ডায়ান কিটন কেবলই অভিনেত্রী ছিলেন না, ছিলেন এক সাংস্কৃতিক বিস্ময়; সারল্য ও অকৃত্রিমতার আইকন, হাতের ইশারা ও নিখুঁত তোতলামিতে গভীর, হাস্যকর ও হৃদয়বিদারক সত্যি তুলে ধরার এক অনন্য শিল্পী। লা-দি-দা-খ্যাত এই শিল্পীর প্রতি পপস্ট্রিমের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
তুফায়েল আহমদ

সময়টা ২০১৩ সাল। বাংলাদেশে তখন হলিউডের ক্লাসিক সিনেমা দেখাটা বেশ ঝামেলার ব্যাপারই ছিল। শহরে থাকা মানুষেরা তা-ও এদিক-ওদিক করে বিদেশের সিনেমা জোগাড় করে দেখতে পারতেন, কিন্তু গ্রামে বা জেলা শহরে থাকা মানুষের জন্য এই কাজ প্রায় অসম্ভবই ছিল। আমি তখন সিলেটের এক অজপাড়াগাঁয়ে বাস করি। আমার চলচ্চিত্র জগৎ তখন স্থানীয় সিনেমার জগতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ঘটনাচক্রে আমার এক শহুরে বন্ধু মোবাইলের মেমোরি কার্ডে অনেকগুলো হলিউডি সিনেমা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। সেই সময় না জানলেও এখন জানি, একেও পাইরেসি বলে। সেই মেমোরি কার্ডে, মিশন ইম্পসিবল আর মার্ভেলের সিনেমার বাইরেও ছিল অ্যানি হল নামের এক অজানা সিনেমা। উডি অ্যালেনকে আমি চিনতাম তার মিডনাইট ইন প্যারিস সিনেমার জাদুতে। অ্যানি হল দেখার আগে জানতামও না এটা যে উডি অ্যালেনের সিনেমা।
সিনেমাটা দেখা শুরু করে দেখলাম ‘ডিরেক্টেড বাই উডি অ্যালেন’। আমি ধরেই নিলাম, উডি অ্যালেনের স্বভাবসুলভ হিউমারের দারুণ এক সিনেমার সাক্ষী হতে যাচ্ছি। আশ্চর্যজনকভাবে উডি অ্যালেনের জাদুমন্ত্র ভুলে পুরো সিনেমায় আমি মোহিত হয়ে রইলাম অ্যানি হলের চরিত্রে অভিনয় করা ডায়ান কিটনে। ডায়ান কিটনের নার্ভাস ভঙ্গি, সেই আইকনিক ‘লা-দি-দা’ বলা এবং তার নিজস্ব স্টাইল—সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে এক বিস্ময়ের কারণ হয়ে উঠলেন।

অ্যানি হল-এর আগেই দ্য গডফাদার পার্ট-টু, লাভ অ্যান্ড ডেথ-এর মতো সিনেমার জন্য ডায়ান কিটন হলিউডের স্টার ছিলেন। অ্যানি হল দেখেই তাই আমি বহু কাঠখড় পুড়িয়ে ডায়ান কিটনের বাকি সিনেমাগুলো সংগ্রহ করতে শুরু করলাম। দ্য গডফাদার-এ ডায়ানের শান্ত ও দৃঢ় উপস্থিতি, সামথিং'স গটা গিভ-এ পরিপক্ব বুদ্ধিমত্তা এবং ‘বুক ক্লাব’-এ সংক্রামক হাস্যরসের সঙ্গে পরিচয় হলো। বিশ্বজুড়ে আরও অনেকের মতোই আমিও ডায়ান কিটনের ব্যক্তিত্ব, অনবদ্য অভিনয় এবং প্রতিটি চরিত্রে গভীর হাস্যরসের প্রেমে পড়েছিলাম।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) অস্কারজয়ী এই মার্কিন অভিনেত্রী ক্যালিফোর্নিয়ার নিজের বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে পৃথিবীটা যেন কিছু সময়ের জন্য একটু অনুজ্জ্বল, একটু কম আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। ডায়ান কিটন একজন অভিনেত্রী মাত্র ছিলেন না, ছিলেন এক সাংস্কৃতিক বিস্ময়; সারল্য ও অকৃত্রিমতার আইকন, হাতের ইশারা ও নিখুঁত তোতলামিতে গভীর, হাস্যকর ও হৃদয়বিদারক সত্যি তুলে ধরার এক চ্যাম্পিয়ন।
