স্পোর্টস ডেস্ক

চোটের ধাক্কা, ভিএআর নাটক আর মাঠের ভেতর এক পশলা যুদ্ধ—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির ৯০ মিনিটের রোমাঞ্চ শেষে ঘানাকে বিদায় করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলতে পা রাখল কলম্বিয়া। শনিবার (৪ জুলাই) ম্যাচের ১৪ মিনিটে জন আরিয়াসের নেওয়া এক ‘ফ্লাইং ভলি’ লাতিন আমেরিকার দলটিকে এনে দিয়েছে ১-০ গোলের জয়। ঘানার আফ্রিকান গতি আর পেশিশক্তিকে পরাস্ত করা হামেস রদ্রিগেজ-লুইস দিয়াজরা শেষ ষোলতে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।
যদিও ম্যাচের শুরুটা দুই দলের জন্যই ছিল একদমই অপ্রত্যাশিত। খেলা শুরুর মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় বড় ধাক্কা খায় কলম্বিয়া শিবির। মাঠের প্রধান স্ট্রাইকার জন কর্দোবা চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। কলম্বিয়ার ধাক্কার ঠিক পরের মিনিটেই ১২ মিনিটে ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন।
উভয় দলের এই আকস্মিক পরিবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে তৈরি হওয়া একটি আক্রমণ থেকে ঘানার রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে ফ্লাইং ভলির মাধ্যমে বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জন আরিয়াস। গোলটি হওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ ভিএআর পরিক্ষা করে রেফারি তাঁর সিদ্ধান্তে বহাল থাকেন; এতে উল্লাসে মাতে কলম্বিয়া শিবির।
গোল হজম করার পর ঘানা তাদের কৌশল পরিবর্তন করে উইং দিয়ে ‘ডিরেক্ট ফুটবল’ খেলা শুরু করে। কিন্তু কাজের কাজ তেমন হচ্ছিল না। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতে না হতেই ম্যাচ মোড় নিতে থাকে অন্য দিকে। ৫৬ মিনিটে লুইস দিয়াজ ঘানার ডিফেন্স ভেঙে একক প্রচেষ্টায় বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতে উঠলেও সেই আনন্দটা অফসাইডের কারণে ফিকে করে দেয় ভিএআর।
ম্যাচটু ধীরে ধীরে ম্যাচ তখন ফুটবল থেকে রুপ নিল ‘বডি কন্ট্যাক্ট’ গেমে। রেফারিও পকেট থেকে হলুদ কার্ড বের করে দেখান ঘানার ফরওয়ার্ড আব্দুল ফাতাউ আর কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার রিচার্ড রিওসকে।
ম্যাচে ঘানা অন-টার্গেটে কোন শট নিতে ব্যর্থ হলে ১-০ স্কোরলাইন বজায় রেখে কলম্বিয়া ম্যাচ শেষ হয়।

চোটের ধাক্কা, ভিএআর নাটক আর মাঠের ভেতর এক পশলা যুদ্ধ—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির ৯০ মিনিটের রোমাঞ্চ শেষে ঘানাকে বিদায় করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলতে পা রাখল কলম্বিয়া। শনিবার (৪ জুলাই) ম্যাচের ১৪ মিনিটে জন আরিয়াসের নেওয়া এক ‘ফ্লাইং ভলি’ লাতিন আমেরিকার দলটিকে এনে দিয়েছে ১-০ গোলের জয়। ঘানার আফ্রিকান গতি আর পেশিশক্তিকে পরাস্ত করা হামেস রদ্রিগেজ-লুইস দিয়াজরা শেষ ষোলতে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।
যদিও ম্যাচের শুরুটা দুই দলের জন্যই ছিল একদমই অপ্রত্যাশিত। খেলা শুরুর মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় বড় ধাক্কা খায় কলম্বিয়া শিবির। মাঠের প্রধান স্ট্রাইকার জন কর্দোবা চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। কলম্বিয়ার ধাক্কার ঠিক পরের মিনিটেই ১২ মিনিটে ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন।
উভয় দলের এই আকস্মিক পরিবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে তৈরি হওয়া একটি আক্রমণ থেকে ঘানার রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে ফ্লাইং ভলির মাধ্যমে বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জন আরিয়াস। গোলটি হওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ ভিএআর পরিক্ষা করে রেফারি তাঁর সিদ্ধান্তে বহাল থাকেন; এতে উল্লাসে মাতে কলম্বিয়া শিবির।
গোল হজম করার পর ঘানা তাদের কৌশল পরিবর্তন করে উইং দিয়ে ‘ডিরেক্ট ফুটবল’ খেলা শুরু করে। কিন্তু কাজের কাজ তেমন হচ্ছিল না। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতে না হতেই ম্যাচ মোড় নিতে থাকে অন্য দিকে। ৫৬ মিনিটে লুইস দিয়াজ ঘানার ডিফেন্স ভেঙে একক প্রচেষ্টায় বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতে উঠলেও সেই আনন্দটা অফসাইডের কারণে ফিকে করে দেয় ভিএআর।
ম্যাচটু ধীরে ধীরে ম্যাচ তখন ফুটবল থেকে রুপ নিল ‘বডি কন্ট্যাক্ট’ গেমে। রেফারিও পকেট থেকে হলুদ কার্ড বের করে দেখান ঘানার ফরওয়ার্ড আব্দুল ফাতাউ আর কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার রিচার্ড রিওসকে।
ম্যাচে ঘানা অন-টার্গেটে কোন শট নিতে ব্যর্থ হলে ১-০ স্কোরলাইন বজায় রেখে কলম্বিয়া ম্যাচ শেষ হয়।

ডালাসে শনিবার (৪ জুলাই) শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর, টাইব্রেকার নামের স্নায়ুর পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়াকে ৪–২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করেছে মিসর। ৯২ বছর পর, এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠে আফ্রিকার দলটি। নকআউটে প্রথম জয়ও পেল তারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালে অন্যতম সেরা লিওনেল মেসি, গোলপোস্টের নিচে ‘চীনের প্রাচীর’ এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কথা বাদ দেন। দলের র্যাঙ্কিংয়ের হিসাবেও আর্জেন্টিনা (২ নম্বর) ও কেপ ভার্দের (৬৪ নম্বর) তুলনা চলে না। তবে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটিই বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর ম্যাচে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই অবিশ্বাস্য সব রূপকথা। এবার নিজেদের অভিষেকেই রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে। নকআউট খেলার রেকর্ড গড়েছে দেশটি।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানা তিন আসরের নকআউট ‘জুজু’ কাটিয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) দাপুটে ফুটবল খেলে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর বাধা টপকে রাজকীয়ভাবে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
০৩ জুলাই ২০২৬