স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই যেন স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের ফুটবলারদের একচেটিয়া রাজত্ব। টানা তিন বিশ্বকাপের ফাইনালের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বজয়ের মঞ্চে রাজত্ব করার গোপন ফর্মুলাটা হয়তো ডিয়েগো সিমিওনের কোনো গোপন ডায়েরিতেই লেখা আছে।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চেও যেন একই কীর্তি গড়ল এই স্প্যানিশ ক্লাব। ফাইনালের মহাকাব্যে এ ক্লাবের খেলোয়াড়ের সংখ্যা কত হতে পারে? দুই দেশের ড্রেসিং রুম মিলিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের সংখ্যাটা ৯, চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। বিশ্বকাপের ট্রফি শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে তা নিয়ে ভক্তদের মনে জল্পনা রয়েছে। তবে ফাইনালের আসল রঙ তো আতলেতিকোর লাল-সাদা জার্সির।

স্পেনের ‘লা রোজা’ শিবির থেকে আলেক্স বায়েনা, মার্কোস লরেন্তে, মার্ক পুবিল এবং সদ্য দলে আসা ডিফেন্ডার আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে রণকৌশল সাজানো হচ্ছে থিয়াগো আলমাদা, হুয়ান মুসো, নাহুয়েল মোলিনা, জুলিয়ানো সিমিওনে ও হুলিয়ান আলভারেজ। মাঠের লড়াইয়ে স্পেন জিতুক কিংবা আর্জেন্টিনা, খেলা শেষে আতলেতিকোর কোচ হিসেবে ডিয়েগো সিমিওনের হাসিমুখ দেখাটা এখন সময়ের ব্যাপার।
বিগত দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালেও উভয় দলের মিলিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদেরই সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় ছিল। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তাদের তৃতীয় শিরোপা জিতেছিল, সেখানে রদ্রিগো দে পল, নাহুয়েল মোলিনা এবং আনহেল কোরেয়া খেলেছেন। তবে ফ্রান্স দলে থাকা আতলেতিকোর গ্রিজম্যানকে সেবার রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। তখনও ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এই ক্লাবটিই। সেই ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে খেলছিলেন শিমে ভ্রসালকো, এবং ফ্রান্সের হয়ে লুকা এরনান্দেজ, থোমাস লেমার ও গ্রিজম্যানরা।
আগামী রোববার (২০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপ ফাইনাল। যেখানে স্পেনের চার ও আর্জেন্টিনার পাঁচ আতলেতিকোর খেলোয়াড় একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই যেন স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের ফুটবলারদের একচেটিয়া রাজত্ব। টানা তিন বিশ্বকাপের ফাইনালের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বজয়ের মঞ্চে রাজত্ব করার গোপন ফর্মুলাটা হয়তো ডিয়েগো সিমিওনের কোনো গোপন ডায়েরিতেই লেখা আছে।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চেও যেন একই কীর্তি গড়ল এই স্প্যানিশ ক্লাব। ফাইনালের মহাকাব্যে এ ক্লাবের খেলোয়াড়ের সংখ্যা কত হতে পারে? দুই দেশের ড্রেসিং রুম মিলিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের সংখ্যাটা ৯, চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। বিশ্বকাপের ট্রফি শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে তা নিয়ে ভক্তদের মনে জল্পনা রয়েছে। তবে ফাইনালের আসল রঙ তো আতলেতিকোর লাল-সাদা জার্সির।

স্পেনের ‘লা রোজা’ শিবির থেকে আলেক্স বায়েনা, মার্কোস লরেন্তে, মার্ক পুবিল এবং সদ্য দলে আসা ডিফেন্ডার আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে রণকৌশল সাজানো হচ্ছে থিয়াগো আলমাদা, হুয়ান মুসো, নাহুয়েল মোলিনা, জুলিয়ানো সিমিওনে ও হুলিয়ান আলভারেজ। মাঠের লড়াইয়ে স্পেন জিতুক কিংবা আর্জেন্টিনা, খেলা শেষে আতলেতিকোর কোচ হিসেবে ডিয়েগো সিমিওনের হাসিমুখ দেখাটা এখন সময়ের ব্যাপার।
বিগত দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালেও উভয় দলের মিলিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদেরই সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় ছিল। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তাদের তৃতীয় শিরোপা জিতেছিল, সেখানে রদ্রিগো দে পল, নাহুয়েল মোলিনা এবং আনহেল কোরেয়া খেলেছেন। তবে ফ্রান্স দলে থাকা আতলেতিকোর গ্রিজম্যানকে সেবার রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। তখনও ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এই ক্লাবটিই। সেই ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে খেলছিলেন শিমে ভ্রসালকো, এবং ফ্রান্সের হয়ে লুকা এরনান্দেজ, থোমাস লেমার ও গ্রিজম্যানরা।
আগামী রোববার (২০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপ ফাইনাল। যেখানে স্পেনের চার ও আর্জেন্টিনার পাঁচ আতলেতিকোর খেলোয়াড় একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন। বিশ্ব যখন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সাবেক ও বর্তমান তারকা মেসি-ইয়ামাল দ্বৈরথ দেখতে অধীর, ঠিক তখনই হানা দিয়েছে এক নতুন দুশ্চিন্তা।
১১ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি ও মেডেলের চেনা দৃশ্যপটে এবার যোগ হতে যাচ্ছে হিরে-জহরত খচিত ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। আগামী রোববার ফাইনাল শেষে বিশ্বজয়ীদের আঙুলে শোভা পাবে ঐতিহাসিক এই আংটি।
৬ ঘণ্টা আগে
হিন্দি সিনেমা ‘হেরা ফেরি’র সেই বিখ্যাত ডায়লগটা মনে আছে? ‘দেনে ওয়ালা যাব ভি দেতা, দেতা ছাপ্পাড় ফাড়কে’ (দেনে ওয়ালা যখন দেন, একেবারে উজাড় করেই দেন)। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের দিকে তাকালে এই কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।
১৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর মেসির গোলসংখ্যা সমান। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। অথচ আজকের ম্যাচে কোনো গোল পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
১৬ জুলাই ২০২৬