বিশ্বকাপের নক্ষত্র–১০
স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবলে তারকা খেলোয়াড় মানেই গোল স্কোরার। মিডফিল্ডাররা মাঝেমধ্যে তারকাদের স্পটলাইটে ভাগ বসালেও ডিফেন্ডাররা রয়ে যান আড়ালেই। ফুটবলবোদ্ধারা বলেন, স্ট্রাইকাররা ম্যাচ জেতান, তবে টুর্নামেন্ট জেতায় ডিফেন্ডার। কিন্তু সাধারণ ফুটবল দর্শকেরা বরাবরই ডিফেন্ডারদের নিয়ে কম আগ্রহী।
তবে কিছু কিছু ডিফেন্ডার সেই বাধা অতিক্রম করে জনপ্রিয় তারকা হয়ে উঠতে পেরেছেন। নেদারল্যান্ডসের ভার্জিল ভ্যান ডাইক ফুটবল বিশ্বের তেমনই এক নাম। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডদের জন্য দুর্ভেদ্য প্রাচীর। এরিয়াল ডমিনেন্স বা শূন্যে বল দখলের লড়াইয়ে অনন্য। নিখুঁত ট্যাকলিংয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণ নস্যাৎ করাই যার রোজকার কাজ।
৩৪ বছর বয়সী এই ডাচ তারকা মূলত সেন্টার-ব্যাক পজিশনে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই ৪ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লিভারপুলের অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন। সতীর্থরা বলেন, মাঠের ভেতরে ভ্যান ডাইকের শান্ত মেজাজ ও শারীরিক ভাষা আত্মবিশ্বাস জোগায়।
লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এলিসন বেকারের মতে, উচ্চতার কারণে ভ্যান ডাইক মাঠে বাড়তি সুবিধা পান। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডরা তাঁর কাছাকাছি আসতে ভয় পায়।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডও তাঁকে শক্তিশালী, ক্ষিপ্র এবং অসাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনিও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভ্যান ডাইকের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলতে না পারাটা বড় দুর্ভাগ্যের বিষয়।
লিভারপুলের জার্সিতে ভ্যান ডাইক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ২০১৯-২০ মৌসুমে লিভারপুলকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন।
২০২৪-২৫ মৌসুমেও অলরেডদের লিগ শিরোপার স্বাদ দিয়েছেন। ক্লাবের হয়ে ২০১৮-১৯ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, উয়েফা সুপার কাপ, এফএ কাপ এবং একাধিক কারাবাও কাপ রয়েছে ভ্যান ডাইকের ঝুলিতে।
জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ৯০ ম্যাচে গোল করেছেন ১২টি। কত গোল অনায়াস মুন্সিয়ানায় রক্ষণভাগেই আটকে দিয়েছেন, তাঁর হিসাব অবশ্য নেই।
লিভারপুলের হয়ে ভ্যান ডাইক ৩৭৩ ম্যাচে ৩৬ গোলের পাশাপাশি করেছেন ১৬ অ্যাসিস্ট।
২০১৯ সালে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উয়েফা মেনস প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জেতেন ভ্যান ডাইক। একই বছর ব্যালন ডি’অরে মাত্র কয়েক ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

অনেক ফুটবলবোদ্ধার মতেই, সেবার ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বেশি যোগ্য ছিলেন ভ্যান ডাইক। ডিফেন্ডারদের ব্যালন ডি’অর না জেতার চিরাচরিত অভ্যাসের সমালোচনা করেন অনেকেই।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৮-১৯ মৌসুমে লিগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ভ্যান ডাইক। ২০১৯ সালে ট্রান্সফার মার্কেটের প্লেয়ার অব দ্য সিজনের খেতাবও পান তিনি।
ভ্যান ডাইকের আজকের এই রাজকীয় অবস্থানের পেছনের গল্প সহজ ছিল না। কিশোর বয়সে ডাচ ক্লাব উইলেম টু-এর একাডেমিতে খেলতেন। নিজের খরচ মেটাতে সেই সময় নেদারল্যান্ডসের স্থানীয় রেস্তোরাঁয় থালাবাসন ধোয়ার কাজ করতেন।
