ওলিউর রহমান

গোটা আব্বাসী খেলাফতজুড়েই ছোট-বড় অনেক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আব্বাসী খলীফাগণ শিক্ষা প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে ছত্রিশতম আব্বাসী খলিফা মুস্তানসির বিল্লাহ ছিলেন এ ক্ষেত্রে প্রবাদতুল্য ব্যক্তিত্ব। শিক্ষা বিস্তারে তার ভূমিকা শুধু ইসলাম নয় বরং গোটা দুনিয়ার ইতিহাসেই বিরল খ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি ছিলেন অভূতপূর্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুস্তানসিরিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা।
খলীফা মুস্তানসির বিল্লাহ ৬২৫ হিজরীতে বাগদাদের দজলা নদীরে তীরে এই মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্থর করেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর এই প্রতিষ্ঠানের নির্মাণযজ্ঞের সমাপ্তি হয়। ৬৩১ হিজরিতে ব্যাপক আড়ম্বরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়। মুসলিম বিশ্বের বিশিষ্ট আলেম, রাষ্ট্রীয় সব কর্মকর্তা এবং বিচারকগণ উপস্থিত ছিলেন সে অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রিত অথিতিদের প্রদান করা হয়েছিল খালওয়াত (বিশেষ সম্মাননা পোশাক)। ইতিপূর্বে কোনো আব্বাসী খলিফা নিজের নামে কোনো মাদ্রাসার নামকরণ করেননি। মুস্তানসিরিয়া ছিল কোনো আব্বাসী খলিফার নামে প্রথম মাদ্রাসা।
মুস্তানসিরিয়া ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি ইউনিভার্সিটি। সাহিত্য, ফিকহ, হাদিস, মেডিসিন, সামাজিক বিজ্ঞানসহ আরও কয়েকটি অনুষদ ছিল। প্রতিটি অনুষদেই একাধিক ডিপার্টমেন্ট ছিল। ফিকহ অনুষদে চার মাজহাবের জন্য চারটি এবং ফারায়েজের (উত্তরাধীকার) স্বতন্ত্র বিভাগ ছিল। প্রত্যেক অনুষদের একজন ডিন এবং প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের জন্য একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। ফিকহ অনুষদের ডিন ছিলেন প্রখ্যাত ফকিহ রশীদুদ্দীন ফারগানী। তিনি ফিকহে হানাফি ডিপার্টমেন্টের প্রধানও ছিলেন।
প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে সর্বোচ্চ ৭৫ জন ছাত্র ভর্তি হতে পারত। ছাত্রদের কোনো টিউশন ফি ছিল না। তাদেরকে বরং স্কলারশিপ হিসেবে মাসিক ভাতা প্রদান করা হতো। ডিপার্টমেন্টের সেরা ছাত্রকে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হতো।
মুস্তানসিরিয়া ছিল শতভাগ আবাসিক একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই ২৪৮ জন শিক্ষার্থী বোর্ডিংয়ে সিট পায়। যাদেরকে ফল-ফলাদি, দুধ-ডিমসহ উন্নত খাবার, খাট-পালং, বিছানাসহ বসবাসের সকল সরঞ্জাম এবং খাতা-কলম, বাতি-তেলসহ পড়ালেখার যাবতীয় উপকরণ মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হতো। এমনকি ছাত্রদের জন্য প্রযুক্তি সহযোগে তৈরি ঠান্ডা পানির হাউস ছিল। এসব ছাড়াও প্রত্যেক ছাত্রকে মাসে একটি করে স্বর্ণমুদ্রা স্কলারশিপ দেওয়া হতো।
মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি হাসপাতাল ছিল। যেখানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হতো। একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ছিল। শাহি কুতুবখানা থেকে ১৬০টি উট বোঝাই করে কিতাব পাঠানো হয়েছিল মাদরাসার লাইব্রেরিতে। ছাত্রদেরকে অধ্যয়নের জন্য বিনামূল্যে কিতাব প্রদান করা হতো।
মুস্তানসিরিয়ার শিক্ষা সিলেবাস ছিল অত্যন্ত সুবিন্যস্ত। প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চতর—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয় পুরো শিক্ষা কাঠামোকে। প্রতি ভাগ সমাপ্ত করার পর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সার্টিফিকেট প্রদান করা হতো। বিভাগ ভিত্তিক উচ্চতর ডিগ্রি যারা অর্জন করতো তাদেরকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হতো। বিজ্ঞান, দর্শন ও যুক্তবিদ্যায় উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের ‘ফাজিল’ উপাধি দেওয়া হতো। ধর্মীয় বিষয়ে যারা উচ্চশিক্ষার পাঠ সমাপ্ত করতো তাদেরকে প্রদান করা হতো ‘আলেম’ উপাধি। আরবি, ফার্সি, তুর্কি, গ্রিকসহ বিভিন্ন ভাষায় উচ্চ শিক্ষাধারীদের দেওয়া হতো ‘কাবেল’ উপাধি।
মাদ্রাসার ব্যয় নির্বাহের জন্য অনেক গ্রাম, বাজার এবং ভূমি ওয়াকফ করে দেওয়া হয়েছিল। যেগুলো থেকে বার্ষিক আমদানি ছিল ৭০ হাজার মিসকাল। আল্লামা জাহাবী তার দুওয়ালুল ইসলাম গ্রন্থে এই সকল ওয়াকফীয় সম্পত্তির বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। অবকাঠামো নির্মাণে আড়ম্বরতার কোনো কমতি রাখা হয়নি। প্রতিটি ভবনেই ছিল নান্দনিক শিল্পের ছোঁয়া। প্রধান ফটকের সামনেই ছিল একটি ক্লক টাওয়ার। যেখানে নিখুঁত কারুকার্যের একটি ঘড়ি সেট করা হয়েছিল। এটি ছিল আব্বাসীয় খেলাফতকালে বানানো দ্বিতীয় ঘড়ি। এই ক্লক টাওয়ারের বারোটি দরজা ছিল। প্রতি ঘণ্টায় একটি করে দরজা খুলে যেতো। যখন বারো ঘণ্টা শেষ হতো তখন বারোজন আরোহী ক্লক টাওয়ার থেকে বের হয়ে চত্বরে প্রদক্ষীণ করে আবার ফিরে আসত। এই ক্লক টাওয়ারের নির্মাতা ছিলেন ভূতপূর্ব প্রকৌশলী আলী ইবনে সা’লাব।
মুস্তানসিরিয়া কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল সভ্যতার আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। যখন ইউরোপ এখনো মধ্যযুগের অন্ধকারে পথ খুঁজছিল, তখন বাগদাদের দজলার তীরে দাঁড়িয়ে ছিল এমন এক বিশ্ববিদ্যালয়—যেখানে বিনামূল্যে শিক্ষা, গবেষণা, আবাসন, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছিল। ইতিহাসের পাতা উল্টালে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি সেই স্বপ্নের উত্তরাধিকার এখনো বহন করছি?

