স্পোর্টস ডেস্ক

টানা তিন আসরের নকআউট ‘জুজু’ কাটিয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) দাপুটে ফুটবল খেলে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর বাধা টপকে রাজকীয়ভাবে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
টানা তিন আসরে নকআউট পর্বের ম্যাচ জিততে না পারার যে খরা স্পেনের ওপর ভর করেছিল, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে সেই আক্ষেপ কাটাল দলটি। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা তিন আসরে নকআউটে জয়ের মুখ দেখেনি তারা। ২০১৪ সালে বিদায় নিয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকেই, আর ২০১৮ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলো পেরোতে পারেনি। অন্যদিকে ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা অস্ট্রিয়া স্প্যানিশ ফুটবলের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি।
আজকের ম্যাচে অস্ট্রিয়া স্পেনের গোলপোস্টে কোনো লক্ষ্যভেদী বা ‘অন টার্গেট’ শট পর্যন্ত নিতে পারেনি। স্পেনের এই জয়ে জোড়া গোল করেছেন মিকেল অয়ারজাবাল এবং একটি গোল করেন রাইট-ব্যাক পেদ্রো পোরো। রক্ষণের পাশাপাশি আক্রমণেও উজ্জ্বল ছিলেন মার্ক কুকুরেয়া।
স্পেন প্রথমার্ধের শুরু থেকেই বল দখল ও ‘টিকিটাকা’ শৈলীর মাধ্যমে অস্ট্রিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। ম্যাচের শুরুতে মার্ক কুকুরেয়ারার একটি শট জালে জড়ালেও স্পেনের একজন খেলোয়াড় অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগারকে ফাউল করায় গোলটি বাতিল হয়। তবে দমে যায়নি স্পেন। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে মিডফিল্ডার পেদ্রির পাস থেকে কুকুরেয়া বল পান। তাঁর নিচু পাসে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন মিকেল অয়ারজাবাল। কয়েক সেকেন্ডের এই আক্রমণ স্প্যানিশ ফুটবলের গতি ও কার্যকর ফিনিশিংয়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে।
গোল হজমের পর অস্ট্রিয়ার ফরোয়ার্ড মার্সেল সাবিৎসার ও মাইকেল গ্রেগরিশ পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে। বিরতির আগে দানি ওলমোদের আক্রমণে দ্বিতীয় গোলের আভাস পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত ১-০ লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য বজায় রাখে ২০১০-এর চ্যাম্পিয়নরা। ৫৪ মিনিটে রদ্রির দূরপাল্লার শট অস্ট্রিয়ান ডিফেন্সে লেগে সামান্যর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মিডফিল্ডার আলেক্স বায়েনার ক্রস থেকে দর্শনীয় হেডে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন পেদ্রো পোরো। পিছিয়ে পড়া অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক খেলোয়াড় বদল করেও ম্যাচের চিত্র বদলাতে পারেননি। উল্টো ৮৮ মিনিটে কুকুরেয়ারার ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করে অস্ট্রিয়ার বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দেন মিকেল অয়ারজাবাল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

টানা তিন আসরের নকআউট ‘জুজু’ কাটিয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) দাপুটে ফুটবল খেলে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর বাধা টপকে রাজকীয়ভাবে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
টানা তিন আসরে নকআউট পর্বের ম্যাচ জিততে না পারার যে খরা স্পেনের ওপর ভর করেছিল, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে সেই আক্ষেপ কাটাল দলটি। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা তিন আসরে নকআউটে জয়ের মুখ দেখেনি তারা। ২০১৪ সালে বিদায় নিয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকেই, আর ২০১৮ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলো পেরোতে পারেনি। অন্যদিকে ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা অস্ট্রিয়া স্প্যানিশ ফুটবলের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি।
আজকের ম্যাচে অস্ট্রিয়া স্পেনের গোলপোস্টে কোনো লক্ষ্যভেদী বা ‘অন টার্গেট’ শট পর্যন্ত নিতে পারেনি। স্পেনের এই জয়ে জোড়া গোল করেছেন মিকেল অয়ারজাবাল এবং একটি গোল করেন রাইট-ব্যাক পেদ্রো পোরো। রক্ষণের পাশাপাশি আক্রমণেও উজ্জ্বল ছিলেন মার্ক কুকুরেয়া।
স্পেন প্রথমার্ধের শুরু থেকেই বল দখল ও ‘টিকিটাকা’ শৈলীর মাধ্যমে অস্ট্রিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। ম্যাচের শুরুতে মার্ক কুকুরেয়ারার একটি শট জালে জড়ালেও স্পেনের একজন খেলোয়াড় অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগারকে ফাউল করায় গোলটি বাতিল হয়। তবে দমে যায়নি স্পেন। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে মিডফিল্ডার পেদ্রির পাস থেকে কুকুরেয়া বল পান। তাঁর নিচু পাসে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন মিকেল অয়ারজাবাল। কয়েক সেকেন্ডের এই আক্রমণ স্প্যানিশ ফুটবলের গতি ও কার্যকর ফিনিশিংয়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে।
গোল হজমের পর অস্ট্রিয়ার ফরোয়ার্ড মার্সেল সাবিৎসার ও মাইকেল গ্রেগরিশ পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে। বিরতির আগে দানি ওলমোদের আক্রমণে দ্বিতীয় গোলের আভাস পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত ১-০ লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য বজায় রাখে ২০১০-এর চ্যাম্পিয়নরা। ৫৪ মিনিটে রদ্রির দূরপাল্লার শট অস্ট্রিয়ান ডিফেন্সে লেগে সামান্যর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মিডফিল্ডার আলেক্স বায়েনার ক্রস থেকে দর্শনীয় হেডে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন পেদ্রো পোরো। পিছিয়ে পড়া অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক খেলোয়াড় বদল করেও ম্যাচের চিত্র বদলাতে পারেননি। উল্টো ৮৮ মিনিটে কুকুরেয়ারার ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করে অস্ট্রিয়ার বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দেন মিকেল অয়ারজাবাল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

সুপারকম্পিউটারের প্রেডিকশন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ। বিপরীতে অস্ট্রিয়ার জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২ দশমিক ২ শতাংশ।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ মুখোমুখি হচ্ছে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া। শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোরে কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামের এই ম্যাচেই ঠিক হবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নাকি লুকা মদ্রিচ কার বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান বালোগান গোলও করলেন, আবার লাল কার্ডও দেখলেন। তবু ১০ জনের দল নিয়েই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম।
০২ জুলাই ২০২৬
সিয়াটল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ঘড়ি যখন ১২০ মিনিট ছুঁয়েছে, তখনও ২-২ গোলে সমতা। টাইব্রেকার অপেক্ষা করছে। কিন্তু ভাগ্য যেন বিরূপ হলো সেনেগালের ওপর। যোগ করা সময়ে ফাউলের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ভিএআরের সাহায্য নিলেন রেফারি। বাজল পেনাল্টির বাঁশি।
০২ জুলাই ২০২৬