২০১২ সালে অ্যাপেন্ডিসাইটিস ফেটে গিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলেন। শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয়েছিল, নিজের উইল পর্যন্ত লিখে ফেলেছিলেন। সেই অসুস্থতা কাটিয়ে ফুটবলে আবার রাজসিক প্রত্যাবর্তন করেন।
দল কোয়ালিফাই করতে না পারায় ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলা হয়নি ভ্যান ডাইকের। এরপর কাতার বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ অভিষেক হয়। তাঁর নেতৃত্বে ডাচরা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল।
এবারের বিশ্বকাপ ভ্যান ডাইকের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। বয়সের হিসাবে নিশ্চিতভাবেই এটি তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। টোটাল ফুটবলের দেশ নেদারল্যান্ডসের সোনালি প্রজন্মের নেতা এখন ভ্যান ডাইক।
আরিয়েন রবেন ও রবিন ফন পার্সিদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তরুণদের নিয়ে তিনি বিশ্বমঞ্চে নামবেন। নেদারল্যান্ডসকে ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দেওয়ার গুরুদায়িত্ব এখন এই ডিফেন্ডারের কাঁধেই।
প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে টানা ৭০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড আছে ভ্যান ডাইকের। এ ছাড়া উয়েফার ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র নিখাদ ডিফেন্ডার হিসেবে বর্ষসেরা পুরস্কার জিতেছেন।

ফুটবলে তারকা খেলোয়াড় মানেই গোল স্কোরার। মিডফিল্ডাররা মাঝেমধ্যে তারকাদের স্পটলাইটে ভাগ বসালেও ডিফেন্ডাররা রয়ে যান আড়ালেই। ফুটবলবোদ্ধারা বলেন, স্ট্রাইকাররা ম্যাচ জেতান, তবে টুর্নামেন্ট জেতায় ডিফেন্ডার। কিন্তু সাধারণ ফুটবল দর্শকেরা বরাবরই ডিফেন্ডারদের নিয়ে কম আগ্রহী।
তবে কিছু কিছু ডিফেন্ডার সেই বাধা অতিক্রম করে জনপ্রিয় তারকা হয়ে উঠতে পেরেছেন। নেদারল্যান্ডসের ভার্জিল ভ্যান ডাইক ফুটবল বিশ্বের তেমনই এক নাম। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডদের জন্য দুর্ভেদ্য প্রাচীর। এরিয়াল ডমিনেন্স বা শূন্যে বল দখলের লড়াইয়ে অনন্য। নিখুঁত ট্যাকলিংয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণ নস্যাৎ করাই যার রোজকার কাজ।
৩৪ বছর বয়সী এই ডাচ তারকা মূলত সেন্টার-ব্যাক পজিশনে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই ৪ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লিভারপুলের অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন। সতীর্থরা বলেন, মাঠের ভেতরে ভ্যান ডাইকের শান্ত মেজাজ ও শারীরিক ভাষা আত্মবিশ্বাস জোগায়।
লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এলিসন বেকারের মতে, উচ্চতার কারণে ভ্যান ডাইক মাঠে বাড়তি সুবিধা পান। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডরা তাঁর কাছাকাছি আসতে ভয় পায়।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডও তাঁকে শক্তিশালী, ক্ষিপ্র এবং অসাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনিও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভ্যান ডাইকের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলতে না পারাটা বড় দুর্ভাগ্যের বিষয়।
লিভারপুলের জার্সিতে ভ্যান ডাইক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ২০১৯-২০ মৌসুমে লিভারপুলকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন।
২০২৪-২৫ মৌসুমেও অলরেডদের লিগ শিরোপার স্বাদ দিয়েছেন। ক্লাবের হয়ে ২০১৮-১৯ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, উয়েফা সুপার কাপ, এফএ কাপ এবং একাধিক কারাবাও কাপ রয়েছে ভ্যান ডাইকের ঝুলিতে।
জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ৯০ ম্যাচে গোল করেছেন ১২টি। কত গোল অনায়াস মুন্সিয়ানায় রক্ষণভাগেই আটকে দিয়েছেন, তাঁর হিসাব অবশ্য নেই।
