স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঈদের কেনাকাটা করতে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাভার আউটলেটে গিয়েছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তি। তবে তাঁকে এসময় ভেতরে প্রবেশ করতে বাঁধা দেন আউটলেটের নিরাপত্তা কর্মীরা। ওই ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ‘লাইভ’ করেন। লাইভের এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে আড়ং।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে থাকা এক ব্যক্তি আউটলেটে ঢুকতে না দেওয়ার কারণ জানতে চাইছেন। এ সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে বলছেন, ‘আপনাকে ঢুকতে দিতে আমার সমস্যা নেই, কিন্তু আপনার এই যানবাহনসহ ঢুকতে দিতে সমস্যা আছে।’
জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর পক্ষে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। তখন নিরাপত্তারক্ষী উল্লেখ করেন, ঈদের আগে আড়ংয়ের আউটলেটে ব্যাপক ভিড়ের সময় হুইলচেয়ারটি বেশি জায়গা দখল করবে।
এক পর্যায়ে ভিডিও ধারণ করার জন্যও ওই ব্যক্তিকে তিরস্কার করতে দেখা যায় নিরাপত্তারক্ষীকে। তিনি বলেন, ‘আমার ব্যবস্থাপনা আমাকে আপনাকে ঢুকতে দিতে মানা করেছে।’ অবশ্য পরে আরেকজন নিরাপত্তারক্ষী এসে ওই ব্যক্তিকে আউটলেটের ভেতরে যেতে বলেন। এরপরই লাইভ ভিডিওটি শেষ হয়ে যায়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের সাভার আউটলেটে স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী একজন গ্রাহককে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গার্ড আউটলেটে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য আচরণ।
এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি সেই গ্রাহক, তাঁর পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা যে ‘কষ্ট ও অপমান বোধ করেছেন’, সেজন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মর্যাদা, সম্মান এবং অন্তর্ভুক্তি—এগুলো আড়ংয়ের পরিচয়। এই ঘটনা ও নিরাপত্তা কর্মীর এমন আচরণ সেই পরিচয় ও আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমাদের আউটলেট টিম বিষয়টি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গ্রাহককে আউটলেটে স্বাগত জানানো হয় এবং তার কেনাকাটা স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য সর্বতোভাবে সহায়তা করা হয়। এর পাশাপাশি দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তৃতীয় পক্ষের ভেন্ডরের অধীনে থাকা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে। বলা হয়, কাজে ফেরার আগে তাকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত গ্রাহকসেবা এবং আচরণবিধি বিষয়ে বিস্তৃত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আউটলেটগুলোর সব কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীর জন্য প্রশিক্ষণ আরও জোরদার করা হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে কেনাকাটার কাগজের ব্যাগের জন্য টাকা নেওয়ার বিষয়েও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল আড়ং। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালেও এখনও সে বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।

ঈদের কেনাকাটা করতে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাভার আউটলেটে গিয়েছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তি। তবে তাঁকে এসময় ভেতরে প্রবেশ করতে বাঁধা দেন আউটলেটের নিরাপত্তা কর্মীরা। ওই ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ‘লাইভ’ করেন। লাইভের এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে আড়ং।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে থাকা এক ব্যক্তি আউটলেটে ঢুকতে না দেওয়ার কারণ জানতে চাইছেন। এ সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে বলছেন, ‘আপনাকে ঢুকতে দিতে আমার সমস্যা নেই, কিন্তু আপনার এই যানবাহনসহ ঢুকতে দিতে সমস্যা আছে।’
জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর পক্ষে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। তখন নিরাপত্তারক্ষী উল্লেখ করেন, ঈদের আগে আড়ংয়ের আউটলেটে ব্যাপক ভিড়ের সময় হুইলচেয়ারটি বেশি জায়গা দখল করবে।
এক পর্যায়ে ভিডিও ধারণ করার জন্যও ওই ব্যক্তিকে তিরস্কার করতে দেখা যায় নিরাপত্তারক্ষীকে। তিনি বলেন, ‘আমার ব্যবস্থাপনা আমাকে আপনাকে ঢুকতে দিতে মানা করেছে।’ অবশ্য পরে আরেকজন নিরাপত্তারক্ষী এসে ওই ব্যক্তিকে আউটলেটের ভেতরে যেতে বলেন। এরপরই লাইভ ভিডিওটি শেষ হয়ে যায়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের সাভার আউটলেটে স্বয়ংক্রিয় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী একজন গ্রাহককে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গার্ড আউটলেটে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য আচরণ।
এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি সেই গ্রাহক, তাঁর পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা যে ‘কষ্ট ও অপমান বোধ করেছেন’, সেজন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মর্যাদা, সম্মান এবং অন্তর্ভুক্তি—এগুলো আড়ংয়ের পরিচয়। এই ঘটনা ও নিরাপত্তা কর্মীর এমন আচরণ সেই পরিচয় ও আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমাদের আউটলেট টিম বিষয়টি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গ্রাহককে আউটলেটে স্বাগত জানানো হয় এবং তার কেনাকাটা স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য সর্বতোভাবে সহায়তা করা হয়। এর পাশাপাশি দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তৃতীয় পক্ষের ভেন্ডরের অধীনে থাকা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে। বলা হয়, কাজে ফেরার আগে তাকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত গ্রাহকসেবা এবং আচরণবিধি বিষয়ে বিস্তৃত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আউটলেটগুলোর সব কর্মী ও নিরাপত্তাকর্মীর জন্য প্রশিক্ষণ আরও জোরদার করা হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে কেনাকাটার কাগজের ব্যাগের জন্য টাকা নেওয়ার বিষয়েও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল আড়ং। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালেও এখনও সে বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তাঁর পোষা বিড়াল ‘জেবু’। চালু করা হয়েছে ‘জেবু–দ্য ক্যাট’ নামের একটি ফেসবুক পেজ।
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সকালে ঘুম থেকে উঠেই সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করার অভ্যাস থাকলে এরই মধ্যে নিশ্চয়ই আপনার চোখে পড়েছে। অনেকেই ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ লিখে পোস্ট করেছেন, আবার অনেকেই এই ধরনের পোস্ট শেয়ার করেছেন। এমন পোস্টে সয়লাব নিউজফিড। হঠাৎ এমন পোস্টের কারণ আসলে কী? চলুন, খোঁজা যাক।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
লঞ্চে দুই নারীকে প্রকাশ্যে বেল্ট দিয়ে পেটানোর ঘটনায় নৌ পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এতে মারধরকারী নেহাল আহমেদসহ আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ১১ মে রবিবার সকালে মুক্তারপুর নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন বাদী হয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করেন।
০৮ জুন ২০২৫