স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রতিপক্ষের ডিফেন্সলাইন ধরে হাঁটাহাঁটি। উল্লেখযোগ্য সময় অফসাইডে দাঁড়িয়ে থাকা। খেলায় প্রভাব রাখার মতো কিছুই করতে না পারা। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এমন ধারা দেখে ‘শেষ’ লিখে ফেলেছিলেন অনেকেই।
তবে সবাই যখন এভাবে চিন্তা করে সেটাই তো রোনালদোর নিজেকে চেনানোর ‘উপযুক্ত সময়’। ক্যারিয়ার জুড়ে অসংখ্যবার এই কাজ করেছেন। নাহলে ৪১ বছর পেরিয়েও ফুটবল মাঠে রাজত্ব করা যায়!
সব সমালোচনার জবাব তাই সিআরসেভেন দিলেন মাঠেই। গতকাল উজবেকিস্তানের জালে জোড়া গোল করে।
অথচ মাঠে নামার আগেও চলছিল সমালোচনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির পাশাপাশি বর্তমান তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ডরা যখন মাঠ কাঁপাচ্ছেন তখন রোনালদো কী করছেন তা নিয়ে চলছিল আলোচনা। প্রথম একাদশে তাঁকে মাঠে নামানো উচিত কিনা তা নিয়েও হয় কথা চালাচালি।
রোনালদোকে নিয়ে এই সমালোচনা শুরু হয় ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে পর্তুগাল ড্র করার পর থেকে। ম্যাচে একদমই নিষ্প্রভ ছিলেন রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট খেলে বল ছুঁতে পারেন মাত্র ২৫ বার, যা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের যেকোনো বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বনিম্ন। ছিল না উল্লেখ করার মতো একটা ঘটনাও।
ম্যাচ শেষে কঙ্গোর ডিফেন্ডার এনগালায়েল মুকাউ সরাসরিই বলেন, বয়সের কারণে খাটবার ক্ষমতা ফুরিয়ে গেছে রোনালদোর। তিনি আগের মতো খেলোয়াড়ও নেই।
বিবিসিতে ক্রিস সাটন রোনালদোকে ৯০ মিনিট খেলানোয় পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেসকে রীতিমতো ধুয়ে দেন।
তবে মাঠে নেমে রোনালদো সবাইকে জবাব দিতে নিলেন মাত্র ৬ মিনিট। প্রথমার্ধেই করেন জোড়া গোল। পরে আরও সুযোগ পেলেও উজবেক ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে হ্যাটট্রিকটা শুধু পাওয়া হয়নি। তবে এতেই বরাবরের মতো ওলটপালট হয়েছে রেকর্ড বুকে।
টানা ৬ বিশ্বকাপে গোল
গোল দূরে থাক ছয় বিশ্বকাপে খেলতেই পেরেছেন এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন। রোনালদো ছাড়া সেই আরেকটি নাম লিওনেল মেসি। তবে রোনালদোই পৃথিবীর একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ছয়টি বিশ্বকাপে গোল পেয়েছেন।
গতকালে ম্যাচে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬) গোল করার অতিমানবীয় ও অবিস্মরণীয় নজির গড়েন রোনালদো।
ইউরো ও বিশ্বকাপে জোড়া কীর্তি
ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপ এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে (ইউরো) ১০ বা তার বেশি গোল করার নজির ছিল না এত দিন। গতকাল সেই রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা
গতকালের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর গোলসংখ্যা এখন ১০। তিনি ছাড়িয়েছেন এতদিন বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা কিংবদন্তী ইউসেবিওকে।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে জোড়া গোল
বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে জোড়া গোল করার বিরল রেকর্ডও গড়েছেন পর্তুগিজ তারকা। এর আগে এই রেকর্ড ছিল লিওনেল মেসির। গত সোমবার রাতেই রেকর্ডটি করেছিলেন মেসি। ৪১ বছরের রোনালদোর কারণে রেকর্ডটি টিকল মাত্র দুই দিন।

প্রতিপক্ষের ডিফেন্সলাইন ধরে হাঁটাহাঁটি। উল্লেখযোগ্য সময় অফসাইডে দাঁড়িয়ে থাকা। খেলায় প্রভাব রাখার মতো কিছুই করতে না পারা। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এমন ধারা দেখে ‘শেষ’ লিখে ফেলেছিলেন অনেকেই।
তবে সবাই যখন এভাবে চিন্তা করে সেটাই তো রোনালদোর নিজেকে চেনানোর ‘উপযুক্ত সময়’। ক্যারিয়ার জুড়ে অসংখ্যবার এই কাজ করেছেন। নাহলে ৪১ বছর পেরিয়েও ফুটবল মাঠে রাজত্ব করা যায়!