গোটা আব্বাসী খেলাফতজুড়েই ছোট-বড় অনেক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আব্বাসী খলীফাগণ শিক্ষা প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে ছত্রিশতম আব্বাসী খলিফা মুস্তানসির বিল্লাহ ছিলেন এ ক্ষেত্রে প্রবাদতুল্য ব্যক্তিত্ব। শিক্ষা বিস্তারে তার ভূমিকা শুধু ইসলাম নয় বরং গোটা দুনিয়ার ইতিহাসেই বিরল খ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি ছিলেন অভূতপূর্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুস্তানসিরিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা।
খলীফা মুস্তানসির বিল্লাহ ৬২৫ হিজরীতে বাগদাদের দজলা নদীরে তীরে এই মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্থর করেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর এই প্রতিষ্ঠানের নির্মাণযজ্ঞের সমাপ্তি হয়। ৬৩১ হিজরিতে ব্যাপক আড়ম্বরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়। মুসলিম বিশ্বের বিশিষ্ট আলেম, রাষ্ট্রীয় সব কর্মকর্তা এবং বিচারকগণ উপস্থিত ছিলেন সে অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রিত অথিতিদের প্রদান করা হয়েছিল খালওয়াত (বিশেষ সম্মাননা পোশাক)। ইতিপূর্বে কোনো আব্বাসী খলিফা নিজের নামে কোনো মাদ্রাসার নামকরণ করেননি। মুস্তানসিরিয়া ছিল কোনো আব্বাসী খলিফার নামে প্রথম মাদ্রাসা।
মুস্তানসিরিয়া ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি ইউনিভার্সিটি। সাহিত্য, ফিকহ, হাদিস, মেডিসিন, সামাজিক বিজ্ঞানসহ আরও কয়েকটি অনুষদ ছিল। প্রতিটি অনুষদেই একাধিক ডিপার্টমেন্ট ছিল। ফিকহ অনুষদে চার মাজহাবের জন্য চারটি এবং ফারায়েজের (উত্তরাধীকার) স্বতন্ত্র বিভাগ ছিল। প্রত্যেক অনুষদের একজন ডিন এবং প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের জন্য একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। ফিকহ অনুষদের ডিন ছিলেন প্রখ্যাত ফকিহ রশীদুদ্দীন ফারগানী। তিনি ফিকহে হানাফি ডিপার্টমেন্টের প্রধানও ছিলেন।
প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে সর্বোচ্চ ৭৫ জন ছাত্র ভর্তি হতে পারত। ছাত্রদের কোনো টিউশন ফি ছিল না। তাদেরকে বরং স্কলারশিপ হিসেবে মাসিক ভাতা প্রদান করা হতো। ডিপার্টমেন্টের সেরা ছাত্রকে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হতো।
মুস্তানসিরিয়া ছিল শতভাগ আবাসিক একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই ২৪৮ জন শিক্ষার্থী বোর্ডিংয়ে সিট পায়। যাদেরকে ফল-ফলাদি, দুধ-ডিমসহ উন্নত খাবার, খাট-পালং, বিছানাসহ বসবাসের সকল সরঞ্জাম এবং খাতা-কলম, বাতি-তেলসহ পড়ালেখার যাবতীয় উপকরণ মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হতো। এমনকি ছাত্রদের জন্য প্রযুক্তি সহযোগে তৈরি ঠান্ডা পানির হাউস ছিল। এসব ছাড়াও প্রত্যেক ছাত্রকে মাসে একটি করে স্বর্ণমুদ্রা স্কলারশিপ দেওয়া হতো।
মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি হাসপাতাল ছিল। যেখানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হতো। একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ছিল। শাহি কুতুবখানা থেকে ১৬০টি উট বোঝাই করে কিতাব পাঠানো হয়েছিল মাদরাসার লাইব্রেরিতে। ছাত্রদেরকে অধ্যয়নের জন্য বিনামূল্যে কিতাব প্রদান করা হতো।
