স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের সার বিতরণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। যুগ যুগ ধরে চলে আসা সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা প্রথা পুরোপুরি বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার ব্যবসায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতে কড়া শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের দাবি, কৃষকের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছানো এবং মাঠপর্যায়ের অনিয়ম দূর করতেই এই পদক্ষেপ।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় কৃষি মন্ত্রণালয় ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫’ অনুমোদন করে। এরপর গত ১০ আগস্ট সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ করে কৃষি মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে খুচরা বিক্রেতারা কর্মসূচি পালন করেছেন।
এদিকে নতুন এই নীতিমালা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলছেন, ডিলারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাজারে প্রতিযোগিতা কমবে, যা উল্টো সিন্ডিকেট তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে। পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতা না থাকায় কৃষকের সার সংগ্রহে পরিবহন খরচ ও ভোগান্তি বাড়ারও আশঙ্কা রয়েছে।
নীতিমালায় কী কী পরিবর্তন এল
নতুন নীতিমালায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো সাব-ডিলার প্রথা বিলুপ্ত করা। বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বর্তমান সাব-ডিলারদের যাবতীয় দায়দেনা চুকিয়ে ফেলতে হবে। এরপর থেকে ডিলাররা সরাসরি কৃষকের কাছে সার বিক্রি করবেন। প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রতিটি ডিলারের মূল গুদামের বাইরে নিজ এলাকায় আরও দুটি বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে। অর্থাৎ, একজন ডিলার মোট তিনটি কেন্দ্র থেকে নিজস্ব কর্মচারীদের মাধ্যমে সার বিক্রি করবেন।
আগে ইউরিয়া সারের ডিলারশিপ দিত বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং অন্যান্য সারের ডিলারশিপ দিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। এই দ্বৈত ব্যবস্থা বাতিল করে এখন একটি ‘একক সমন্বিত নীতিমালা’ করা হয়েছে। ফলে সবাই শুধু ‘সার ডিলার’ হিসেবে পরিচিত হবেন।
নীতিমালায় পরিবারতন্ত্র ও প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডিলারশিপ পাবেন না। কোনো সরকারি কর্মচারী বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সারের ডিলার হতে পারবেন না। স্বচ্ছতার জন্য প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে সারের মজুত ও মূল্যতালিকা টানানো এবং কৃষককে ক্যাশমেমো দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
খরচ বাড়ার আশঙ্কা প্রান্তিক কৃষকের
সরকার অনিয়ম কমানোর কথা বললেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে বলে মনে করেন অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সার বিতরণ ব্যবস্থায় হাতবদলের সংখ্যা কমানো হলে এর ফলাফল বুঝতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে সাধারণ অর্থনীতির দৃষ্টিতে প্রতিযোগিতা কমে গেলে তা সেবা গ্রহণকারীদের জন্য নেতিবাচক হতে পারে। ডিলারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় কৃষকের সামনে সার সংগ্রহের বিকল্পও কমে যাবে।’
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মনে করেন, একজন ডিলারকে তিনটি কেন্দ্র পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলেও প্রান্তিক কৃষকের সার পাওয়া সহজ হওয়ার চেয়ে কঠিন হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। তিনি বলেন, আগে সাব-ডিলারদের কারণে কৃষকের কাছাকাছি এলাকায় সার পাওয়ার সুযোগ ছিল। এখন সাব-ডিলার না থাকায় কৃষককে সার কিনতে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হতে পারে। এতে কৃষকের পরিবহনসহ মোট লেনদেন ব্যয় বাড়বে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে উৎপাদন খরচের ওপর। ছোট ও প্রান্তিক কৃষকেরাই এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
সিন্ডিকেট ও ‘ভাড়াটে’ ডিলারের শঙ্কা
নতুন করে ডিলার হতে চাইলে ৫০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম এবং ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ থাকতে হবে। নির্বাচিত হলে জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে ৫ লাখ টাকা।
এই উচ্চ জামানত ও আর্থিক শর্তের কারণে ছোট ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে ছিটকে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের মতে, এ ধরনের উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগের শর্ত বাজারে প্রবেশের বাধা বাড়াবে। ফলে ছোট ব্যবসায়ীদের পরিবর্তে বড় পুঁজির মালিক বা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থার অভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই কৃষি অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে গুদামে সার থাকা সত্ত্বেও “সার নেই” বলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। ডিলারের সংখ্যা কমে গেলে এ ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়বে।’
ডিলারশিপ পাওয়ার পর প্রকৃত ব্যবসা না করে সেটি অন্য ব্যবসায়ীর কাছে ‘ভাড়া’ বা হস্তান্তরের প্রবণতা দেখা দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কেউ ডিলারশিপ নিয়ে পরে তা অন্য কারও মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারেন। এমনটি হলে সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষেও ডিলারদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সব মিলিয়ে নতুন সার বিতরণ নীতিমালায় সুফলের চেয়ে ঝুঁকি বেশি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নীতিমালাটি সফল হবে নাকি কৃষকের গলার কাঁটা হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে স্বচ্ছভাবে ডিলার নিয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যকর তদারকির ওপর।

