স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের নাটকীয় সমাপ্তি শেষে বিদায় নিয়েছে ১৬ দল। প্রথমবারের মতো নকআউটে সুযোগ পাওয়া সাতটিসহ ৩২ দল নিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব থার্টি-টু (শেষ ৩২)।নকআউটের সেই চিরচেনা ‘বাঁচা-মরার’ লড়াইয়ের আগে চলুন জেনে নেওয়া যাক এবারের গ্রুপ পর্বের বড় চমক ও প্রত্যাবর্তনের গল্প।
এবারের আসরে ৩২-এর জায়গায় সুযোগ পেয়েছে ৪৮টি দল। বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ায় বিশ্বমঞ্চে দেখা মিলেছে নতুন দেশের। সব গাণিতিক হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে কোয়ালিফাই করেছে ৭টি দেশ।
কেপ ভার্দে
আফ্রিকা মহাদেশের এই দল এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ প্যাকেজ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গ্রুপ ‘এইচ’-এ সৌদি আরব এবং শক্তিশালী উরুগুয়েকে পেছনে ফেলে শেষ ৩২-এ সুযোগ পেয়েছে তারা। গ্রুপ পর্বে ৩ ম্যাচের সবকটি ড্র করে ২য় স্থানে থেকে তারা নকআউটের টিকিট পেয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা
এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও দক্ষিণ আফ্রিকা কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে পারেনি। এবারের আসরে গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউটে পা রাখল ‘বাফানা বাফানা’রা।
কানাডা
১৯৮৬ এবং ২০২২ আসরে অংশ নেওয়া কানাডা এর আগে কখনো গ্রুপ পর্বের ম্যাচে জয় পায়নি। এবার স্বাগতিক দেশ হিসেবে গ্রুপ ‘বি’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে তারা নকআউটে উঠেছে। গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ জয় তুলে নেয় দলটি। গ্রুপ পর্বের অন্য ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে হার আর বসনিয়ার সঙ্গে ড্র-তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।
মিসর
১৯৩৪, ১৯৯০ ও ২০১৮ আসরে অংশ নেওয়া মিসর এবারই প্রথম নকআউটে উঠল। গ্রুপ পর্বে ইরানের বিপক্ষে ১-১ ড্র, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ জয় এবং শক্তিশালী বেলজিয়ামকে ১-১ গোলে রুখে দেয় তারা। ফুটবল ভক্তদের আশা, সালাহর কাঁধে ভর করে নকআউতেও চমক বজায় রাখবে দলটি।
বসনিয়া
গ্রুপ ‘বি’-তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিল বসনিয়া। নতুন নিয়মে ১২ গ্রুপের সেরা আট তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের একটি হয়ে তারা রাউন্ড অব ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করেছে।
আইভরি কোস্ট
এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে আইভরি কোস্ট। তবে নকআউটের ভাগ্য হয়নি দলটির। তবে এবার গ্রুপ ‘ই’ থেকে ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ হিসেবে পরের রাউন্ডে পা রেখেছে ‘এলিফ্যান্টস’রা।
ডিআর কঙ্গো
নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপেই নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গো। গ্রুপ ‘কে’-তে ৪ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে ছিল তারা। পরে তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর তালিকায় সেরা আটে থেকে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে কঙ্গো।
কিছু কিছু কোয়ালিফিকেশন প্রজন্মের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটায়। এবারের বিশ্বকাপে এমন চারটি দল রয়েছে যারা দীর্ঘদিন পর আবার নকআউটে পা রেখেছে।
নরওয়ে
১৯৯৮ সালের পর আর কোনো বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পারা নরওয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেই বাজিমাত করেছে। আর্লিং হালান্ডের দল গ্রুপ ‘আই’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।
ইকুয়েডর
২০০৬ আসরের পর এই লাতিন আমেরিকার দেশটি আর নকআউটে খেলতে পারেনি। ২০ বছর আগে যে জার্মানিতে তাদের নকআউট উত্থান হয়েছিল, এবার সেই জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছে তারা। সেরা তৃতীয় দল হয়ে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করে ইকুয়েডর।
অস্ট্রিয়া
১৯৮২ সালে শেষবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব খেলেছিল অস্ট্রিয়া। নিজেদের সর্বশেষ বিশ্বকাপ ছিল ১৯৯৮ আসরে। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর এবার তারা ‘জে’ গ্রুপের রানার্স-আপ হয়ে নকআউট স্টেজে কোয়ালিফাই করেছে।
সেনেগাল
২০০২ সালের অভিষেক বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার পর দীর্ঘ ২৪ বছর নকআউটের মুখ দেখেনি সেনেগাল। এবার গ্রুপ ‘আই’ থেকে তৃতীয় হওয়া দলটি সেরা তৃতীয় দলগুলোর তালিকায় জায়গা পেয়ে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে।
নকআউটে ভুলের কোনো সুযোগ নেই। ৯০ মিনিট, অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারের ভাগ্য নির্ধারণী শটই ঠিক করে দেবে কারা বিশ্বজয়ের দৌড়ে টিকে থাকবে আর কাদের বিদায় নিতে হবে। পপকর্ন ও কোল্ড ড্রিংকস নিয়ে তৈরি হয়ে যান, আসল ফুটবল রোমাঞ্চ তো কেবল শুরু হলো!