সব সমালোচনার জবাব তাই সিআরসেভেন দিলেন মাঠেই। গতকাল উজবেকিস্তানের জালে জোড়া গোল করে।
অথচ মাঠে নামার আগেও চলছিল সমালোচনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির পাশাপাশি বর্তমান তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হলান্ডরা যখন মাঠ কাঁপাচ্ছেন তখন রোনালদো কী করছেন তা নিয়ে চলছিল আলোচনা। প্রথম একাদশে তাঁকে মাঠে নামানো উচিত কিনা তা নিয়েও হয় কথা চালাচালি।
রোনালদোকে নিয়ে এই সমালোচনা শুরু হয় ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে পর্তুগাল ড্র করার পর থেকে। ম্যাচে একদমই নিষ্প্রভ ছিলেন রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট খেলে বল ছুঁতে পারেন মাত্র ২৫ বার, যা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের যেকোনো বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বনিম্ন। ছিল না উল্লেখ করার মতো একটা ঘটনাও।
ম্যাচ শেষে কঙ্গোর ডিফেন্ডার এনগালায়েল মুকাউ সরাসরিই বলেন, বয়সের কারণে খাটবার ক্ষমতা ফুরিয়ে গেছে রোনালদোর। তিনি আগের মতো খেলোয়াড়ও নেই।
বিবিসিতে ক্রিস সাটন রোনালদোকে ৯০ মিনিট খেলানোয় পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেসকে রীতিমতো ধুয়ে দেন।
তবে মাঠে নেমে রোনালদো সবাইকে জবাব দিতে নিলেন মাত্র ৬ মিনিট। প্রথমার্ধেই করেন জোড়া গোল। পরে আরও সুযোগ পেলেও উজবেক ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে হ্যাটট্রিকটা শুধু পাওয়া হয়নি। তবে এতেই বরাবরের মতো ওলটপালট হয়েছে রেকর্ড বুকে।
টানা ৬ বিশ্বকাপে গোল
গোল দূরে থাক ছয় বিশ্বকাপে খেলতেই পেরেছেন এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন। রোনালদো ছাড়া সেই আরেকটি নাম লিওনেল মেসি। তবে রোনালদোই পৃথিবীর একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ছয়টি বিশ্বকাপে গোল পেয়েছেন।
গতকালে ম্যাচে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬) গোল করার অতিমানবীয় ও অবিস্মরণীয় নজির গড়েন রোনালদো।
ইউরো ও বিশ্বকাপে জোড়া কীর্তি
ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপ এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে (ইউরো) ১০ বা তার বেশি গোল করার নজির ছিল না এত দিন। গতকাল সেই রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা
গতকালের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর গোলসংখ্যা এখন ১০। তিনি ছাড়িয়েছেন এতদিন বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা কিংবদন্তী ইউসেবিওকে।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে জোড়া গোল
বয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে জোড়া গোল করার বিরল রেকর্ডও গড়েছেন পর্তুগিজ তারকা। এর আগে এই রেকর্ড ছিল লিওনেল মেসির। গত সোমবার রাতেই রেকর্ডটি করেছিলেন মেসি। ৪১ বছরের রোনালদোর কারণে রেকর্ডটি টিকল মাত্র দুই দিন।

আর্জেন্টিনা যদি ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে চায় এবং বিশ্বের তৃতীয় দল হিসেবে তা করতে পারে, তাহলে সেই কৃতিত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে যে আবারও লিওনেল মেসিই থাকবেন, তা প্রায় নিশ্চিত।
৩৮ মিনিট আগে
আফ্রিকার দেশ ঘানার অতি-রক্ষণাত্মক কৌশলে হোঁচট খেয়েছে চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার রাতে বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এল’-এর ম্যাচে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ‘থ্রি লায়ন্স’রা।
২ ঘণ্টা আগে
ডালাসে একটি গল্প প্রচলিত আছে। বলা হয়, টেক্সাস স্টেডিয়ামের (ডালাস শহরের ঠিক বাইরে) ছাদে একটি বিশাল ছিদ্র ছিল, যাতে ঈশ্বর তাঁর প্রিয় ফুটবল দলের খেলা দেখতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনা, লিওনেল মেসি ও তাঁর ভক্তদের জন্য ১৬ জুন একটি বিশেষ দিন। এই দিনে ফিফা বিশ্বকাপে অভিষেক করেছিলেন মেসি। দিনটি আরও এক কারণে স্মরণীয়। মেসি এই দিনে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৬ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে