আজ হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন
ওয়াহিদ সুজন


উইলিয়াম পিটার ব্লেটির বিখ্যাত পিশাচ কাহিনী দি একসরসিস্ট-এর হুমায়ূনের ভাবানুবাদ পড়লে বুঝতে পারবেন, অন্যরে গল্পের কাঠামো কীভাবে হুমায়ূনীয় ভঙ্গি ধারণ করে এবং সুখপাঠ্য হয়ে উঠে। আরো ভালো উদাহরণ বোধহয় এ কে কুইন্যালের ম্যান অন ফায়ার– এর বাঙলায়ন ‘অমানুষ’।
ফরমায়েশি ব্যাপারটা বোঝাতে দি একসরসিস্ট অনুবাদের ভূমিকা থেকে পড়তে পারেন— ‘একবার খুব অর্থকষ্টে পড়েছিলাম। আমেরিকা থেকে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে দেশে ফিরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যে বেতন পাওয়ার কথা- ছ’মাস তা পাচ্ছি না। কাগজপত্রের কি যেন অসুবিধা। এর তার কাছে ধার করতে হচ্ছে। তখন শুনলাম কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেব ভৌতিক বা গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস অনুবাদ করে দিলে নগদ টাকা দেন। রাত জেগে অনুবাদ করলাম উইলিয়াম পিটার ব্লেটির দি একসরসিস্ট। পাণ্ডুলিপি তাঁর হাতে দেয়ামাত্র তিনি আমাকে দু’হাজার টাকা দিলেন। টাকাটা খুব কাজে লাগল।’ সহজ-সরল স্বীকারোক্তি। আবদারের গল্পও তেমন ফরমায়েশ কিনা জানি না; নাকি সুভাষ দত্তর আবদার। এমন কিছু হতে পারে। এটা দারুণ একটা ঘটনা।
হুমায়ূনীয় ফর্মূলা যে চাইলেই প্রয়োগ করা যায় না; তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করে। স্বয়ং হুমায়ূনও পারেন না। বুঝতে হবে চরিত্র নির্মাণ বা বাক্যের গঠনই হুমায়ূন না। আরো কিছু আছে। আশ্চর্যভাবে অনেকেই এমনটা ভাবেন!


উইলিয়াম পিটার ব্লেটির বিখ্যাত পিশাচ কাহিনী দি একসরসিস্ট-এর হুমায়ূনের ভাবানুবাদ পড়লে বুঝতে পারবেন, অন্যরে গল্পের কাঠামো কীভাবে হুমায়ূনীয় ভঙ্গি ধারণ করে এবং সুখপাঠ্য হয়ে উঠে। আরো ভালো উদাহরণ বোধহয় এ কে কুইন্যালের ম্যান অন ফায়ার– এর বাঙলায়ন ‘অমানুষ’।
ফরমায়েশি ব্যাপারটা বোঝাতে দি একসরসিস্ট অনুবাদের ভূমিকা থেকে পড়তে পারেন— ‘একবার খুব অর্থকষ্টে পড়েছিলাম। আমেরিকা থেকে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে দেশে ফিরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যে বেতন পাওয়ার কথা- ছ’মাস তা পাচ্ছি না। কাগজপত্রের কি যেন অসুবিধা। এর তার কাছে ধার করতে হচ্ছে। তখন শুনলাম কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেব ভৌতিক বা গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস অনুবাদ করে দিলে নগদ টাকা দেন। রাত জেগে অনুবাদ করলাম উইলিয়াম পিটার ব্লেটির দি একসরসিস্ট। পাণ্ডুলিপি তাঁর হাতে দেয়ামাত্র তিনি আমাকে দু’হাজার টাকা দিলেন। টাকাটা খুব কাজে লাগল।’ সহজ-সরল স্বীকারোক্তি। আবদারের গল্পও তেমন ফরমায়েশ কিনা জানি না; নাকি সুভাষ দত্তর আবদার। এমন কিছু হতে পারে। এটা দারুণ একটা ঘটনা।
হুমায়ূনীয় ফর্মূলা যে চাইলেই প্রয়োগ করা যায় না; তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করে। স্বয়ং হুমায়ূনও পারেন না। বুঝতে হবে চরিত্র নির্মাণ বা বাক্যের গঠনই হুমায়ূন না। আরো কিছু আছে। আশ্চর্যভাবে অনেকেই এমনটা ভাবেন!
.png)

মিম কালচারে বিটলসের ড্রামার রিঙ্গো স্টাররে নিয়া মজার একটা লাইন আছে। লাইনটা হইল—‘রিঙ্গো ওয়াজ নট ইভেন দ্য বেস্ট ড্রামার ইন দ্য বিটলস।’ আমার কাছে মনে হয়, পপ কালচারের সবচেয়ে ক্লিশে জিনিসটা হইলো, পপ কালচার সবসময় ‘ফ্রন্টম্যান’ আর ‘মাস্টারমাইন্ড’ ন্যারেটিভ সেল করতে পছন্দ করে।
০৭ জুলাই ২০২৬
একটা বাংলা সিনেমা তৈরি হইছে আর এই জন্য সারাদেশ থিকা ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষেরা শহরে ভিড় করতে শুরু করছেন। সিনেমা হল খুঁজতেছে সবাই, সিনেমা দেখবে। কেউ কেউ তো কাঁথা বালিশও নিয়া আসছেন। শুয়ে পড়ছেন সিনেমা হলের গেটে। সকাল সকাল টিকেট পাইতে হবে, যদি টিকেট শেষ হইয়া যায়। গ্রামেও এই সিনেমার ক্রেজ ছড়ায় পড়ছে।
০৫ জুলাই ২০২৬
গতকাল ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ এক ‘সৃজনশীল’ কাজের দেখা পেলাম। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১৯৪৩ সালের যুগান্তকারী কালি-কলমে আঁকা দুর্ভিক্ষ সিরিজকে তুলে আনা হয়েছে নেকলেসে। ক্লে-এর ওপর অ্যাক্রিলিকে আঁকা, তাতে রেজিনের প্রলেপ, আর সঙ্গত দিচ্ছে কাঠের পুঁতি। আজকের পুঁজিবাদী দুনিয়ায় এ অবশ্য নতুন কিছু
০২ জুলাই ২০২৬
হুমায়ূন আহমেদ মারা গেছেন সেই ২০১২ সালে। কোনো রাইটার মইরা যাওয়ার পরে ইউজুয়ালি তার লিটারেরি জনরার সার্কুলেশনে একটা ন্যাচারাল ডিজরাপশন আসে। কিন্তু মারা যাওয়ার ১৪ বছর পরেও দেখা যাইতেছে, বাংলাদেশের কালচারাল পেরিফেরিতে 'হুমায়ূনীয়' লিটারেরি জনরার সার্কুলেশন বহাল তবিয়তেই আছে।
২৩ জুন ২০২৬