অ্যানি হল (১৯৭৭) সিনেমায় বোলার হ্যাট, নেকটাই ও ওভারসাইজড ওয়েস্টকোট পরে ডায়ান কিটন শুধু অ্যানির চরিত্রে অভিনয় করেননি, এক নতুন ধরনের নারী চরিত্রের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। অভিনয় দক্ষতায় অ্যানি হল চরিত্রের স্নায়ুবিক দুর্বলতাকে একটি শিল্পে পরিণত করেছিলেন। এই সিনেমার জন্য ডায়ান সেরা অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড (অস্কার) জেতেন। আত্ম-অবমাননা ও আনাড়ি আচরণকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছিলেন যে মনে হতো এ তো আমাদেরই প্রতিচ্ছবি। আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ২০১৩ সালে হলেও সত্তর দশকেই পশ্চিমা দুনিয়ার এক প্রজন্মের হৃদয় জয় করেছিলেন অনিশ্চিত, আনাড়ি এবং নির্দ্বিধায় নিজেদের মতো জীবনযাপনের উপমা হিসেবে।
তবে ডায়ান কিটনকে শুধু অ্যানি হল সিনেমার জন্য মনে রাখলে তাঁর অসাধারণ বহুমুখী ক্যারিয়ারের প্রতি অবিচার করা হবে। দ্য গডফাদার সিনেমার সিরিজে ডায়ান ছিলেন বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার পৃথিবীতে এক শান্ত, নৈতিক কেন্দ্রবিন্দু। আবার ফাদার অফ দ্য ব্রাইড-এর মতো স্ল্যাপস্টিক কমেডি সিনেমাতেও ডায়ান সহজেই হাস্যরস আর গাম্ভীর্যের এক দারুণ মিশ্রণ ঘটাতে পেরেছেন। অন্যদিকে সামথিং'স গটা গিভ-এর মতো সফিস্টিকেটেড কমেডিতে পরিণত বয়সের দর্শকদের জন্য রোম্যান্সকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এমা স্টোন একবার বলেছিলেন, ‘ডায়ান কিটন পর্দায় ও পর্দার বাইরে সবসময় নিজের মতো ছিলেন। তাঁর এই সততা ও স্বকীয়তা আমার মতো অনেক অভিনেত্রীকে নিজেদের শর্তে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’
ডায়ান কিটনের এই সরলতা ও অকৃত্রিমতা শুধু পর্দার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ডায়ান তাঁর নিজের শর্তে, নিজের মতো করে জীবনযাপন করতেন। পঞ্চাশের কোঠায় তিনি দুই সন্তানের মা হয়েছেন, বেস্টসেলিং স্মৃতিকথা লিখেছেন আর ফটোগ্রাফি ও রিয়েল এস্টেটের মতো কাজে যুক্ত হয়েছেন। এসবের মধ্যেও ডায়ানের সেই চিরচেনা নার্ভাস কিন্তু বিদ্যুৎদীপ্ত স্বাক্ষর, অপ্রচলিত স্টাইল বজায় ছিল পুরোদস্তুর।
ডায়ানের অট্টহাসি, অনন্য ফ্যাশন সেন্স এবং সাধারণকে অসাধারণ করে তোলার অসামান্য প্রতিভাকে মিস করবে সিনেমাপ্রেমীরা। হলিউড তার অন্যতম প্রিয় এবং মৌলিক কণ্ঠকে হারিয়েছে। লা-দি-দা, ডায়ান, লা-দি-দা।

সময়টা ২০১৩ সাল। বাংলাদেশে তখন হলিউডের ক্লাসিক সিনেমা দেখাটা বেশ ঝামেলার ব্যাপারই ছিল। শহরে থাকা মানুষেরা তা-ও এদিক-ওদিক করে বিদেশের সিনেমা জোগাড় করে দেখতে পারতেন, কিন্তু গ্রামে বা জেলা শহরে থাকা মানুষের জন্য এই কাজ প্রায় অসম্ভবই ছিল। আমি তখন সিলেটের এক অজপাড়াগাঁয়ে বাস করি। আমার চলচ্চিত্র জগৎ তখন স্থানীয় সিনেমার জগতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ঘটনাচক্রে আমার এক শহুরে বন্ধু মোবাইলের মেমোরি কার্ডে অনেকগুলো হলিউডি সিনেমা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। সেই সময় না জানলেও এখন জানি, একেও পাইরেসি বলে। সেই মেমোরি কার্ডে, মিশন ইম্পসিবল আর মার্ভেলের সিনেমার বাইরেও ছিল অ্যানি হল নামের এক অজানা সিনেমা। উডি অ্যালেনকে আমি চিনতাম তার মিডনাইট ইন প্যারিস সিনেমার জাদুতে। অ্যানি হল দেখার আগে জানতামও না এটা যে উডি অ্যালেনের সিনেমা।
