ওলিউর রহমান

সমরকন্দ মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নাম। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই নগরী ছিল জ্ঞান, সভ্যতা ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল কেন্দ্র। বিশাল মাদরাসার প্রাঙ্গণে প্রতিধ্বনিত হতো কুরআন ও হাদিসের দরস, খানকাগুলো মুখর থাকত আধ্যাত্মিক সাধনায়, পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আগত জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠত শহরের অলিগলি। মুসলিম বিশ্বের যে ক’টি নগরী জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে, সমরকন্দ তাদের অন্যতম।
সমরকন্দ পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, ব্যাবিলনীয় যুগেই এ শহরের গোড়াপত্তন হয়েছিল। বিখ্যাত সিল্ক রোডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল সমরকন্দ। ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারণে ইতিহাসের বহু বিজেতা এই শহর দখলকে নিজেদের শৌর্য-বীর্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করতেন।
উমাইয়া খেলাফতের সময় সমরকন্দ মুসলিম শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়। ইসলামের ইতিহাসে কুতাইবা ইবন মুসলিম (রহ.) ‘সমরকন্দ বিজেতা’ হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়। মুসলিম শাসনের পর সমরকন্দ দ্রুত জ্ঞানচর্চার এক বিশাল কেন্দ্রে পরিণত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আলেম, গবেষক ও জ্ঞানসন্ধানীরা এখানে সমবেত হতে থাকেন। গড়ে ওঠে অসংখ্য মাদরাসা, মসজিদ ও খানকা। মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে তাই সমরকন্দের নাম প্রথম সারিতেই উচ্চারিত হয়।
রেজিস্তান স্কয়ার সমরকন্দের সেই গৌরবোজ্জ্বল জ্ঞানচর্চার অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্য ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। সমরকন্দে জ্ঞানচর্চার এমন সমৃদ্ধ পরিবেশ ছিল যে, তৈমুরীয় শাসকেরাও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের নির্মিত তিনটি মাদরাসা নিয়ে গড়ে ওঠা কমপ্লেক্সই আজ ‘রেজিস্তান স্কয়ার’ নামে পরিচিত।
স্কয়ারের পশ্চিম পাশে উলুঘ বেগ মাদরাসা, পূর্ব পাশে শেরদোর মাদরাসা এবং উত্তর দিকে তিল্লাকারী মাদরাসা অবস্থিত। সুউচ্চ প্রবেশদ্বার, নীলাভ গম্বুজ, সুদৃশ্য মিনার ও কারুকার্যমণ্ডিত টাইলস পুরো স্থাপনাকে এক অনন্য সৌন্দর্যে অলংকৃত করেছে। শহরের বিভিন্ন স্থান থেকেই এর নীল গম্বুজ ও মিনার চোখে পড়ে।
‘রেজিস্তান’ শব্দের অর্থ বালুময় প্রান্তর। ঐতিহাসিকভাবে এটি ছিল সমরকন্দের প্রাণকেন্দ্র। রাষ্ট্রীয় ঘোষণা, জনসমাবেশ, উৎসব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান এখানেই অনুষ্ঠিত হতো।
রেজিস্তানের প্রাচীনতম স্থাপনা উলুঘ বেগ মাদরাসা। ১৪১৭ থেকে ১৪২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এটি নির্মিত হয়। তৈমুরীয় শাসক ও খ্যাতিমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী উলুঘ বেগ এর প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে এখানে তৈমুর নির্মিত একটি বাণিজ্যিক তোরণ ছিল, যা ভেঙে এই মাদরাসা নির্মাণ করা হয়।
ছয় শতাব্দী পেরিয়েও ভবনটি আজও তার ঐতিহাসিক সৌন্দর্য অনেকাংশে ধরে রেখেছে। দেয়ালজুড়ে নীল টাইলস, সাদা মোজাইক এবং শিল্পসম্মত ক্যালিগ্রাফিতে খচিত কুরআনের আয়াত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। চার কোণে চারটি দৃষ্টিনন্দন মিনার এবং মনোরম গম্বুজ পুরো স্থাপনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি পাঠদান করা হতো। প্রতিষ্ঠাতা উলুঘ বেগ নিজেও ছিলেন একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ।
রেজিস্তান স্কয়ারের পূর্ব পাশে, উলুঘ বেগ মাদরাসার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত শেরদোর মাদরাসা। স্থাপত্য পরিকল্পনায় এটি অনেকাংশে উলুঘ বেগ মাদরাসার অনুসরণে নির্মিত। প্রায় দুই শতাব্দী পরে, সপ্তদশ শতকে বাদশাহ ইয়ালাংতুশ বাহাদুরের নির্দেশে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।
রেজিস্তান স্কয়ারের সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর স্থাপনাগুলোর একটি তিল্লাকারী মাদরাসা। উজবেক ভাষায় ‘তিল্লা’ অর্থ স্বর্ণ। ভবনের অলংকরণে স্বর্ণালি নকশা ব্যবহারের কারণেই এর নামকরণ ‘তিল্লাকারী’।
