স্ট্রিম প্রতিবেদক

ম্যাচ শুরুর মিনিট দশেক আগে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামের ওপর নেমে আসে বজ্রঝড়। ফিফার নির্দেশে খেলোয়াড়েরা মাঠ ছাড়েন। গ্যালারির হাজারো সমর্থক তখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর খেলা শুরু হলে বোঝা গেল, প্রকৃতির ঝড় ছিল মাঠে মেক্সিকোর ঝড় তোলার পূর্বাভাস।
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এর মধ্য দিয়ে ঘুচেছে ৪০ বছরের অপেক্ষা। ১৯৮৬ সালে এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই বুলগেরিয়াকে হারিয়ে শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পেয়েছিল মেক্সিকো। চার দশক পর সেই একই মাঠে, একই স্কোরলাইনে আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করল তারা।
আজকের ম্যাচে মেক্সিকোর প্রথম গোল আসে ২২ মিনিটে। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ইনসাইড কাটে ইকুয়েডরের রক্ষণ ভেঙে জাল খুঁজে নেন উইঙ্গার হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ রাউল হিমেনেস। বক্সে ঢুকে কিনিয়োনেসের ফিরতি পাস পেয়ে দারুণ শটে গোল করেন এই স্ট্রাইকার। ভিএআরে যাচাইয়ের পরও গোলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এরপর আর গোলের দেখা পায়নি দুই দলের কোনোটাই।
ম্যাচে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল ইকুয়েডরের। কিন্তু সেই আধিপত্য কাজে লাগাতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তারা মেক্সিকোর গোল মুখে মাত্র পাঁচটি শট নিয়েছে। অন্যদিকে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে দুটি গোলে পরিণত করে। দ্বিতীয়ার্ধে ফরমেশন বদলে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও মেক্সিকোর সংগঠিত মাঝমাঠ ও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইকুয়েডর।
এই ম্যাচেই ইতিহাস গড়েন মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ১৯৫৮ সালে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে মাঠে নামার কীর্তি গড়েন তিনি।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ভিএআরের হস্তক্ষেপে লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের সেন্টার ব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে। এই জয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকল মেক্সিকো। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো।

ম্যাচ শুরুর মিনিট দশেক আগে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামের ওপর নেমে আসে বজ্রঝড়। ফিফার নির্দেশে খেলোয়াড়েরা মাঠ ছাড়েন। গ্যালারির হাজারো সমর্থক তখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর খেলা শুরু হলে বোঝা গেল, প্রকৃতির ঝড় ছিল মাঠে মেক্সিকোর ঝড় তোলার পূর্বাভাস।
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এর মধ্য দিয়ে ঘুচেছে ৪০ বছরের অপেক্ষা। ১৯৮৬ সালে এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই বুলগেরিয়াকে হারিয়ে শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পেয়েছিল মেক্সিকো। চার দশক পর সেই একই মাঠে, একই স্কোরলাইনে আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করল তারা।
আজকের ম্যাচে মেক্সিকোর প্রথম গোল আসে ২২ মিনিটে। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ইনসাইড কাটে ইকুয়েডরের রক্ষণ ভেঙে জাল খুঁজে নেন উইঙ্গার হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ রাউল হিমেনেস। বক্সে ঢুকে কিনিয়োনেসের ফিরতি পাস পেয়ে দারুণ শটে গোল করেন এই স্ট্রাইকার। ভিএআরে যাচাইয়ের পরও গোলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এরপর আর গোলের দেখা পায়নি দুই দলের কোনোটাই।
ম্যাচে ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল ইকুয়েডরের। কিন্তু সেই আধিপত্য কাজে লাগাতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তারা মেক্সিকোর গোল মুখে মাত্র পাঁচটি শট নিয়েছে। অন্যদিকে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে দুটি গোলে পরিণত করে। দ্বিতীয়ার্ধে ফরমেশন বদলে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও মেক্সিকোর সংগঠিত মাঝমাঠ ও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইকুয়েডর।
এই ম্যাচেই ইতিহাস গড়েন মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ১৯৫৮ সালে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে মাঠে নামার কীর্তি গড়েন তিনি।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ভিএআরের হস্তক্ষেপে লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের সেন্টার ব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে। এই জয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকল মেক্সিকো। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো।

আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ইতিহাস বলছে বিশ্ব-ফুটবলে এই একটা দেশের বিরুদ্ধে কখনোই জয়ের দেখা পায়নি ব্রাজিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শেষ হতে তখনও মিনিট দশেক বাকি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিগ স্ক্রিনে ক্যামেরার চোখে বারবার ধরা পরছিল একটা মুখ- সুইডিশ অধিনায়ক ভিক্টর লিন্ডেলফ। সেই মুখে তখন ফুটে উঠেছে গভীর অসহায়ত্ব। কেননা ততক্ষণে তিনি বুঝে গেছেন ফ্রেঞ্চ এই গোল মেশিনকে আটকানোর আর কোনো কৌশল তার ঝুলিতে নেই।
৭ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি যখন বাজলো তখনও ম্যাচে ১-১ গোলে সমতা। বিজয়ী নির্ধারণে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। ফল মেলেনি সেখানেও। সব শেষে ভাগ্য নির্ধারণে টাইব্রেকার। আর সেখানেই ইতিহাস গড়ল মরক্কো। রোমাঞ্চকর এক টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দলটি।
৩০ জুন ২০২৬
নকআউটে জাপানের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত উতরে গেছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও কাসেমিরো ও মার্টিনেল্লির গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।
৩০ জুন ২০২৬