সিনেমাটা দেখা শুরু করে দেখলাম ‘ডিরেক্টেড বাই উডি অ্যালেন’। আমি ধরেই নিলাম, উডি অ্যালেনের স্বভাবসুলভ হিউমারের দারুণ এক সিনেমার সাক্ষী হতে যাচ্ছি। আশ্চর্যজনকভাবে উডি অ্যালেনের জাদুমন্ত্র ভুলে পুরো সিনেমায় আমি মোহিত হয়ে রইলাম অ্যানি হলের চরিত্রে অভিনয় করা ডায়ান কিটনে। ডায়ান কিটনের নার্ভাস ভঙ্গি, সেই আইকনিক ‘লা-দি-দা’ বলা এবং তার নিজস্ব স্টাইল—সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে এক বিস্ময়ের কারণ হয়ে উঠলেন।

অ্যানি হল-এর আগেই দ্য গডফাদার পার্ট-টু, লাভ অ্যান্ড ডেথ-এর মতো সিনেমার জন্য ডায়ান কিটন হলিউডের স্টার ছিলেন। অ্যানি হল দেখেই তাই আমি বহু কাঠখড় পুড়িয়ে ডায়ান কিটনের বাকি সিনেমাগুলো সংগ্রহ করতে শুরু করলাম। দ্য গডফাদার-এ ডায়ানের শান্ত ও দৃঢ় উপস্থিতি, সামথিং'স গটা গিভ-এ পরিপক্ব বুদ্ধিমত্তা এবং ‘বুক ক্লাব’-এ সংক্রামক হাস্যরসের সঙ্গে পরিচয় হলো। বিশ্বজুড়ে আরও অনেকের মতোই আমিও ডায়ান কিটনের ব্যক্তিত্ব, অনবদ্য অভিনয় এবং প্রতিটি চরিত্রে গভীর হাস্যরসের প্রেমে পড়েছিলাম।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) অস্কারজয়ী এই মার্কিন অভিনেত্রী ক্যালিফোর্নিয়ার নিজের বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে পৃথিবীটা যেন কিছু সময়ের জন্য একটু অনুজ্জ্বল, একটু কম আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। ডায়ান কিটন একজন অভিনেত্রী মাত্র ছিলেন না, ছিলেন এক সাংস্কৃতিক বিস্ময়; সারল্য ও অকৃত্রিমতার আইকন, হাতের ইশারা ও নিখুঁত তোতলামিতে গভীর, হাস্যকর ও হৃদয়বিদারক সত্যি তুলে ধরার এক চ্যাম্পিয়ন।
অ্যানি হল (১৯৭৭) সিনেমায় বোলার হ্যাট, নেকটাই ও ওভারসাইজড ওয়েস্টকোট পরে ডায়ান কিটন শুধু অ্যানির চরিত্রে অভিনয় করেননি, এক নতুন ধরনের নারী চরিত্রের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। অভিনয় দক্ষতায় অ্যানি হল চরিত্রের স্নায়ুবিক দুর্বলতাকে একটি শিল্পে পরিণত করেছিলেন। এই সিনেমার জন্য ডায়ান সেরা অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড (অস্কার) জেতেন। আত্ম-অবমাননা ও আনাড়ি আচরণকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছিলেন যে মনে হতো এ তো আমাদেরই প্রতিচ্ছবি। আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ২০১৩ সালে হলেও সত্তর দশকেই পশ্চিমা দুনিয়ার এক প্রজন্মের হৃদয় জয় করেছিলেন অনিশ্চিত, আনাড়ি এবং নির্দ্বিধায় নিজেদের মতো জীবনযাপনের উপমা হিসেবে।