দেয়ালজুড়ে নীল টাইলস, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং স্বর্ণমিশ্রিত অলংকরণে খচিত কুরআনের আয়াত এ মাদরাসাকে অন্যগুলোর তুলনায় বিশেষ বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। শেরদোর মাদরাসার প্রায় এক দশক পরে বাদশাহ ইয়ালাংতুশ বাহাদুরের নির্দেশেই এটি নির্মিত হয়। প্রথমদিকে এটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীকালে পূর্ণাঙ্গ মাদরাসায় রূপ নেয়।
তৎকালীন মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে সমবেত হতো। জ্ঞানচর্চা, শিক্ষা ও গবেষণার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে তিল্লাকারী মাদরাসা বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল।
আজ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নানা পরিবর্তনের ধারায় উলুঘ বেগ, শেরদোর ও তিল্লাকারী মাদরাসা আর আগের মতো ইলমচর্চার প্রাণকেন্দ্র নয়। তারা আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা আসে এর নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে; কিন্তু যে প্রাঙ্গণে একসময় কুরআনের তিলাওয়াত, হাদিসের দরস ও জ্ঞানচর্চার প্রাণময় পরিবেশ বিরাজ করত, সেই আবহ আজ আর নেই।
তবুও রেজিস্তান স্কয়ার আজও মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার এক উজ্জ্বল স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর প্রতিটি ইট, প্রতিটি গম্বুজ এবং প্রতিটি মিনার যেন ইতিহাসের সেই স্বর্ণযুগের নীরব সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।

সমরকন্দ মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নাম। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই নগরী ছিল জ্ঞান, সভ্যতা ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল কেন্দ্র। বিশাল মাদরাসার প্রাঙ্গণে প্রতিধ্বনিত হতো কুরআন ও হাদিসের দরস, খানকাগুলো মুখর থাকত আধ্যাত্মিক সাধনায়, পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আগত জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠত শহরের অলিগলি। মুসলিম বিশ্বের যে ক’টি নগরী জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে, সমরকন্দ তাদের অন্যতম।
সমরকন্দ পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, ব্যাবিলনীয় যুগেই এ শহরের গোড়াপত্তন হয়েছিল। বিখ্যাত সিল্ক রোডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল সমরকন্দ। ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারণে ইতিহাসের বহু বিজেতা এই শহর দখলকে নিজেদের শৌর্য-বীর্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করতেন।
উমাইয়া খেলাফতের সময় সমরকন্দ মুসলিম শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়। ইসলামের ইতিহাসে কুতাইবা ইবন মুসলিম (রহ.) ‘সমরকন্দ বিজেতা’ হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়। মুসলিম শাসনের পর সমরকন্দ দ্রুত জ্ঞানচর্চার এক বিশাল কেন্দ্রে পরিণত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আলেম, গবেষক ও জ্ঞানসন্ধানীরা এখানে সমবেত হতে থাকেন। গড়ে ওঠে অসংখ্য মাদরাসা, মসজিদ ও খানকা। মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে তাই সমরকন্দের নাম প্রথম সারিতেই উচ্চারিত হয়।
রেজিস্তান স্কয়ার সমরকন্দের সেই গৌরবোজ্জ্বল জ্ঞানচর্চার অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্য ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। সমরকন্দে জ্ঞানচর্চার এমন সমৃদ্ধ পরিবেশ ছিল যে, তৈমুরীয় শাসকেরাও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের নির্মিত তিনটি মাদরাসা নিয়ে গড়ে ওঠা কমপ্লেক্সই আজ ‘রেজিস্তান স্কয়ার’ নামে পরিচিত।
স্কয়ারের পশ্চিম পাশে উলুঘ বেগ মাদরাসা, পূর্ব পাশে শেরদোর মাদরাসা এবং উত্তর দিকে তিল্লাকারী মাদরাসা অবস্থিত। সুউচ্চ প্রবেশদ্বার, নীলাভ গম্বুজ, সুদৃশ্য মিনার ও কারুকার্যমণ্ডিত টাইলস পুরো স্থাপনাকে এক অনন্য সৌন্দর্যে অলংকৃত করেছে। শহরের বিভিন্ন স্থান থেকেই এর নীল গম্বুজ ও মিনার চোখে পড়ে।
‘রেজিস্তান’ শব্দের অর্থ বালুময় প্রান্তর। ঐতিহাসিকভাবে এটি ছিল সমরকন্দের প্রাণকেন্দ্র। রাষ্ট্রীয় ঘোষণা, জনসমাবেশ, উৎসব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান এখানেই অনুষ্ঠিত হতো।
