স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ শুরুর আগেই খাদের কিনারায় ছিল উরুগুয়ে। সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করায় বিশ্বকাপে টিকে থাকতে স্পেনের বিরুদ্ধে অন্তত ড্র করতে হতো তাদের। কিন্তু অভিজ্ঞ গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরার এক মারাত্মক ভুলে গোল হজম করে হেরেই গেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মেক্সিকোর এস্তাদিও আকরন স্টেডিয়ামে শনিবারের ম্যাচে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনের ‘পজিশনাল প্লে’র বিপরীতে মার্সেলো বিয়েলসার উরুগুয়ে মাঠে নেমেছিল তাদের চিরচেনা হাই-প্রেসিং আর ‘গাররা চারুয়া’ কৌশল নিয়ে। স্পেনের আক্রমণ মাঝমাঠেই আটকে দিতে বিয়েলসা দল নামান প্রথাগত ৪-১-২-৩ ফরমেশনে। শুরু থেকেই তাঁর শিষ্যরা ম্যান-টু-ম্যান হাই প্রেসিংয়ে গিয়ে স্পেনের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারদের ওপর চড়াও হয়।
অন্যদিকে স্পেনও মাঠে নামে ৪-১-২-৩ ফরমেশনে। তাদের পরিকল্পনা ছিল দুই উইংয়ে ১৮ বছরের লামিনে ইয়ামাল এবং আলেক্স বায়েনাকে দিয়ে উরুগুয়ের ফুলব্যাকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। শুরু থেকে দুই দলই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেললেও কাঙ্ক্ষিত গোল আসছিল না।
এরই মধ্যে ম্যাচের ৪১তম মিনিটে উরুগুয়ের বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার জোরালো শট নেন স্পেনের আলেক্স বায়েনা। শটটিতে গতি থাকলেও ৩৮ বছর বয়সী গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার পক্ষে তা রুখে দেওয়া অসম্ভব ছিল না। কিন্তু বলের লাইন মিস করে বসেন এই গোলরক্ষক; তাঁর গ্লাভস গলে বল জড়ায় জালে।
পিছিয়ে পড়ে বিরতির পর মাঠে ফিরেই কৌশল বদলান উরুগুয়ের কোচ। গোলকিপার মুসলেরাকে তুলে তিনি নামান সার্জিও রচেতকে। একই সঙ্গে ফরোয়ার্ড লাইনে গতি বাড়াতে মিডফিল্ড থেকে একজন খেলোয়াড় তুলে নিয়ে উইঙ্গার যোগ করেন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে অল-আউট আক্রমণ চালায় উরুগুয়ে। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিং দুর্বলতায় গোল আর পাওয়া হয়নি তাদের। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে খেই হারিয়ে লাল কার্ড দেখেন উরুগুয়ের ক্যানোবিও।
স্পেনও অবশ্য বসে ছিল না। উরুগুয়ের আক্রমণ সামলে বেশ কয়েকবার বিপজ্জনক কাউন্টার-অ্যাটাক চালায় তারা। তবে বদলি গোলকিপার রচেতের দুর্দান্ত কিছু সেভে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্প্যানিশরা। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।
এই জয়ে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউটে উঠল স্পেন। আর রানারআপ হয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটের টিকিট কাটল কেপ ভার্দে।

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ শুরুর আগেই খাদের কিনারায় ছিল উরুগুয়ে। সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করায় বিশ্বকাপে টিকে থাকতে স্পেনের বিরুদ্ধে অন্তত ড্র করতে হতো তাদের। কিন্তু অভিজ্ঞ গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরার এক মারাত্মক ভুলে গোল হজম করে হেরেই গেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মেক্সিকোর এস্তাদিও আকরন স্টেডিয়ামে শনিবারের ম্যাচে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেনের ‘পজিশনাল প্লে’র বিপরীতে মার্সেলো বিয়েলসার উরুগুয়ে মাঠে নেমেছিল তাদের চিরচেনা হাই-প্রেসিং আর ‘গাররা চারুয়া’ কৌশল নিয়ে। স্পেনের আক্রমণ মাঝমাঠেই আটকে দিতে বিয়েলসা দল নামান প্রথাগত ৪-১-২-৩ ফরমেশনে। শুরু থেকেই তাঁর শিষ্যরা ম্যান-টু-ম্যান হাই প্রেসিংয়ে গিয়ে স্পেনের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারদের ওপর চড়াও হয়।
অন্যদিকে স্পেনও মাঠে নামে ৪-১-২-৩ ফরমেশনে। তাদের পরিকল্পনা ছিল দুই উইংয়ে ১৮ বছরের লামিনে ইয়ামাল এবং আলেক্স বায়েনাকে দিয়ে উরুগুয়ের ফুলব্যাকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। শুরু থেকে দুই দলই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেললেও কাঙ্ক্ষিত গোল আসছিল না।
এরই মধ্যে ম্যাচের ৪১তম মিনিটে উরুগুয়ের বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার জোরালো শট নেন স্পেনের আলেক্স বায়েনা। শটটিতে গতি থাকলেও ৩৮ বছর বয়সী গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার পক্ষে তা রুখে দেওয়া অসম্ভব ছিল না। কিন্তু বলের লাইন মিস করে বসেন এই গোলরক্ষক; তাঁর গ্লাভস গলে বল জড়ায় জালে।
পিছিয়ে পড়ে বিরতির পর মাঠে ফিরেই কৌশল বদলান উরুগুয়ের কোচ। গোলকিপার মুসলেরাকে তুলে তিনি নামান সার্জিও রচেতকে। একই সঙ্গে ফরোয়ার্ড লাইনে গতি বাড়াতে মিডফিল্ড থেকে একজন খেলোয়াড় তুলে নিয়ে উইঙ্গার যোগ করেন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে অল-আউট আক্রমণ চালায় উরুগুয়ে। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিং দুর্বলতায় গোল আর পাওয়া হয়নি তাদের। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে খেই হারিয়ে লাল কার্ড দেখেন উরুগুয়ের ক্যানোবিও।
স্পেনও অবশ্য বসে ছিল না। উরুগুয়ের আক্রমণ সামলে বেশ কয়েকবার বিপজ্জনক কাউন্টার-অ্যাটাক চালায় তারা। তবে বদলি গোলকিপার রচেতের দুর্দান্ত কিছু সেভে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্প্যানিশরা। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।
এই জয়ে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউটে উঠল স্পেন। আর রানারআপ হয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটের টিকিট কাটল কেপ ভার্দে।
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