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের নাটকীয় সমাপ্তি শেষে বিদায় নিয়েছে ১৬ দল। প্রথমবারের মতো নকআউটে সুযোগ পাওয়া সাতটিসহ ৩২ দল নিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব থার্টি-টু (শেষ ৩২)।নকআউটের সেই চিরচেনা ‘বাঁচা-মরার’ লড়াইয়ের আগে চলুন জেনে নেওয়া যাক এবারের গ্রুপ পর্বের বড় চমক ও প্রত্যাবর্তনের গল্প।
এবারের আসরে ৩২-এর জায়গায় সুযোগ পেয়েছে ৪৮টি দল। বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ায় বিশ্বমঞ্চে দেখা মিলেছে নতুন দেশের। সব গাণিতিক হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে কোয়ালিফাই করেছে ৭টি দেশ।
কেপ ভার্দে
আফ্রিকা মহাদেশের এই দল এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ প্যাকেজ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গ্রুপ ‘এইচ’-এ সৌদি আরব এবং শক্তিশালী উরুগুয়েকে পেছনে ফেলে শেষ ৩২-এ সুযোগ পেয়েছে তারা। গ্রুপ পর্বে ৩ ম্যাচের সবকটি ড্র করে ২য় স্থানে থেকে তারা নকআউটের টিকিট পেয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা
এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও দক্ষিণ আফ্রিকা কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে পারেনি। এবারের আসরে গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউটে পা রাখল ‘বাফানা বাফানা’রা।
কানাডা
১৯৮৬ এবং ২০২২ আসরে অংশ নেওয়া কানাডা এর আগে কখনো গ্রুপ পর্বের ম্যাচে জয় পায়নি। এবার স্বাগতিক দেশ হিসেবে গ্রুপ ‘বি’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে তারা নকআউটে উঠেছে। গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ জয় তুলে নেয় দলটি। গ্রুপ পর্বের অন্য ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে হার আর বসনিয়ার সঙ্গে ড্র-তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।
মিসর
১৯৩৪, ১৯৯০ ও ২০১৮ আসরে অংশ নেওয়া মিসর এবারই প্রথম নকআউটে উঠল। গ্রুপ পর্বে ইরানের বিপক্ষে ১-১ ড্র, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ জয় এবং শক্তিশালী বেলজিয়ামকে ১-১ গোলে রুখে দেয় তারা। ফুটবল ভক্তদের আশা, সালাহর কাঁধে ভর করে নকআউতেও চমক বজায় রাখবে দলটি।
বসনিয়া
গ্রুপ ‘বি’-তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিল বসনিয়া। নতুন নিয়মে ১২ গ্রুপের সেরা আট তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের একটি হয়ে তারা রাউন্ড অব ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করেছে।
আইভরি কোস্ট
এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে আইভরি কোস্ট। তবে নকআউটের ভাগ্য হয়নি দলটির। তবে এবার গ্রুপ ‘ই’ থেকে ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ হিসেবে পরের রাউন্ডে পা রেখেছে ‘এলিফ্যান্টস’রা।
ডিআর কঙ্গো
নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপেই নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গো। গ্রুপ ‘কে’-তে ৪ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে ছিল তারা। পরে তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর তালিকায় সেরা আটে থেকে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে কঙ্গো।
কিছু কিছু কোয়ালিফিকেশন প্রজন্মের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটায়। এবারের বিশ্বকাপে এমন চারটি দল রয়েছে যারা দীর্ঘদিন পর আবার নকআউটে পা রেখেছে।
নরওয়ে
১৯৯৮ সালের পর আর কোনো বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পারা নরওয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেই বাজিমাত করেছে। আর্লিং হালান্ডের দল গ্রুপ ‘আই’ থেকে রানার্স-আপ হয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।
ইকুয়েডর
২০০৬ আসরের পর এই লাতিন আমেরিকার দেশটি আর নকআউটে খেলতে পারেনি। ২০ বছর আগে যে জার্মানিতে তাদের নকআউট উত্থান হয়েছিল, এবার সেই জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছে তারা। সেরা তৃতীয় দল হয়ে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করে ইকুয়েডর।
অস্ট্রিয়া
১৯৮২ সালে শেষবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব খেলেছিল অস্ট্রিয়া। নিজেদের সর্বশেষ বিশ্বকাপ ছিল ১৯৯৮ আসরে। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর এবার তারা ‘জে’ গ্রুপের রানার্স-আপ হয়ে নকআউট স্টেজে কোয়ালিফাই করেছে।
সেনেগাল
২০০২ সালের অভিষেক বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার পর দীর্ঘ ২৪ বছর নকআউটের মুখ দেখেনি সেনেগাল। এবার গ্রুপ ‘আই’ থেকে তৃতীয় হওয়া দলটি সেরা তৃতীয় দলগুলোর তালিকায় জায়গা পেয়ে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে।
নকআউটে ভুলের কোনো সুযোগ নেই। ৯০ মিনিট, অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারের ভাগ্য নির্ধারণী শটই ঠিক করে দেবে কারা বিশ্বজয়ের দৌড়ে টিকে থাকবে আর কাদের বিদায় নিতে হবে। পপকর্ন ও কোল্ড ড্রিংকস নিয়ে তৈরি হয়ে যান, আসল ফুটবল রোমাঞ্চ তো কেবল শুরু হলো!
.png)

ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নেওয়া বাংলাদেশ এখনো স্বাগতিকদের চেয়ে ৬৭ রানে এগিয়ে রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়। তানজিদ হা
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় বাংলাদেশ। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে হাসান মাহমুদের পেসে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম সেশনেও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ৮ উইকেটে ৪১৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ২১৯ রানের বিশাল লিড পেয়েছে সফরকারীরা। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে স্বাগতিক পেসারদের বাউন্স ও সুইং সামলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্য প্রথম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ তামিম। এটি তাঁরও প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। নিজের এ অর্জন মা-বাবাকে উৎসর্গ করেছেন তামিম।
১৪ আগস্ট ২০২৬