বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ

আমাদের পেস বোলারেরা একটু এগিয়ে আছে: শান্ত

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৫: ৪৮
সংবাদ সম্মেলনে শান্ত

রেকর্ড কিংবা পরিসংখ্যান নিয়ে বাড়তি কোনো রোমাঞ্চ নেই, লক্ষ্য কেবল প্রতিদিন ভালো এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলা। আগামীকাল শুক্রবার (৮ মে) থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ম্যাচের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রত্যয়ই ঝরল বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে। মিরপুরের ঐতিহ্যগত কন্ডিশন ও চেনা চ্যালেঞ্জ সামলে জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসের কথা জানালেন তিনি।

সাধারণত পাকিস্তান ও বাংলাদেশের লড়াইয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকে পাকিস্তানের পেস বোলিং আক্রমণ সাংবাদিকদের করা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের এবার পেস বোলারেরা একটু এগিয়ে আছে। আমরা যখন পাকিস্তানকে নিয়ে কথা বলি, তাদের পেস অ্যাটাক নিয়েই কথা হয়। যদিও রিসেন্টলি আমাদের পেসারেরাও ভালো করছে, যার কারণে আমরা একটু এগিয়ে থাকব।’

মিরপুর শেরেবাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তরুণ পেসার নাহিদ রানাকে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক বলেন ‘আমি জানি সে কী করতে চায়। ক্যাপ্টেনের জন্য এটা অ্যাডভান্টেজ যে এমন এক্সপ্রেসিভ বোলার দলে আছে।’

দীর্ঘদিন পর টেস্ট ফরম্যাটে তাসকিন আহমেদের ফেরা বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তি কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত জানান, ‘ইনডোরে তার বোলিং এবং সার্বিক ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ফিজিও ও ট্রেইনাররা সন্তুষ্ট।’

মিরপুরের পিচ নিয়ে বরাবরই আলোচনা থাকে। সঙ্গে মিরপুরে খেলার জন্যই নাকি সিনিয়র ক্রিকেটারদের ব্যাটিং গড় কম থাকে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ উঠেতেই ক্যাপ্টেনের জবাব, গত কয়েক সিরিজে উইকেটের উন্নতি হয়েছে। ভালো উইকেট পেলে ব্যাটারদের ব্যক্তিগত গড়ও আরও সমৃদ্ধ হবে বলে বিশ্বাস তার। ব্যাটিং নিয়ে অধিনায়কের স্পষ্ট বার্তা ব্যাটসম্যানরা আলোচনা করেন যেন তারা বড় ইনিংস (১০০-১৫০ রান) খেলে দলের রান বাড়াতে পারে।

তানজিদ হাসানের ইনক্লুশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা যে যেভাবে খেলতে পছন্দ করে, আমরা চাই তারা সেভাবেই খেলুক। কেউ যদি চায় ৮০ ওভারে ৪০০ করতে বা কেউ যদি ১২০ ওভারে ৪০০ রান করতে পারে করুক সমস্যা নেই। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দলের রান হওয়া।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজের আগে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘যারা সাদা বলের ক্রিকেটে ছিলেন না, তারা কোচ সোহেল ইসলামের অধীনে নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে নিয়েছেন।‘ বিশেষ করে টপ অর্ডার ব্যাটারদের জন্য সুইং বল সামলানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে ঘাসের উইকেটে বলে মনে করেন তিনি।

গত সাইকেলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের সাতে শেষ করেছিল বাংলাদেশ। এবারের লক্ষ্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত ২ বছর তার দল ভালো ক্রিকেট খেলেছে। গতবছর সাতে ছিল, এবার তিনি চান চার-পাঁচে শেষ করতে। এবছর বাংলাদেশ দল অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকায় খেলবে। যেটি দলের জন্যও নতুন এক্সপেরিয়েন্স।

সম্পর্কিত