স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ মিটার উঁচুতে আজতেকা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখতে উদ্গ্রীব ফুটবল ভক্তরা।
আজতেকা স্টেডিয়ামটি ইংল্যান্ড সমর্থকদের জন্য যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই যন্ত্রণাদায়ক এক স্মৃতির। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এই মাঠেই ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের শিকার হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল দলটি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর এই মাঠেই মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ জুলাই) ভোর ৬টায় ম্যাচ শুরু হবে।
রাউন্ড অব ৩২-এ ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউটে জয়ের স্বাদ পেয়েছে মেক্সিকো। এর আগে তারা গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে উঠেছিল ‘এল ত্রি’রা।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বরে থাকা ইংল্যান্ড এবারের আসরে নামের প্রতি পূর্ণ সুবিচার করতে পারেনি। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া ও পানামাকে হারালেও ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র-তেই খুশি থাকতে হয় থ্রি লায়ন্সদের। এরপর নকআউটে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিপক্ষে ১-০-তে পিছিয়ে গিয়েও শেষমেশ হ্যারি কেইনের চমকে ২-১ গোলে জয় পায়।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত আজতেকা স্টেডিয়ামে খেলা যেকোনো অতিথি দলের জন্যই বিশাল চ্যালেঞ্জ। এই উচ্চতায় বাতাস পাতলা থাকায় খেলোয়াড়দের দ্রুত শ্বাসকষ্ট হতে পারে এবং বলও স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত ও দূরে ছোটে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে বৈরী আবহাওয়া ও মেক্সিকান দর্শকদের তীব্র চিৎকার। তবে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে খেলার চ্যালেঞ্জ উপভোগ করতে চান ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছি যে, আগামীকালের ম্যাচ একটি সত্যিকারের বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
মাঠের বাইরের এসব নিয়ামক বাদেও লড়াই আদতে ‘১১ বনাম ১১’ জনের হবে বলে মনে করেন মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগুয়েরে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড দলে শারীরিকভাবে শক্তিশালী বেশ কিছু চমৎকার খেলোয়াড় রয়েছে।’
বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকোর এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। প্রথমবার ১৯৬৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ইংলিশরা। বিশ্বকাপের বাইরে ১৯৮৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে খেলা চারটি প্রীতি ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের প্রেডিকশন অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মেক্সিকোর জয়ের সম্ভাবনা ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এই ম্যাচের বিজয়ী দল শনিবার (১১ জুলাই) কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল অথবা নরওয়ের মুখোমুখি হবে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ মিটার উঁচুতে আজতেকা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখতে উদ্গ্রীব ফুটবল ভক্তরা।
আজতেকা স্টেডিয়ামটি ইংল্যান্ড সমর্থকদের জন্য যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই যন্ত্রণাদায়ক এক স্মৃতির। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এই মাঠেই ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের শিকার হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল দলটি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর এই মাঠেই মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ জুলাই) ভোর ৬টায় ম্যাচ শুরু হবে।
রাউন্ড অব ৩২-এ ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউটে জয়ের স্বাদ পেয়েছে মেক্সিকো। এর আগে তারা গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে উঠেছিল ‘এল ত্রি’রা।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বরে থাকা ইংল্যান্ড এবারের আসরে নামের প্রতি পূর্ণ সুবিচার করতে পারেনি। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া ও পানামাকে হারালেও ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র-তেই খুশি থাকতে হয় থ্রি লায়ন্সদের। এরপর নকআউটে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিপক্ষে ১-০-তে পিছিয়ে গিয়েও শেষমেশ হ্যারি কেইনের চমকে ২-১ গোলে জয় পায়।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত আজতেকা স্টেডিয়ামে খেলা যেকোনো অতিথি দলের জন্যই বিশাল চ্যালেঞ্জ। এই উচ্চতায় বাতাস পাতলা থাকায় খেলোয়াড়দের দ্রুত শ্বাসকষ্ট হতে পারে এবং বলও স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত ও দূরে ছোটে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে বৈরী আবহাওয়া ও মেক্সিকান দর্শকদের তীব্র চিৎকার। তবে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে খেলার চ্যালেঞ্জ উপভোগ করতে চান ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছি যে, আগামীকালের ম্যাচ একটি সত্যিকারের বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
মাঠের বাইরের এসব নিয়ামক বাদেও লড়াই আদতে ‘১১ বনাম ১১’ জনের হবে বলে মনে করেন মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগুয়েরে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড দলে শারীরিকভাবে শক্তিশালী বেশ কিছু চমৎকার খেলোয়াড় রয়েছে।’
বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকোর এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। প্রথমবার ১৯৬৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ইংলিশরা। বিশ্বকাপের বাইরে ১৯৮৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে খেলা চারটি প্রীতি ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের প্রেডিকশন অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মেক্সিকোর জয়ের সম্ভাবনা ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এই ম্যাচের বিজয়ী দল শনিবার (১১ জুলাই) কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল অথবা নরওয়ের মুখোমুখি হবে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

বিশ্বকাপে নিজেদের ‘ইউরোপীয় ও নরওয়ে জুজু’ কাটানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ব্রাজিল। সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ১৬-র হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মুখোমুখি হবে এবারের আসরের ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ের।
২ ঘণ্টা আগে
উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি আর ৪টি হলুদ কার্ডের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
১০ ঘণ্টা আগে
কানাডাকে ৩–০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মরক্কো। শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে জয় নিশ্চিত করে আফ্রিকান দলটি।
১১ ঘণ্টা আগে
এবারের আসরের লড়াই এখনো শেষ না হলেও এরই মধ্যে বিদায় নিতে হয়েছে আটজন কোচকে। চাকরি হারানো, পদত্যাগ কিংবা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া—সব মিলিয়ে এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলেন জার্মানির জুলিয়ান নাগেলসম্যান। নকআউটে প্যারাগুয়ের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায়ের পর গত শুক্রবার তিনি ইস্তফা দেন।
০৪ জুলাই ২০২৬