স্পোর্টস ডেস্ক

মেসির রেকর্ড ভাঙা জোড়া গোলে গ্রুপ ‘জে’ থেকে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করল আলবিসেলেস্তেরা। রালফ রাংনিকের হাই-ইনটেনসিটি ‘গেগেনপ্রেসিং’ এবং শারীরিক ফুটবলকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ২-০ ব্যবধানের এই জয় তুলে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির করা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১৭ গোলে রেকর্ডে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৯০+৫) মেসির দ্বিতীয় এবং রেকর্ড ১৮তম গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসিরা।
প্রথমার্ধে ডালাসের মাঠে লিওনেল স্কালোনি ৪-৩-৩ ফরমেশনে দলকে মাঝমাঠ ধরে রেখে উইং দিয়ে বল ওপরে তোলার চেষ্টার জন্য এই ফরমেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক তার চেনা ৪-২-৩-১ ফর্মেশন বেছে নেন।
ম্যাচের মাত্র অষ্টম মিনিটে বক্সের ভেতর লাউতারো মার্তিনেস ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু ১০ মিনিটে নেওয়া মেসির স্পট-কিক পোস্টের বাইরে যায়। যার ফলে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের লজ্জাজনক রেকর্ডে নিজের নাম বসান মেসি। এই পেনাল্টি মিসের পর রাংনিকের শিষ্যরা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেন। বিশেষ করে অস্ট্রিয়ার লেফট-উইং কম্বিনেশন আর্জেন্টিনার রাইট-ব্যাক নাহুয়েল মলিনার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। ২৪ মিনিটে জাবিৎসারের শট ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ব্লক করে দলকে গোল হজম করার থেকে বাঁচায়।
হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত আর্জেন্টিনা মূলত কাউন্টার-অ্যাটাকের ওপর নির্ভরশীল ফুটবল খেলছিল। অস্ট্রিয়ার মাঝমাঠের প্রেসিং ভাঙতে মেসিকে নিচে নপমে প্লে মেকারের ভূমিকা নেন। ৩৯ মিনিটে বক্সের প্রান্তে আনমার্কড থাকা মেসি বাঁ-পায়ের ক্লিনিকাল ফিনিশে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ তে লিড এনে দেন। এই গোলের মাধ্যমে জার্মানির ক্লোসাকে (১৬ গোল) টপকে ১৭টি গোল নিয়ে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতার সিংহাসনে বসলেন মেসি। ১-০ এর লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো।যার ফলে ৫৬ মিনিটে তার জায়গায় মাঠে নামানো হয় অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপরই অস্ট্রিয়ার জাবিৎসা বক্সের কাছ থেকে একটি ফ্রি কিক নিলেও এমিলিয়ানো মার্তিনেস তা প্রতিহত করেন। শেষ দিকে আর্জেন্টাইন ডিফেন্স ভেঙে অ্যাটাক দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা বরাবরই নস্যাৎ হচ্ছিল এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সামনে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বারবার আক্রমণ করলেও তা অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার ব্লক করে দেয়। ম্যাচের শেষ দিকে অল আউট ফুটবল খেলে সমতায় ফিরতে মরিয়া হতে থাকে অস্ট্রিয়া, যদিও কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময় (৯০+৫) দলের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-০ গোলের জয় এনে দেন এই ম্যাজিশিয়ান। ম্যাচে এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ও টুর্নামেন্টে এটি ছিল তাঁর পঞ্চম গোল।

মেসির রেকর্ড ভাঙা জোড়া গোলে গ্রুপ ‘জে’ থেকে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করল আলবিসেলেস্তেরা। রালফ রাংনিকের হাই-ইনটেনসিটি ‘গেগেনপ্রেসিং’ এবং শারীরিক ফুটবলকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ২-০ ব্যবধানের এই জয় তুলে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির করা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১৭ গোলে রেকর্ডে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৯০+৫) মেসির দ্বিতীয় এবং রেকর্ড ১৮তম গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসিরা।
প্রথমার্ধে ডালাসের মাঠে লিওনেল স্কালোনি ৪-৩-৩ ফরমেশনে দলকে মাঝমাঠ ধরে রেখে উইং দিয়ে বল ওপরে তোলার চেষ্টার জন্য এই ফরমেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক তার চেনা ৪-২-৩-১ ফর্মেশন বেছে নেন।
ম্যাচের মাত্র অষ্টম মিনিটে বক্সের ভেতর লাউতারো মার্তিনেস ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু ১০ মিনিটে নেওয়া মেসির স্পট-কিক পোস্টের বাইরে যায়। যার ফলে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের লজ্জাজনক রেকর্ডে নিজের নাম বসান মেসি। এই পেনাল্টি মিসের পর রাংনিকের শিষ্যরা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেন। বিশেষ করে অস্ট্রিয়ার লেফট-উইং কম্বিনেশন আর্জেন্টিনার রাইট-ব্যাক নাহুয়েল মলিনার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। ২৪ মিনিটে জাবিৎসারের শট ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ব্লক করে দলকে গোল হজম করার থেকে বাঁচায়।
হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত আর্জেন্টিনা মূলত কাউন্টার-অ্যাটাকের ওপর নির্ভরশীল ফুটবল খেলছিল। অস্ট্রিয়ার মাঝমাঠের প্রেসিং ভাঙতে মেসিকে নিচে নপমে প্লে মেকারের ভূমিকা নেন। ৩৯ মিনিটে বক্সের প্রান্তে আনমার্কড থাকা মেসি বাঁ-পায়ের ক্লিনিকাল ফিনিশে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ তে লিড এনে দেন। এই গোলের মাধ্যমে জার্মানির ক্লোসাকে (১৬ গোল) টপকে ১৭টি গোল নিয়ে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতার সিংহাসনে বসলেন মেসি। ১-০ এর লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো।যার ফলে ৫৬ মিনিটে তার জায়গায় মাঠে নামানো হয় অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপরই অস্ট্রিয়ার জাবিৎসা বক্সের কাছ থেকে একটি ফ্রি কিক নিলেও এমিলিয়ানো মার্তিনেস তা প্রতিহত করেন। শেষ দিকে আর্জেন্টাইন ডিফেন্স ভেঙে অ্যাটাক দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা বরাবরই নস্যাৎ হচ্ছিল এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সামনে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বারবার আক্রমণ করলেও তা অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার ব্লক করে দেয়। ম্যাচের শেষ দিকে অল আউট ফুটবল খেলে সমতায় ফিরতে মরিয়া হতে থাকে অস্ট্রিয়া, যদিও কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময় (৯০+৫) দলের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-০ গোলের জয় এনে দেন এই ম্যাজিশিয়ান। ম্যাচে এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ও টুর্নামেন্টে এটি ছিল তাঁর পঞ্চম গোল।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি। সোমবার (২২ জুন) টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে জে গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
৩ ঘণ্টা আগে
মাঠের লড়াইয়ে বেলজিয়ামকে গোল শূন্য সমতায় রুখে দিয়ে নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ইরান। ম্যাচ শেষে সোমবারের (২২ জুন) লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে লকার রুমে এক আবেগঘন চিঠি রেখে গেছে ইরানি শিবির।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীসেরা গোলের’ ৪০ বছর পূর্তি আজ।
৯ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়ম ‘হাইড্রেশন ব্রেকের’ ওপর চটেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, এই নিয়ম ফুটবল ম্যাচকে চার ভাগে বিভক্ত করছে।
১০ ঘণ্টা আগে