স্ট্রিম প্রতিবেদক

কার্ডিফে আশরাফুলের বীরত্বের ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮৬ রানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেন ও নাজমুল শান্তদের ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২৮৪ রানের একটা লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের দেওয়া ২৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট ও কুপার কনোলি থিতু হওয়ারও সুযোগ পাননি। তাসকিন ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করে দর্শকদের আনন্দে ভাসান। পঞ্চম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ইনিংসে প্রথম বলে আউট করার কৃতিত্ব গড়েন এই ডানহাতি বোলার।
অজিদের হয়ে তিনে ব্যাটিংয়ে নামেন মার্নাশ লাবুশেন। যদিও তিনিও বেশি সময় টিকতে পারেননি। মুস্তাফিজুর রহমানের ওভারে লো হওয়া বলে ১ রান করে আউট হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
কিন্তু চাপের মুখে অজিরা নিজেদের জাত চেনাতে থাকে ক্যাপ্টেন ইংলিস ও কুপার কনোলির ব্যাটে। যদিও কনোলির ক্যাচ স্লিপে থাকা তামিম মিস না করলে বাংলাদেশ ও নিজেদের তৃতীয় উইকেট পেতেই পারতেন। জীবন পেয়ে কনোলি ও ইংলিস রানের চাকা এগোতে থাকেন। এই সময়ে এই দুই ব্যাটসম্যান আগ্রাসী ভঙ্গিমায় বাংলাদেশের বোলারদের শর্ট বল, লেন্থ বলগুলো সাবলীলভাবেই খেলতে থাকেন।
বোলাররা যখন খেই হারিয়ে ফেলছিলেন, তখন বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা হয়ে আসেন নাহিদ রানা। তাঁর লেন্থ বলে আউট সাইডেজ হয়ে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন ১৯ রান করা ইংলিস। তার আউটের পর অজিদের হাল ধরতে আসেন অ্যালেক্স ক্যারি।
সেই সময়ে আবারও বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা হয়ে আসে সেই মোসাদ্দেকই, তিনি এসেই ফেরালেন ভয়ংকর হয়ে ওঠা কনোলিকে। দলীয় ৬ রানের সময় জীবন পাওয়া সেই কনোলি যখন ৩৫ রান করে আউট হন তখন অজিদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান।
অ্যালেক্স ক্যারি ব্যক্তিগত ৪৭ রানের সময় নাহিদের বলে আউট সাইডেজের শিকার হন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে আবারও আঘাত করেন মোসাদ্দেক হোসেন। ম্যাথু রেনশকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এরপর নাহিদ শো। তার পেসে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন স্কট এবং জেভিয়ার। ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ওডিআইতে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
আজকের ম্যাচের সবখানে যেন মোসাদ্দেক হোসেনের। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং সবখানেই তিনি।অন্যদিকে নাহিদের স্পেল শেষ হওয়ার পর খোলস ছেড়ে বের হয়ে গ্রিন তাঁর ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি আদায় করে দলের হারের ব্যবধান কমাতে থাকেন।
এরই মধ্যে বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি গড়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে। অজিদের বিপক্ষে ২১ বছর পর ৮৬ রানে জয় পায় বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল স্বাগতিক বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২৮৪/৮ (৫০ ওভার); মোসাদ্দেক ৮৬*, শান্ত ৬৭, তানজিদ ৫৪; এলিস ৩/৩৮, রেনশ ২/৩৫।
অস্ট্রেলিয়া; ১৯১/৯ ক্যারি ৪৭, গ্রিন ৫২* ; নাহিদ ৪/৪১ মোসাদ্দেক ২/৩৭(১০)

কার্ডিফে আশরাফুলের বীরত্বের ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮৬ রানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেন ও নাজমুল শান্তদের ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২৮৪ রানের একটা লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের দেওয়া ২৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট ও কুপার কনোলি থিতু হওয়ারও সুযোগ পাননি। তাসকিন ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করে দর্শকদের আনন্দে ভাসান। পঞ্চম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ইনিংসে প্রথম বলে আউট করার কৃতিত্ব গড়েন এই ডানহাতি বোলার।
অজিদের হয়ে তিনে ব্যাটিংয়ে নামেন মার্নাশ লাবুশেন। যদিও তিনিও বেশি সময় টিকতে পারেননি। মুস্তাফিজুর রহমানের ওভারে লো হওয়া বলে ১ রান করে আউট হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
কিন্তু চাপের মুখে অজিরা নিজেদের জাত চেনাতে থাকে ক্যাপ্টেন ইংলিস ও কুপার কনোলির ব্যাটে। যদিও কনোলির ক্যাচ স্লিপে থাকা তামিম মিস না করলে বাংলাদেশ ও নিজেদের তৃতীয় উইকেট পেতেই পারতেন। জীবন পেয়ে কনোলি ও ইংলিস রানের চাকা এগোতে থাকেন। এই সময়ে এই দুই ব্যাটসম্যান আগ্রাসী ভঙ্গিমায় বাংলাদেশের বোলারদের শর্ট বল, লেন্থ বলগুলো সাবলীলভাবেই খেলতে থাকেন।
বোলাররা যখন খেই হারিয়ে ফেলছিলেন, তখন বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা হয়ে আসেন নাহিদ রানা। তাঁর লেন্থ বলে আউট সাইডেজ হয়ে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন ১৯ রান করা ইংলিস। তার আউটের পর অজিদের হাল ধরতে আসেন অ্যালেক্স ক্যারি।
সেই সময়ে আবারও বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা হয়ে আসে সেই মোসাদ্দেকই, তিনি এসেই ফেরালেন ভয়ংকর হয়ে ওঠা কনোলিকে। দলীয় ৬ রানের সময় জীবন পাওয়া সেই কনোলি যখন ৩৫ রান করে আউট হন তখন অজিদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান।
অ্যালেক্স ক্যারি ব্যক্তিগত ৪৭ রানের সময় নাহিদের বলে আউট সাইডেজের শিকার হন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে আবারও আঘাত করেন মোসাদ্দেক হোসেন। ম্যাথু রেনশকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এরপর নাহিদ শো। তার পেসে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন স্কট এবং জেভিয়ার। ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ওডিআইতে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
আজকের ম্যাচের সবখানে যেন মোসাদ্দেক হোসেনের। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং সবখানেই তিনি।অন্যদিকে নাহিদের স্পেল শেষ হওয়ার পর খোলস ছেড়ে বের হয়ে গ্রিন তাঁর ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি আদায় করে দলের হারের ব্যবধান কমাতে থাকেন।
এরই মধ্যে বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি গড়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে। অজিদের বিপক্ষে ২১ বছর পর ৮৬ রানে জয় পায় বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল স্বাগতিক বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২৮৪/৮ (৫০ ওভার); মোসাদ্দেক ৮৬*, শান্ত ৬৭, তানজিদ ৫৪; এলিস ৩/৩৮, রেনশ ২/৩৫।
অস্ট্রেলিয়া; ১৯১/৯ ক্যারি ৪৭, গ্রিন ৫২* ; নাহিদ ৪/৪১ মোসাদ্দেক ২/৩৭(১০)
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১০ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