি জেলায় নাগরিক সমাবেশ বাস্তবায়নের পরে ২০২৬ সালের ৩৬ শে জুলাই—৫ আগস্ট ঐতিহাসিক এই ঢাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ডাকে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। আবার আখেরি পয়গাম দিয়ে যেতে চাই, এই গণভোটের রায়ের সঙ্গে যদি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়, জনগণের অধিকারকে যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জাতাকলে পিষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, আবার জুলাই হবে, আবার যুদ্ধ হবে, আবার লড়াই হবে, আবার সংগ্রাম হবে ইনশাআল্লাহ।’
মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার ছিল—আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে ১৯৪৭ সাল, ২০১৩ সাল এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিজয়ের ভিত্তির ওপর। আজ যারা মনে করেন, কেন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ ও ইসলামপন্থীরা জুলাই বিপ্লবের পক্ষে কাফনের কাপড় বেঁধে রাজপথে নামতে চায়—আমি তাদের বলতে চাই, আমরা জুলাই বিপ্লবকে এ জন্যই বাস্তবায়ন করতে চাই। কারণ, এই জুলাই বিপ্লব ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গের চেতনাকে ধারণ করে, ১৯২১ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটকে ধারণ করে, ১৯৪৭ সালের স্বাধীন জাতিসত্তাকে ধারণ করে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে, ২০১৩ সালের শাপলার চেতনাকে ধারণ করে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে ধারণ করে।’
তিনি বলেন, যারা ইসলাম ও বাংলাদেশকে ভালোবাসে এবং বাংলাদেশের শতবর্ষের ঐতিহ্যকে ধারণ করে—তারা জুলাই বিপ্লবের বিপক্ষে থাকতে পারে না। আমি আজকের ক্ষমতাসীন বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা বাংলাদেশের ৫০ বছরের রাজনীতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সাথে গাদ্দারি করে বিএনপি টিকে থাকতে পারবে না।
বিএনপি নেতৃত্ব ও নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে আপনারা জন্ম নিয়েছেন, তার সাথে গাদ্দারি করা মানে জন্মদাত্রী মায়ের গর্ভকে অস্বীকার করা। বাংলাদেশে পূর্বে তিনটি গণভোট হয়েছে—কোনো গণভোটের সাথেই কেউ গাদ্দারি করেনি। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের যেখানেই গণভোট হয়েছে, কোনো গণভোটের সাথেই কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। যদি বিএনপি গণভোটের সাথে গাদ্দারি করে, তাহলে বিএনপি বিশ্বের একমাত্র গাদ্দার দল হিসেবে পরিচিত হবে।
বর্তমান সরকারের কুটনৈতিক ব্যর্থতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাঠানো ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূতকে পৃথিবীর সব কূটনৈতিক রেওয়াজ ভঙ্গ করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একজন বিজেপি নেতাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হয়েছে, অথচ এদেশের সরকার টুঁ শব্দটুকু করেনি। বন্ধুরাষ্ট্র ইরান বন্ধুত্বের দায়িত্ব পালন করে তেল দিচ্ছে, কিন্তু আমাদের কূটনীতির ব্যর্থতার কারণে বারবার সেই তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়া হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, আপনারা না পারলে আমাদেরকে দায়িত্ব দিন—আমরা দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সবশেষে সভাপতির বক্তব্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকারকে ‘আখেরি পয়গাম’ দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত গণসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকারকে ‘আখেরি পয়গাম’ বা ‘শেষ বার্তা’ দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। আগামী তিন মাসব্যাপী দেশব্যাপী কর্মসূচি পালনের পরে ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিলের মাধ্যমে চূড়ান্ত কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মামুনুল হক বলেন, ‘আগামী তিন মাস—মে, জুন ও রক্তাক্ত জুলাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং দেশের অন্যান্য চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নাগরিক সমাবেশ করবার ঘোষণা দিচ্ছে। প্রতিটি জেলায় নাগরিক সমাবেশ বাস্তবায়নের পরে ২০২৬ সালের ৩৬ শে জুলাই—৫ আগস্ট ঐতিহাসিক এই ঢাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ডাকে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। আবার আখেরি পয়গাম দিয়ে যেতে চাই, এই গণভোটের রায়ের সঙ্গে যদি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়, জনগণের অধিকারকে যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জাতাকলে পিষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, আবার জুলাই হবে, আবার যুদ্ধ হবে, আবার লড়াই হবে, আবার সংগ্রাম হবে ইনশাআল্লাহ।’
মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার ছিল—আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে ১৯৪৭ সাল, ২০১৩ সাল এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিজয়ের ভিত্তির ওপর। আজ যারা মনে করেন, কেন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ ও ইসলামপন্থীরা জুলাই বিপ্লবের পক্ষে কাফনের কাপড় বেঁধে রাজপথে নামতে চায়—আমি তাদের বলতে চাই, আমরা জুলাই বিপ্লবকে এ জন্যই বাস্তবায়ন করতে চাই। কারণ, এই জুলাই বিপ্লব ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গের চেতনাকে ধারণ করে, ১৯২১ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটকে ধারণ করে, ১৯৪৭ সালের স্বাধীন জাতিসত্তাকে ধারণ করে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে, ২০১৩ সালের শাপলার চেতনাকে ধারণ করে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে ধারণ করে।’
তিনি বলেন, যারা ইসলাম ও বাংলাদেশকে ভালোবাসে এবং বাংলাদেশের শতবর্ষের ঐতিহ্যকে ধারণ করে—তারা জুলাই বিপ্লবের বিপক্ষে থাকতে পারে না। আমি আজকের ক্ষমতাসীন বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা বাংলাদেশের ৫০ বছরের রাজনীতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সাথে গাদ্দারি করে বিএনপি টিকে থাকতে পারবে না।
বিএনপি নেতৃত্ব ও নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে আপনারা জন্ম নিয়েছেন, তার সাথে গাদ্দারি করা মানে জন্মদাত্রী মায়ের গর্ভকে অস্বীকার করা। বাংলাদেশে পূর্বে তিনটি গণভোট হয়েছে—কোনো গণভোটের সাথেই কেউ গাদ্দারি করেনি। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের যেখানেই গণভোট হয়েছে, কোনো গণভোটের সাথেই কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। যদি বিএনপি গণভোটের সাথে গাদ্দারি করে, তাহলে বিএনপি বিশ্বের একমাত্র গাদ্দার দল হিসেবে পরিচিত হবে।
বর্তমান সরকারের কুটনৈতিক ব্যর্থতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পাঠানো ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূতকে পৃথিবীর সব কূটনৈতিক রেওয়াজ ভঙ্গ করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একজন বিজেপি নেতাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হয়েছে, অথচ এদেশের সরকার টুঁ শব্দটুকু করেনি। বন্ধুরাষ্ট্র ইরান বন্ধুত্বের দায়িত্ব পালন করে তেল দিচ্ছে, কিন্তু আমাদের কূটনীতির ব্যর্থতার কারণে বারবার সেই তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়া হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, আপনারা না পারলে আমাদেরকে দায়িত্ব দিন—আমরা দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সবশেষে সভাপতির বক্তব্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকারকে ‘আখেরি পয়গাম’ দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশে আসার আগে বলেছিলেন, দেশে ফিরে আসা শুধু তাঁর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। আমরা জানতে চাই, কার কার কাছে, কোন কোন দেশের কাছে, কোন কোন এজেন্সির কাছে দস্তখত দিয়ে তিনি দেশে এসেছেন, যে আসার পর তিনি এখন গণভোটকে অবৈ
২৭ মিনিট আগে
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত আদালতেও বহাল থাকলে উন্মুক্ত ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
৪৪ মিনিট আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে তরুণদের আরেকটি অনিবার্য লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে আরও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আল্লামা মামুনুল হককে ভয় পায় বলেই সংসদে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি আরও বলেন, সংসদে না থাকলেও রাজপথে মামুনুল হক আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন।
২ ঘণ্টা আগে