তবে ডায়ান কিটনকে শুধু অ্যানি হল সিনেমার জন্য মনে রাখলে তাঁর অসাধারণ বহুমুখী ক্যারিয়ারের প্রতি অবিচার করা হবে। দ্য গডফাদার সিনেমার সিরিজে ডায়ান ছিলেন বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার পৃথিবীতে এক শান্ত, নৈতিক কেন্দ্রবিন্দু। আবার ফাদার অফ দ্য ব্রাইড-এর মতো স্ল্যাপস্টিক কমেডি সিনেমাতেও ডায়ান সহজেই হাস্যরস আর গাম্ভীর্যের এক দারুণ মিশ্রণ ঘটাতে পেরেছেন। অন্যদিকে সামথিং'স গটা গিভ-এর মতো সফিস্টিকেটেড কমেডিতে পরিণত বয়সের দর্শকদের জন্য রোম্যান্সকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এমা স্টোন একবার বলেছিলেন, ‘ডায়ান কিটন পর্দায় ও পর্দার বাইরে সবসময় নিজের মতো ছিলেন। তাঁর এই সততা ও স্বকীয়তা আমার মতো অনেক অভিনেত্রীকে নিজেদের শর্তে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’
ডায়ান কিটনের এই সরলতা ও অকৃত্রিমতা শুধু পর্দার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ডায়ান তাঁর নিজের শর্তে, নিজের মতো করে জীবনযাপন করতেন। পঞ্চাশের কোঠায় তিনি দুই সন্তানের মা হয়েছেন, বেস্টসেলিং স্মৃতিকথা লিখেছেন আর ফটোগ্রাফি ও রিয়েল এস্টেটের মতো কাজে যুক্ত হয়েছেন। এসবের মধ্যেও ডায়ানের সেই চিরচেনা নার্ভাস কিন্তু বিদ্যুৎদীপ্ত স্বাক্ষর, অপ্রচলিত স্টাইল বজায় ছিল পুরোদস্তুর।
ডায়ানের অট্টহাসি, অনন্য ফ্যাশন সেন্স এবং সাধারণকে অসাধারণ করে তোলার অসামান্য প্রতিভাকে মিস করবে সিনেমাপ্রেমীরা। হলিউড তার অন্যতম প্রিয় এবং মৌলিক কণ্ঠকে হারিয়েছে। লা-দি-দা, ডায়ান, লা-দি-দা।

বাস্তব দুনিয়া লজিকে চললেও ইন্টারনেটের দুনিয়া তেমন লজিক গুনে না। কিন্তু রেগুলার লাইফে আমরা যে পরিমাণ প্রেশারে থাকি, যত স্ট্রেস আমাদের ওপর দিয়া যায়, তাতে অনেক সময় নেট দুনিয়ার ইলজিক্যাল আর মিনিংলেস ব্যাপারস্যাপার আমাদের স্ট্রেস রিলিফের সুযোগ কইরা দেয়।
২১ ঘণ্টা আগে
সালটা ২০২১। ঘরের স্পিকারে ফুল ভলিউমে দোজা ক্যাটের ‘বস বিচ’ বাজতেছে । আয়নার সামনে দাঁড়ায়ে আমার বোন চোখে গাঢ় কাজল, আর ঠোঁটে হাই পিগমেন্টেড কালো লিপস্টিক দিয়ে সাজগোজ করছে। মা একবার রুমে উঁকি দিয়ে খুবই বিরক্ত স্বরে জিজ্ঞেস বললেন, ‘ঠোঁট কেন কালা হবে?’
৪ দিন আগে
মাহবুব-এ-খোদা। দেওয়ানবাগী পীর হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিত হওয়ার অনেক আগে এটিই ছিল তার নাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের হিস্ট্রিতে তার এন্ট্রিটা কোনোভাবেই অ্যাক্সিডেন্ট ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সাথে তার কানেকশনের পেছনে ছিল দীর্ঘ পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিজম আর কড়া দেশপ্রেমের দুর্দান্ত স্টোরিলাইন।
৮ দিন আগে
আপনার কি কখনো মনে হইছে বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতন একটা ঘটনা, যেটা বাংলাদেশের সব মানুষকে একছাতার নিচে এনেছিল, তার ঠিক দুই বছর পরে আমরা সবাই আর একছাতার নিচে নাই? বরং কয়েকটা ছাতার নিচে দাঁড়ায়ে বর্তমান বাংলাদেশ একটা ‘নিখিল বাংলা কালচারাল ওয়ার সমিতি’তে পরিণত হয়েছে।
১০ দিন আগে