ad

গ্রুপ পর্বে ফের হারল জার্মানি, নকআউটে ইকুয়েডর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ০৯: ৫২
ইকোয়েডর খেলোয়াড়দের উদযাপন। সংগৃহীত ছবি

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ২০১৪ সালেও জিতেছে বিশ্বকাপ। তবে এরপরই কি যেন হয়েছে জার্মানির। পরের দুই বিশ্বকাপে পেরোতে পারেনি গ্রুপ পর্বই। এবার দাপুটে জয়ে প্রথম দুই ম্যাচেই নকআউট নিশ্চিত করে ফেললেও গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফের হেরেছে জার্মানরা।

সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এবার তেতো স্বাদটি দিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বও নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। অথচ তারা এবারের বিশ্বকাপে প্রথম গোলই পেয়েছে এই ম্যাচে।

জার্মানি ও ইকুয়েডরের ম্যাচটি ছিল মূলত ইউরোপীয় আধুনিক পজিশনাল ফুটবলের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার কাউন্টার-অ্যাটাকিং ও শারীরিক শক্তির এক তুমুল লড়াই। নকআউট নিশ্চিত হলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে এ দিন জার্মান কোচ হুলিয়ান নাগেলসম্যান ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দল সাজান। আর আসরে টিকে থাকার সমীকরণ মাথায় রেখে ৪-৪-২ ফর্মেশনে দল নামান ইকুয়েডরের আর্জেন্টাইন কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেজ।

ম্যাচে শুরুটা অবশ্য দুর্দান্তই হয় জার্মানির। মাত্র ২ মিনিটের মাথায় ইকুয়েডর রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন লেরয় সানে। পিছিয়ে পড়লেও অবশ্য দমে যায়নি ‘এল ট্রিরা’। মাঝমাঠে জার্মানির ওপর প্রয়োগ করে ‘হাই-প্রেস’ কৌশল। এতে ৯ মিনিটের মাথায় সফল হয় তারা। জার্মানির মিডফিল্ডার নমেচার কাছ থেকে বল কেড়ে নেন ইকুয়েডরের পেদ্রো ভিতে। তাঁর বাড়ানো বলে বাঁকানো শটে এবারের আসরে দলের প্রথম গোলটি করেন ইকুয়েডর ফরোয়ার্ড নিলসন আনগুলু।

সমতায় ফেরার পর প্রথমার্ধের বাকিটা সময় জার্মানির ওপর ভালোই চাপ সৃষ্টি করে ইকুয়েডর। জার্মানিও হাফ স্পেস তৈরি করে মিডফিল্ডারদের মাধ্যমে একাধিক আক্রমণ চালায়। তবে উইং ব্যবহার করে জার্মান স্বভাবজাত আক্রমণ খুব একটা দেখা যায়নি। শেষপর্যন্ত ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে উঠে জার্মানি। ৪৮ মিনিটে পেনাল্টিও পায়। তবে ভিএআরে যাচাই করে সেই সিদ্ধান্ত পাল্টান রেফারি। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যে ৭৭ মিনিটে হলুদ জার্সির ভক্তদের উল্লাসের বন্যায় ভাসান গঞ্জালো প্লাতা। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইকুয়েডর এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। সেই ব্যবধান আর কমাতে পারেনি জার্মানি।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজালে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়েরা নিজেদের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। মাঠে হাঁটু গেঁড়ে বসে, কেউ বা আকাশের দিকে হাত তুলে সুখের কান্নায় ভেঙে পড়েন। কমেন্ট্রিতে পিটার ডুরি বলে ওঠেন, ‘আজ তাদের উদযাপনের দিন।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত