স্ট্রিম প্রতিবেদক

চোটের কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে দর্শক হয়ে ছিলেন নেইমার জুনিয়র। তবে এবার তাঁর মাঠে ফেরার সুসংবাদ পেয়েছে ব্রাজিলের সমর্থকরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে দেখা যাবে ১০ নম্বর জার্সিধারী তারকাকে।
শনিবার (২০ জুন) হাইতির বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘নেইমার রোববার একা অনুশীলন করবে। এরপর সোমবার দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাঁকে পাওয়া যাবে।’
বিশ্বকাপ শুরুর আগে মে মাসে কাফ মাসলের চোটে পড়েন নেইমার। এই কারণে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ এবং হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি।
সান্তোসের হয়ে নেইমার সর্বশেষ মাঠে নামেন ১৭ মে। ওই ম্যাচের পর তাঁর পেশীতে অস্বস্তি ধরা পড়ে। পরে পরীক্ষায় চোটের মাত্রা গ্রেড-২ পর্যায়ের পাওয়া যায়। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, তিন সপ্তাহের মধ্যে সেরে উঠতে পারেন নেইমার।
নেইমার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। তবে যখনই মাঠে নেমেছেন, আক্রমণে বড় প্রভাব রেখেছেন। মাত্র চার ম্যাচে দুই গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও তিনটি।
নেইমারকে ছাড়াই প্রথম দুই ম্যাচের প্রথমটি মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল। এরপর হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় মরক্কো।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। নকআউট পর্বের আগে নেইমারের ফেরাকে দলের জন্য বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন আনচেলত্তি, ‘শীর্ষ দল হিসেবে পরের পর্বে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। স্কটল্যান্ডের নিজস্ব কিছু শক্তি আছে। আমাদের শান্ত থাকতে হবে এবং নিজেদের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

চোটের কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে দর্শক হয়ে ছিলেন নেইমার জুনিয়র। তবে এবার তাঁর মাঠে ফেরার সুসংবাদ পেয়েছে ব্রাজিলের সমর্থকরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে দেখা যাবে ১০ নম্বর জার্সিধারী তারকাকে।
শনিবার (২০ জুন) হাইতির বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘নেইমার রোববার একা অনুশীলন করবে। এরপর সোমবার দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাঁকে পাওয়া যাবে।’
বিশ্বকাপ শুরুর আগে মে মাসে কাফ মাসলের চোটে পড়েন নেইমার। এই কারণে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ এবং হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি।
সান্তোসের হয়ে নেইমার সর্বশেষ মাঠে নামেন ১৭ মে। ওই ম্যাচের পর তাঁর পেশীতে অস্বস্তি ধরা পড়ে। পরে পরীক্ষায় চোটের মাত্রা গ্রেড-২ পর্যায়ের পাওয়া যায়। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, তিন সপ্তাহের মধ্যে সেরে উঠতে পারেন নেইমার।
নেইমার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। তবে যখনই মাঠে নেমেছেন, আক্রমণে বড় প্রভাব রেখেছেন। মাত্র চার ম্যাচে দুই গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও তিনটি।
নেইমারকে ছাড়াই প্রথম দুই ম্যাচের প্রথমটি মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল। এরপর হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় মরক্কো।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। নকআউট পর্বের আগে নেইমারের ফেরাকে দলের জন্য বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন আনচেলত্তি, ‘শীর্ষ দল হিসেবে পরের পর্বে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। স্কটল্যান্ডের নিজস্ব কিছু শক্তি আছে। আমাদের শান্ত থাকতে হবে এবং নিজেদের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেয়েছে ব্রাজিল। তবে এই জয়ের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে প্রথমার্ধে দলের উইঙ্গার রাফিনিয়ার চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার ঘটনায়।
৩৫ মিনিট আগে
খেলা দিয়ে নজর আগেই কেড়েছিলেন ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান ও এন্ড্রিক। বিশ্বকাপে আজ (২০ জুন) হাইতির বিপক্ষে মাঠে নেমেই দুজন ঠাঁই করে নিয়েছেন ইতিহাসে। বিশ্বকাপে দেশের হয়ে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের তালিকায় তুলেছেন নাম।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্রয়ের ধাক্কা সামলে এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দে ফিরেছে ব্রাজিল। গ্রুপ ‘সি’র ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় তুলে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
১০ ঘণ্টা আগে
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা কে এই বিতর্ক কখনো শেষ হবার নয়। তবে স্পেনের তরুণ সেনসেশন এবং বার্সেলোনার উইঙ্গার লামিন ইয়ামালের কাছে এই বিতর্ক ভিত্তিহীন। তাঁর মতে, লিওনেল মেসিই ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়।
২০ ঘণ্টা আগে