স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়।
এতে চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের অর্ধশত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। তরুণরা তারেক রহমানের কাছে তাঁর দেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। তারেক রহমান সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।
ঘণ্টাব্যাপী এ মতবিনিময় শেষে তারেক রহমান চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভার উদ্দেশে রওনা দেন।
তরুণদের সঙ্গে এ মতবিনিময়ের শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এরপর প্রশ্ন করার সুযোগ দেন তিনি। এ সময় এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের সময় তারেক রহমান তাঁকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দেন।
পলিসি টকে তাসনুভা তাসরিন নামে ওই তরুণী মাইক নিয়ে বলেন, ‘আসসালামুআলাইকুম স্যার, আমি তাসনুভা তাসরিন। আমি পড়াশুনা করছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষে।

তারেক রহমান তখন বলেন, ‘একটু পজ দিই। আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, হয় আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন, অথবা আমাকে…।’
তাসনুভা এ সময় বলে ওঠেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার।’
এ সময় তারেক রহমান আবার বলেন, ‘বয়সের হিসেবে আংকেল ডাকতে পারেন। তবে আংকেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে।’
তাসনুভা বলেন, ‘আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া’। এরপর তারেক রহমানকে নিজের প্রশ্নটি করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।
এর আগে, সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু প্ল্যান গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তারা কীভাবে দেশকে পরিচালনা করবেন তা শুনতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে অ্যাডভান্টেজ হলো আমাদের ইয়ুথ ফোর্স অনেক বেশি, যা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব।’

চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়।
এতে চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের অর্ধশত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। তরুণরা তারেক রহমানের কাছে তাঁর দেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। তারেক রহমান সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।
ঘণ্টাব্যাপী এ মতবিনিময় শেষে তারেক রহমান চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভার উদ্দেশে রওনা দেন।
তরুণদের সঙ্গে এ মতবিনিময়ের শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এরপর প্রশ্ন করার সুযোগ দেন তিনি। এ সময় এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের সময় তারেক রহমান তাঁকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দেন।
পলিসি টকে তাসনুভা তাসরিন নামে ওই তরুণী মাইক নিয়ে বলেন, ‘আসসালামুআলাইকুম স্যার, আমি তাসনুভা তাসরিন। আমি পড়াশুনা করছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষে।

তারেক রহমান তখন বলেন, ‘একটু পজ দিই। আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, হয় আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন, অথবা আমাকে…।’
তাসনুভা এ সময় বলে ওঠেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার।’
এ সময় তারেক রহমান আবার বলেন, ‘বয়সের হিসেবে আংকেল ডাকতে পারেন। তবে আংকেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে।’
তাসনুভা বলেন, ‘আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া’। এরপর তারেক রহমানকে নিজের প্রশ্নটি করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।
এর আগে, সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু প্ল্যান গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তারা কীভাবে দেশকে পরিচালনা করবেন তা শুনতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে অ্যাডভান্টেজ হলো আমাদের ইয়ুথ ফোর্স অনেক বেশি, যা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব।’

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