স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দলটির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে ২৯০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই ভোট পান। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। দুই দলের ভোটের ব্যবধান ১৮ দশমিক ২১ শতাংশ।
জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও (চট্টগ্রাম-২ ও ৪) বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন। একটি আসনে জয় পেয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন।
বিপরীতে ৬৮ আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলে থাকছে জামায়াত। তাদের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২ ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয় পেয়েছে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ। তারা ৯৪ আসনে ট্রাক প্রতীকে লড়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। দল থেকে একমাত্র বিজয়ী হয়েছেন নুর। এরপর আরেক শরিক গণসংহতি আন্দোলন মাথাল প্রতীকে ১৭ আসনে লড়াই করে পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট। এই দলের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া বিএনপি জোটের অন্যতম শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ চারটি আসনে খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ ভোট। তাদের কেউ জিততে পারেননি।
এদিকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রধান শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। শাপলা কলি প্রতীকে তাদের ছয়জন বিজয়ী হয়েছে এবং ভোট পেয়েছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। ভোটের হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব থেকে আসা দলটি চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের পরে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। মোট ২৭৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।
বড় দলগুলোর মধ্যে জাতীয় পার্টি ১৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। লাঙ্গল নিয়ে দলটির কোনো নেতা জিততে পারেননি এবং ভোট পেয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। এককভাবে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৭ আসনে লড়ে জিতেছে একটিতে। হাতপাখা প্রতীকে দলটি ভোট পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দলটির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে ২৯০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই ভোট পান। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। দুই দলের ভোটের ব্যবধান ১৮ দশমিক ২১ শতাংশ।
জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও (চট্টগ্রাম-২ ও ৪) বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন। একটি আসনে জয় পেয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন।
বিপরীতে ৬৮ আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলে থাকছে জামায়াত। তাদের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২ ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয় পেয়েছে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ। তারা ৯৪ আসনে ট্রাক প্রতীকে লড়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। দল থেকে একমাত্র বিজয়ী হয়েছেন নুর। এরপর আরেক শরিক গণসংহতি আন্দোলন মাথাল প্রতীকে ১৭ আসনে লড়াই করে পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট। এই দলের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া বিএনপি জোটের অন্যতম শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ চারটি আসনে খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ ভোট। তাদের কেউ জিততে পারেননি।
এদিকে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রধান শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। শাপলা কলি প্রতীকে তাদের ছয়জন বিজয়ী হয়েছে এবং ভোট পেয়েছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। ভোটের হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব থেকে আসা দলটি চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের পরে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। মোট ২৭৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।
বড় দলগুলোর মধ্যে জাতীয় পার্টি ১৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। লাঙ্গল নিয়ে দলটির কোনো নেতা জিততে পারেননি এবং ভোট পেয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। এককভাবে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৭ আসনে লড়ে জিতেছে একটিতে। হাতপাখা প্রতীকে দলটি ভোট পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

বিএনপি সরকার দেশকে সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের পথে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতাদের অভিযোগ, রাষ্ট্র সংস্কারের জরুরি অধ্যাদেশগুলো বাতিল এবং গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।
১ দিন আগে
পূর্ণাঙ্গ সংস্কার আদায় পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ ও গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে তারা অতীত থেকে বিএনপিকে সবক নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
২ দিন আগে
গণভোটের রায় অমান্য করে ক্ষমতাসীন বিএনপি স্বৈরাচারের পথে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
২ দিন আগে
উপদেষ্টারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছেন উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে