নাগরিক শোকসভা

সংগ্রামের ইতিহাসে খালেদা জিয়ার বীরত্বগাথা স্মরণ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

খালেদা জিয়াকে স্মরণে নাগরিক শোক সভায় বক্তৃতা করেন বিশিষ্টজন। স্ট্রিম ছবি

স্মৃতিচারণা আর সংগ্রামের বীরত্বগাথা উচ্চারণ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরা। শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত নাগরিক শোক সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানও যোগ দেন।

শোক সভায় নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির বলেন, ‘খালেদা জিয়া রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে চরম অসহিষ্ণুতার সময়েও কখনোই বেদনাবোধ কিংবা নিন্দা সূচক বাক্য উচ্চারণ করেননি।’

দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, ‘আমাদের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। সেটা করতে হবে ভোট দিয়ে। এ সময় তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি জীবনে প্রথমবার ভোট দেওয়ার আগে এই অনুষ্ঠানের বক্তব্যগুলো দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।’

লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী, অথচ আমরা তাঁকে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বলি এবং তিনি সবচেয়ে অল্প দিন রাজনীতি করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। অন্যকে আলো দিতে হলে মোমবাতি হতে হয়। তিনি তাঁর জীবন দিয়ে তা দিয়ে গিয়েছেন।’

ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যতে জ্ঞানভিত্তিক সমাজের ওপর নির্ভরশীল। বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বাণী ছিলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন করা। আমরা যেন এটা মনে রাখি।’

শোক সভায় অংশগ্রহণ করা প্রায় পাঁচ হাজার অতিথির মধ্যে ছিলেন, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও নানা পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিেরা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বেগম জিয়ার চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দীক, ব্যাবসায়ী নেতা মাহবুবুর রহমান, অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ফাহাম আব্দুস সালাম প্রমুখ। শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন এবং প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে থাকছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত