ওয়ার্ল্ডকাপ কাউন্টডাউন

বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে সপ্তমবার বিশ্বমঞ্চে তিউনিসিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ ৯৬ বছরের ইতিহাসে ২০২৬ সালের আসরটি হতে যাচ্ছে এক অনন্য নজির। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশ নিয়ে আয়োজিত এই মহাযজ্ঞের আয়োজক হিসেবে থাকছে তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা। ফুটবল বিশ্বের মহাযজ্ঞ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কিক-অফ হতে ঘড়ির কাঁটায় আর বাকি মাত্র ৩৫ দিন। বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নিয়ে পড়ুন স্ট্রিমের নিয়মিত আয়োজন ‘বিশ্বকাপ কাউন্টডাউন’—

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

তিউনিসিয়া ফুটবল দল

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের সব ম্যাচে অপরাজিত এবং কোনও গোল হজম না করে ২০১৮ সাল থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে তিউনেসিয়া। গত বিশ্বকাপে তারা সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়েছিল। যদিও তারা নকআউট পর্বে যেতে ব্যর্থ হয়।

১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া দলটি এবারসহ মোট সাত বার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দেশটি ১৮ ম্যাচ খেলেছে, যেখানে তিন জয়ের বিপরীতে ১০ ম্যাচে হেরেছে।

ফিফার র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪৬তম পজিশনে অবস্থান করা দেশটি ‘কার্থেজ ঈগলস’ নামে পরিচিত।

দেশটির প্রধান কোচ হিসেবে রয়েছেন ফরাসি ফুটবলার সাবরি লামুচি। এর আগে তিনি আইভরি কোস্টের জাতীয় দল, বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নটিংহ্যাম ফরেস্ট এবং বর্তমান ইংলিশ লিগ-ওয়ানের দল কার্ডিফ এফসির ডাগআউটের দায়িত্ব সামলেছেন।

তিউনিসিয়ার এবারের বিশ্বকাপে আসার পথটি ছিল অত্যন্ত দাপুটে এবং ক্লিনিক্যাল। আফ্রিকান বাছাইপর্বের গ্রুপ ‘এইচ’-এ তিউনিসিয়া একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে। তারা বাছাইপর্বের ১০ ম্যাচের ৯টিতে জয় পেয়েছে, আর একটিতে ড্র করে মাঠ ছাড়ে দলটি। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের যাত্রায় দেশটি ২২ বার প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছে, বিপরীতে তারা কোনও গোল হজম করেনি।

তিউনিসিয়া এবার লড়বে টুর্নামেন্টের অন্যতম কঠিন ও টেকনিক্যাল গ্রুপ ‘ডি’-তে। আগামী ১৫ জুন সুইডেন, ২১ জুন জাপান এবং ২৬ জুন তারা মাঠে নামবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

প্লেয়ার টু ওয়াচ

মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আলী বেন রমধানে, যিনি তিউনিসিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৪ গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করেছেন। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আয়মেন দাহমেন এবারের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কোনও গোল হজম করেননি।

গ্রুপ ‘ডি’-তে নেদারল্যান্ডস ফেবারিট হিসেবে শুরু করবে। যদিও গতবছর ফ্রান্সকে হারিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা তারা ঘটিয়েও ফেলতে পারে। ১৫ জুন সুইডেনের বিপক্ষে তারা যদি অন্তত এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিতে পারে, তবে ২১ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে তাদের নকআউটে যাওয়ার পথ।

সম্পর্কিত