দেশের সার বিতরণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। যুগ যুগ ধরে চলে আসা সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা প্রথা পুরোপুরি বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার ব্যবসায় পারিবারিক ও রাজনৈতিক একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতে কড়া শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের দাবি, কৃষকের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছানো এবং মাঠপর্যায়ের অনিয়ম দূর করতেই এই পদক্ষেপ।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় কৃষি মন্ত্রণালয় ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫’ অনুমোদন করে। এরপর গত ১০ আগস্ট সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ করে কৃষি মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে খুচরা বিক্রেতারা কর্মসূচি পালন করেছেন।
এদিকে নতুন এই নীতিমালা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলছেন, ডিলারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাজারে প্রতিযোগিতা কমবে, যা উল্টো সিন্ডিকেট তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে। পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতা না থাকায় কৃষকের সার সংগ্রহে পরিবহন খরচ ও ভোগান্তি বাড়ারও আশঙ্কা রয়েছে।
নীতিমালায় কী কী পরিবর্তন এল
নতুন নীতিমালায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো সাব-ডিলার প্রথা বিলুপ্ত করা। বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বর্তমান সাব-ডিলারদের যাবতীয় দায়দেনা চুকিয়ে ফেলতে হবে। এরপর থেকে ডিলাররা সরাসরি কৃষকের কাছে সার বিক্রি করবেন। প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রতিটি ডিলারের মূল গুদামের বাইরে নিজ এলাকায় আরও দুটি বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে। অর্থাৎ, একজন ডিলার মোট তিনটি কেন্দ্র থেকে নিজস্ব কর্মচারীদের মাধ্যমে সার বিক্রি করবেন।
আগে ইউরিয়া সারের ডিলারশিপ দিত বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং অন্যান্য সারের ডিলারশিপ দিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। এই দ্বৈত ব্যবস্থা বাতিল করে এখন একটি ‘একক সমন্বিত নীতিমালা’ করা হয়েছে। ফলে সবাই শুধু ‘সার ডিলার’ হিসেবে পরিচিত হবেন।
নীতিমালায় পরিবারতন্ত্র ও প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডিলারশিপ পাবেন না। কোনো সরকারি কর্মচারী বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সারের ডিলার হতে পারবেন না। স্বচ্ছতার জন্য প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে সারের মজুত ও মূল্যতালিকা টানানো এবং কৃষককে ক্যাশমেমো দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
খরচ বাড়ার আশঙ্কা প্রান্তিক কৃষকের
সরকার অনিয়ম কমানোর কথা বললেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে বলে মনে করেন অধ্যাপক এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সার বিতরণ ব্যবস্থায় হাতবদলের সংখ্যা কমানো হলে এর ফলাফল বুঝতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে সাধারণ অর্থনীতির দৃষ্টিতে প্রতিযোগিতা কমে গেলে তা সেবা গ্রহণকারীদের জন্য নেতিবাচক হতে পারে। ডিলারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় কৃষকের সামনে সার সংগ্রহের বিকল্পও কমে যাবে।’
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মনে করেন, একজন ডিলারকে তিনটি কেন্দ্র পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলেও প্রান্তিক কৃষকের সার পাওয়া সহজ হওয়ার চেয়ে কঠিন হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। তিনি বলেন, আগে সাব-ডিলারদের কারণে কৃষকের কাছাকাছি এলাকায় সার পাওয়ার সুযোগ ছিল। এখন সাব-ডিলার না থাকায় কৃষককে সার কিনতে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হতে পারে। এতে কৃষকের পরিবহনসহ মোট লেনদেন ব্যয় বাড়বে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে উৎপাদন খরচের ওপর। ছোট ও প্রান্তিক কৃষকেরাই এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
সিন্ডিকেট ও ‘ভাড়াটে’ ডিলারের শঙ্কা
নতুন করে ডিলার হতে চাইলে ৫০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম এবং ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ থাকতে হবে। নির্বাচিত হলে জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে ৫ লাখ টাকা।
এই উচ্চ জামানত ও আর্থিক শর্তের কারণে ছোট ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে ছিটকে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের মতে, এ ধরনের উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগের শর্ত বাজারে প্রবেশের বাধা বাড়াবে। ফলে ছোট ব্যবসায়ীদের পরিবর্তে বড় পুঁজির মালিক বা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থার অভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই কৃষি অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে গুদামে সার থাকা সত্ত্বেও “সার নেই” বলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। ডিলারের সংখ্যা কমে গেলে এ ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়বে।’
ডিলারশিপ পাওয়ার পর প্রকৃত ব্যবসা না করে সেটি অন্য ব্যবসায়ীর কাছে ‘ভাড়া’ বা হস্তান্তরের প্রবণতা দেখা দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কেউ ডিলারশিপ নিয়ে পরে তা অন্য কারও মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারেন। এমনটি হলে সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষেও ডিলারদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সব মিলিয়ে নতুন সার বিতরণ নীতিমালায় সুফলের চেয়ে ঝুঁকি বেশি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নীতিমালাটি সফল হবে নাকি কৃষকের গলার কাঁটা হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে স্বচ্ছভাবে ডিলার নিয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যকর তদারকির ওপর।
.png)

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে কাতারের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে দোহা সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল-কাবি ও অর্থমন্ত্রী আলী বিন আহমেদ আল-কুওয়ারির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদা বৈঠক করেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ইস্যুতে মিয়ানমার সরকারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন না মানায় একদিনে ১ হাজার ৭৩০টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে দলীয়করণ এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা বন্ধের দাবি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন ৫৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো প্রক্রিয়া নয়।
৩ ঘণ্টা আগে