স্পোর্টস ডেস্ক

টিকিটাকার সঙ্গে গতির মেলবন্ধনে এক যুগ পর দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামতে যাচ্ছে ইউরোপের দেশ স্পেন। নিখুঁত পাসিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলতে দলটি পটু।
২০১০ বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল স্পেন। মাঝে কিছুটা ছন্দপতন ঘটলেও সর্বশেষ ইউরো ২০২৪-এর মুকুট জিতে ফিরেছে চেনা ছন্দে। এবার আর কেবল টিকিটাকার ধিমে তাল নয়, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের ক্ষিপ্র গতি ও ড্রিবলিং।
১৯৩৪ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া স্পেন এখন পর্যন্ত ১৭ বার বিশ্বমঞ্চে খেলেছে। ২০১০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বজয়ই দলটির এখন অব্দি সর্বোচ্চ সাফল্য। ফিফা র্যাংকিংয়ে ২য় অবস্থানে থাকা দলটি ভক্তদের কাছে পরিচিত ‘লা রোখা’ নামে।
২০২৩ থেকে দলের ডাগআউট সামলাচ্ছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। রদ্রি, পেদ্রিদের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলের সঙ্গে ইয়ামাল-নিকোদের ক্ষিপ্রতার মিশ্রণে দলকে দ্রুতই ছন্দে ফিরিয়েছেন তিনি। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ ড্র নিয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে স্পেন।
এবারের আসরে স্পেন লড়বে গ্রুপ ‘এইচ’-এ। আগামী ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন সৌদি আরব এবং ২৭ জুন উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্বকাপে লা রোখাদের প্রধান কাণ্ডারি বার্সেলোনার বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। জাতীয় দলের হয়ে ৬ গোল করা ইয়ামাল ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সার হয়ে করেছেন ২৪ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্ট। মাঝমাঠের প্রধান সেনাপতি হিসেবে থাকবেন ম্যানচেস্টার সিটির ব্যালন ডি'অর বিজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। এছাড়া লেফট উইংয়ে গতি ছড়াবেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের নিকো উইলিয়ামস।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট স্পেন। অনেকেই তো এখনই তাদের ফাইনালে দেখছেন। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া স্কোয়াড যেকোনো সময় মাঠের সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।
চিরায়ত পাসিং ফুটবল, মাঝমাঠের শক্ত নিয়ন্ত্রণ আর উইংয়ের ক্ষিপ্রতা যেকোনো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে গুঁড়িয়ে দিতে যথেষ্ট। নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ আর গতি ধরে রাখতে পারলে, কেবল সেমিফাইনাল বা ফাইনাল নয়, স্পেনের হাতেই বিশ্বকাপের শিরোপা দেখছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
গোলরক্ষক: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া, হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণ: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে, পেদ্রো পোরো।
মাঝমাঠ: পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, মার্তিন জুবিমেন্দি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেস, অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো, মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণ: দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেরান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ, লামিন ইয়ামাল।

টিকিটাকার সঙ্গে গতির মেলবন্ধনে এক যুগ পর দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামতে যাচ্ছে ইউরোপের দেশ স্পেন। নিখুঁত পাসিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলতে দলটি পটু।
২০১০ বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল স্পেন। মাঝে কিছুটা ছন্দপতন ঘটলেও সর্বশেষ ইউরো ২০২৪-এর মুকুট জিতে ফিরেছে চেনা ছন্দে। এবার আর কেবল টিকিটাকার ধিমে তাল নয়, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের ক্ষিপ্র গতি ও ড্রিবলিং।
১৯৩৪ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া স্পেন এখন পর্যন্ত ১৭ বার বিশ্বমঞ্চে খেলেছে। ২০১০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বজয়ই দলটির এখন অব্দি সর্বোচ্চ সাফল্য। ফিফা র্যাংকিংয়ে ২য় অবস্থানে থাকা দলটি ভক্তদের কাছে পরিচিত ‘লা রোখা’ নামে।
২০২৩ থেকে দলের ডাগআউট সামলাচ্ছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। রদ্রি, পেদ্রিদের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলের সঙ্গে ইয়ামাল-নিকোদের ক্ষিপ্রতার মিশ্রণে দলকে দ্রুতই ছন্দে ফিরিয়েছেন তিনি। তাঁর অধীনে বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ ড্র নিয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে স্পেন।
এবারের আসরে স্পেন লড়বে গ্রুপ ‘এইচ’-এ। আগামী ১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন সৌদি আরব এবং ২৭ জুন উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্বকাপে লা রোখাদের প্রধান কাণ্ডারি বার্সেলোনার বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। জাতীয় দলের হয়ে ৬ গোল করা ইয়ামাল ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সার হয়ে করেছেন ২৪ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্ট। মাঝমাঠের প্রধান সেনাপতি হিসেবে থাকবেন ম্যানচেস্টার সিটির ব্যালন ডি'অর বিজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। এছাড়া লেফট উইংয়ে গতি ছড়াবেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের নিকো উইলিয়ামস।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট স্পেন। অনেকেই তো এখনই তাদের ফাইনালে দেখছেন। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া স্কোয়াড যেকোনো সময় মাঠের সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।
চিরায়ত পাসিং ফুটবল, মাঝমাঠের শক্ত নিয়ন্ত্রণ আর উইংয়ের ক্ষিপ্রতা যেকোনো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে গুঁড়িয়ে দিতে যথেষ্ট। নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ আর গতি ধরে রাখতে পারলে, কেবল সেমিফাইনাল বা ফাইনাল নয়, স্পেনের হাতেই বিশ্বকাপের শিরোপা দেখছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
গোলরক্ষক: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া, হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণ: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে, পেদ্রো পোরো।
মাঝমাঠ: পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, মার্তিন জুবিমেন্দি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেস, অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো, মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণ: দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেরান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ, লামিন ইয়ামাল।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ সরাসরি দেখাবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। এজন্য সম্প্রচারের স্বত্ব কিনতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি।
১৪ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের শুরুর প্রস্তুতি দারুণভাবে করল আর্জেন্টিনা। প্রীতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্তিনেজ ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড জুলিয়ানো সিমিওনে গোল দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে শেষ বিশ্বকাপে কি তিনি পারবেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির মতো পরম আরাধ্য সোনালি ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে?
২০ ঘণ্টা আগে
এবারো পারল না বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালেও, শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে হেরে গেছে সফরকারীরা। এই পরাজয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতে টানা তিনবার শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের।
১ দিন আগে