মুস্তানসিরিয়ার শিক্ষা সিলেবাস ছিল অত্যন্ত সুবিন্যস্ত। প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চতর—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয় পুরো শিক্ষা কাঠামোকে। প্রতি ভাগ সমাপ্ত করার পর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সার্টিফিকেট প্রদান করা হতো। বিভাগ ভিত্তিক উচ্চতর ডিগ্রি যারা অর্জন করতো তাদেরকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হতো। বিজ্ঞান, দর্শন ও যুক্তবিদ্যায় উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের ‘ফাজিল’ উপাধি দেওয়া হতো। ধর্মীয় বিষয়ে যারা উচ্চশিক্ষার পাঠ সমাপ্ত করতো তাদেরকে প্রদান করা হতো ‘আলেম’ উপাধি। আরবি, ফার্সি, তুর্কি, গ্রিকসহ বিভিন্ন ভাষায় উচ্চ শিক্ষাধারীদের দেওয়া হতো ‘কাবেল’ উপাধি।
মাদ্রাসার ব্যয় নির্বাহের জন্য অনেক গ্রাম, বাজার এবং ভূমি ওয়াকফ করে দেওয়া হয়েছিল। যেগুলো থেকে বার্ষিক আমদানি ছিল ৭০ হাজার মিসকাল। আল্লামা জাহাবী তার দুওয়ালুল ইসলাম গ্রন্থে এই সকল ওয়াকফীয় সম্পত্তির বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। অবকাঠামো নির্মাণে আড়ম্বরতার কোনো কমতি রাখা হয়নি। প্রতিটি ভবনেই ছিল নান্দনিক শিল্পের ছোঁয়া। প্রধান ফটকের সামনেই ছিল একটি ক্লক টাওয়ার। যেখানে নিখুঁত কারুকার্যের একটি ঘড়ি সেট করা হয়েছিল। এটি ছিল আব্বাসীয় খেলাফতকালে বানানো দ্বিতীয় ঘড়ি। এই ক্লক টাওয়ারের বারোটি দরজা ছিল। প্রতি ঘণ্টায় একটি করে দরজা খুলে যেতো। যখন বারো ঘণ্টা শেষ হতো তখন বারোজন আরোহী ক্লক টাওয়ার থেকে বের হয়ে চত্বরে প্রদক্ষীণ করে আবার ফিরে আসত। এই ক্লক টাওয়ারের নির্মাতা ছিলেন ভূতপূর্ব প্রকৌশলী আলী ইবনে সা’লাব।
মুস্তানসিরিয়া কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল সভ্যতার আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। যখন ইউরোপ এখনো মধ্যযুগের অন্ধকারে পথ খুঁজছিল, তখন বাগদাদের দজলার তীরে দাঁড়িয়ে ছিল এমন এক বিশ্ববিদ্যালয়—যেখানে বিনামূল্যে শিক্ষা, গবেষণা, আবাসন, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছিল। ইতিহাসের পাতা উল্টালে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি সেই স্বপ্নের উত্তরাধিকার এখনো বহন করছি?
.png)

ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। আরবিতে এ মাসকে সম্মানিত মাস বলা হয়। আর এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা যা মুসলমানদের কাছে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই আশুরা একদিকে আল্লাহর রহমত, সাহায্য এবং ঐতিহাসিক নানা ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে আসছে।
২৬ জুন ২০২৬
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) পবিত্র আশুরা। হিজরি ১৪৪৮ সনের মহররম মাসের ১০ তারিখ। মুসলিম উম্মাহর জন্য দিনটি ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ববহ এবং একই সঙ্গে গভীর শোকের দিন।
২৬ জুন ২০২৬
মক্কার সভাগৃহ দারুন নদওয়াতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে৷ আলোচনার বিষয় মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যাপারে চূড়ান্ত ফায়সালা গ্রহণ করা। শোনা যাচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে তিনি মক্কা ছেড়ে মদিনায় চলে যাবেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলো, মুহাম্মদ (সা.)-কে হত্যা করা হবে। কোরায়শের সকল শাখা গোত্র এই হত্যা মিশনে শামিল হবে৷
১৬ জুন ২০২৬
দৃশ্য-১: কোরবানির ঈদের দিন দুপুর। শহরের মহল্লাতে এসময় সমাজের নিম্ন আয়ের কিছু মানুষ মাংস সংগ্রহের জন্য বের হয়। বাসায় বাসায় ঘুরে এক টুকরো, দুই টুকরো মাংস সংগ্রহ করে দলবেঁধে। রাতের বেলায় সেই মাংস রান্না করে তারা ঈদের দিনে ভাল-মন্দ খায়।
২৮ মে ২০২৬