লিভারপুলের হয়ে ভ্যান ডাইক ৩৭৩ ম্যাচে ৩৬ গোলের পাশাপাশি করেছেন ১৬ অ্যাসিস্ট।
২০১৯ সালে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উয়েফা মেনস প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জেতেন ভ্যান ডাইক। একই বছর ব্যালন ডি’অরে মাত্র কয়েক ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

অনেক ফুটবলবোদ্ধার মতেই, সেবার ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বেশি যোগ্য ছিলেন ভ্যান ডাইক। ডিফেন্ডারদের ব্যালন ডি’অর না জেতার চিরাচরিত অভ্যাসের সমালোচনা করেন অনেকেই।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৮-১৯ মৌসুমে লিগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ভ্যান ডাইক। ২০১৯ সালে ট্রান্সফার মার্কেটের প্লেয়ার অব দ্য সিজনের খেতাবও পান তিনি।
ভ্যান ডাইকের আজকের এই রাজকীয় অবস্থানের পেছনের গল্প সহজ ছিল না। কিশোর বয়সে ডাচ ক্লাব উইলেম টু-এর একাডেমিতে খেলতেন। নিজের খরচ মেটাতে সেই সময় নেদারল্যান্ডসের স্থানীয় রেস্তোরাঁয় থালাবাসন ধোয়ার কাজ করতেন।
২০১২ সালে অ্যাপেন্ডিসাইটিস ফেটে গিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলেন। শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয়েছিল, নিজের উইল পর্যন্ত লিখে ফেলেছিলেন। সেই অসুস্থতা কাটিয়ে ফুটবলে আবার রাজসিক প্রত্যাবর্তন করেন।
দল কোয়ালিফাই করতে না পারায় ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলা হয়নি ভ্যান ডাইকের। এরপর কাতার বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ অভিষেক হয়। তাঁর নেতৃত্বে ডাচরা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল।
এবারের বিশ্বকাপ ভ্যান ডাইকের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। বয়সের হিসাবে নিশ্চিতভাবেই এটি তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। টোটাল ফুটবলের দেশ নেদারল্যান্ডসের সোনালি প্রজন্মের নেতা এখন ভ্যান ডাইক।
আরিয়েন রবেন ও রবিন ফন পার্সিদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তরুণদের নিয়ে তিনি বিশ্বমঞ্চে নামবেন। নেদারল্যান্ডসকে ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দেওয়ার গুরুদায়িত্ব এখন এই ডিফেন্ডারের কাঁধেই।
প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে টানা ৭০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড আছে ভ্যান ডাইকের। এ ছাড়া উয়েফার ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র নিখাদ ডিফেন্ডার হিসেবে বর্ষসেরা পুরস্কার জিতেছেন।

টানা ৮ বার বিশ্বকাপে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশ জাপান। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে চমকে দেওয়া দলটি এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্যের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে স্পেন। দলে লা লিগার জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার জায়গা হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিশ্বকাপের কয়েক সপ্তাহ আগে লিওনেল মেসি ও এমিলিয়ানো মার্তিনেজের চোটের খবরে ধাক্কা খেয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলের দুই প্রধান তারকার ফিটনেস নিয়ে এখন চরম উদ্বেগে রয়েছেন ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের দল সান মারিনোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের জন্য জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলের ৩০ সদস্যর প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী ৫ জুন এই ম্যাচ হবে।
১১ ঘণ্টা আগে