ad

৪০ বছরের অভিশাপ কাটল মেক্সিকোর, ইকুয়েডরের বিদায়

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬: ১৩
ইকুয়েডরের বিপক্ষে দলের প্রথম গোল করে উচ্ছ্বসিত মেক্সিকোর উইঙ্গার হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচ শুরুর মিনিট দশেক আগে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামের ওপর নেমে আসে বজ্রঝড়। ফিফার নির্দেশে খেলোয়াড়েরা মাঠ ছাড়েন। গ্যালারির হাজারো সমর্থক তখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর খেলা শুরু হলে বোঝা গেল, প্রকৃতির ঝড় ছিল মাঠে মেক্সিকোর ঝড় তোলার পূর্বাভাস।

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এর মধ্য দিয়ে ঘুচেছে ৪০ বছরের অপেক্ষা। ১৯৮৬ সালে এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই বুলগেরিয়াকে হারিয়ে শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পেয়েছিল মেক্সিকো। চার দশক পর সেই একই মাঠে, একই স্কোরলাইনে আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করল তারা।

আজকের ম্যাচে মেক্সিকোর প্রথম গোল আসে ২২ মিনিটে। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ইনসাইড কাটে ইকুয়েডরের রক্ষণ ভেঙে জাল খুঁজে নেন উইঙ্গার হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ রাউল হিমেনেস। বক্সে ঢুকে কিনিয়োনেসের ফিরতি পাস পেয়ে দারুণ শটে গোল করেন এই স্ট্রাইকার। ভিএআরে যাচাইয়ের পরও গোলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এরপর আর গোলের দেখা পায়নি দুই দলের কোনোটাই।

ম্যাচে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল ইকুয়েডরের। কিন্তু সেই আধিপত্য কাজে লাগাতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তারা মেক্সিকোর গোল মুখে মাত্র পাঁচটি শট নিয়েছে। অন্যদিকে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে দুটি গোলে পরিণত করে। দ্বিতীয়ার্ধে ফরমেশন বদলে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও মেক্সিকোর সংগঠিত মাঝমাঠ ও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইকুয়েডর।

এই ম্যাচেই ইতিহাস গড়েন মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ১৯৫৮ সালে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে মাঠে নামার কীর্তি গড়েন তিনি।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ভিএআরের হস্তক্ষেপে লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের সেন্টার ব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে। এই জয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকল মেক্সিকো। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো।

Ad 300x250

সম্পর্কিত