রেজিস্তানের প্রাচীনতম স্থাপনা উলুঘ বেগ মাদরাসা। ১৪১৭ থেকে ১৪২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এটি নির্মিত হয়। তৈমুরীয় শাসক ও খ্যাতিমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী উলুঘ বেগ এর প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে এখানে তৈমুর নির্মিত একটি বাণিজ্যিক তোরণ ছিল, যা ভেঙে এই মাদরাসা নির্মাণ করা হয়।
ছয় শতাব্দী পেরিয়েও ভবনটি আজও তার ঐতিহাসিক সৌন্দর্য অনেকাংশে ধরে রেখেছে। দেয়ালজুড়ে নীল টাইলস, সাদা মোজাইক এবং শিল্পসম্মত ক্যালিগ্রাফিতে খচিত কুরআনের আয়াত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। চার কোণে চারটি দৃষ্টিনন্দন মিনার এবং মনোরম গম্বুজ পুরো স্থাপনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি পাঠদান করা হতো। প্রতিষ্ঠাতা উলুঘ বেগ নিজেও ছিলেন একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ।
রেজিস্তান স্কয়ারের পূর্ব পাশে, উলুঘ বেগ মাদরাসার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত শেরদোর মাদরাসা। স্থাপত্য পরিকল্পনায় এটি অনেকাংশে উলুঘ বেগ মাদরাসার অনুসরণে নির্মিত। প্রায় দুই শতাব্দী পরে, সপ্তদশ শতকে বাদশাহ ইয়ালাংতুশ বাহাদুরের নির্দেশে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।
রেজিস্তান স্কয়ারের সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর স্থাপনাগুলোর একটি তিল্লাকারী মাদরাসা। উজবেক ভাষায় ‘তিল্লা’ অর্থ স্বর্ণ। ভবনের অলংকরণে স্বর্ণালি নকশা ব্যবহারের কারণেই এর নামকরণ ‘তিল্লাকারী’।
দেয়ালজুড়ে নীল টাইলস, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং স্বর্ণমিশ্রিত অলংকরণে খচিত কুরআনের আয়াত এ মাদরাসাকে অন্যগুলোর তুলনায় বিশেষ বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। শেরদোর মাদরাসার প্রায় এক দশক পরে বাদশাহ ইয়ালাংতুশ বাহাদুরের নির্দেশেই এটি নির্মিত হয়। প্রথমদিকে এটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীকালে পূর্ণাঙ্গ মাদরাসায় রূপ নেয়।
তৎকালীন মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে সমবেত হতো। জ্ঞানচর্চা, শিক্ষা ও গবেষণার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে তিল্লাকারী মাদরাসা বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল।
আজ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নানা পরিবর্তনের ধারায় উলুঘ বেগ, শেরদোর ও তিল্লাকারী মাদরাসা আর আগের মতো ইলমচর্চার প্রাণকেন্দ্র নয়। তারা আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা আসে এর নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে; কিন্তু যে প্রাঙ্গণে একসময় কুরআনের তিলাওয়াত, হাদিসের দরস ও জ্ঞানচর্চার প্রাণময় পরিবেশ বিরাজ করত, সেই আবহ আজ আর নেই।
তবুও রেজিস্তান স্কয়ার আজও মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার এক উজ্জ্বল স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর প্রতিটি ইট, প্রতিটি গম্বুজ এবং প্রতিটি মিনার যেন ইতিহাসের সেই স্বর্ণযুগের নীরব সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।
.png)

১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই ছিল বসনিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। তিন বছর ধরে চলা গণহত্যা এ দিনে সকল সীমা অতিক্রম করেছিল। দেশটির সেব্রেনিৎসা শহরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৮ হাজারের বেশি মানুষ হত্যা করা হয়েছিল ১১ জুলাই। গতকাল ছিল সেব্রেনিৎসা গণহত্যার ৩১তম বার্ষিকী।
১২ জুলাই ২০২৬
গোটা আব্বাসী খেলাফতজুড়েই ছোট-বড় অনেক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আব্বাসী খলীফাগণ শিক্ষা প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে ছত্রিশতম আব্বাসী খলিফা মুস্তানসির বিল্লাহ ছিলেন এ ক্ষেত্রে প্রবাদতুল্য ব্যক্তিত্ব।
০৩ জুলাই ২০২৬
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। আরবিতে এ মাসকে সম্মানিত মাস বলা হয়। আর এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা যা মুসলমানদের কাছে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই আশুরা একদিকে আল্লাহর রহমত, সাহায্য এবং ঐতিহাসিক নানা ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে আসছে।
২৬ জুন ২০২৬
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) পবিত্র আশুরা। হিজরি ১৪৪৮ সনের মহররম মাসের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ববহ এবং একই সঙ্গে গভীর শোকের দিন।
২৬ জুন ২০২৬