স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি ও মেডেলের চেনা দৃশ্যপটে এবার যোগ হতে যাচ্ছে হিরে-জহরত খচিত ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। আগামী রোববার ফাইনাল শেষে বিশ্বজয়ীদের আঙুলে শোভা পাবে ঐতিহাসিক এই আংটি।
বিশ্বকাপ জয় মানেই সোনালি ট্রফিতে চুমু আঁকা আর গলায় চকচকে সোনার মেডেল ঝুলিয়ে উল্লাস করা। যুগ যুগ ধরে ফুটবল সমর্থকেরা তো এমন দৃশ্যই দেখে আসছেন। তবে এবার ট্রফি ও মেডেলের পাশাপাশি নতুন এই রোমাঞ্চকর চমক নিয়ে আসছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, যা ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
আমেরিকার বাস্কেটবল বা আমেরিকান ফুটবলের সেই ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’–এর সংস্কৃতি এবার দেখা যাবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে। আগামী রোববার (২০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের ঐতিহাসিক ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।
ফিফা জানিয়েছে, এই আংটি কোনো সাধারণ স্মারক নয়; এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাস, আভিজাত্য আর শৈল্পিক নকশার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এই আংটির দুই পিঠে থাকবে দুটি ভিন্ন গল্প। এর এক পাশে নিখুঁতভাবে খোদাই করা থাকবে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি। অন্য পাশে বিজয়ী দলের নিজস্ব ঐতিহ্য, লোগো ও পরিচয় খোদাই করার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে।
আংটির ক্ষেত্রে তো নিখুঁত মাপের প্রয়োজন, এ ক্ষেত্রে ফিফা কী করবে—এমন প্রশ্ন আসতেই পারে। উত্তরটা বেশ সহজ। ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের প্রতিটি খেলোয়াড় ও কোচের আঙুলের নিখুঁত মাপ নেওয়া হবে এবং সেই অনুযায়ী সম্পূর্ণ কাস্টমাইজড বা বিশেষভাবে তৈরি করা হবে ৩০টি বিশেষ আংটি। প্রতিটি আংটির সঙ্গে বিজয়ী খেলোয়াড়েরা পাবেন আসল পণ্যের অফিশিয়াল সনদ।
ফিফার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্বকাপের বছরের সঙ্গে মিল রেখেই ২ হাজার ২৬টি বিশেষ স্মারক আংটি তৈরি করবে ফিফা।
এর মধ্যে ৩০টি আংটি পাবেন বিশ্বজয়ী দলের খেলোয়াড় ও প্রধান কোচ। বাকি ১ হাজার ৯৯৬টি আংটি উন্মুক্ত থাকবে সব ফুটবলপ্রেমীর জন্য। ফিফার অফিশিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্মারক হিসেবে সমর্থকেরাও চাইলে সংগ্রহ করতে পারবেন এই সীমিত সংস্করণের আংটি।
ফাইনালের রাতেই অবশ্য চূড়ান্ত আংটি দেওয়া হবে না। ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে শুধু প্রতীকী দুটি আংটি পরানো হবে। পরবর্তী সময়ে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের হাতে পৌঁছে যাবে মূল আংটি।
এখন অপেক্ষা শুধু রোববারের ফাইনালের। আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, কাদের হাতে উঠবে ট্রফির সঙ্গে ইতিহাসের এই বিশেষ স্মারক আংটি?

বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি ও মেডেলের চেনা দৃশ্যপটে এবার যোগ হতে যাচ্ছে হিরে-জহরত খচিত ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। আগামী রোববার ফাইনাল শেষে বিশ্বজয়ীদের আঙুলে শোভা পাবে ঐতিহাসিক এই আংটি।
বিশ্বকাপ জয় মানেই সোনালি ট্রফিতে চুমু আঁকা আর গলায় চকচকে সোনার মেডেল ঝুলিয়ে উল্লাস করা। যুগ যুগ ধরে ফুটবল সমর্থকেরা তো এমন দৃশ্যই দেখে আসছেন। তবে এবার ট্রফি ও মেডেলের পাশাপাশি নতুন এই রোমাঞ্চকর চমক নিয়ে আসছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, যা ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
আমেরিকার বাস্কেটবল বা আমেরিকান ফুটবলের সেই ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’–এর সংস্কৃতি এবার দেখা যাবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে। আগামী রোববার (২০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের ঐতিহাসিক ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।
ফিফা জানিয়েছে, এই আংটি কোনো সাধারণ স্মারক নয়; এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাস, আভিজাত্য আর শৈল্পিক নকশার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এই আংটির দুই পিঠে থাকবে দুটি ভিন্ন গল্প। এর এক পাশে নিখুঁতভাবে খোদাই করা থাকবে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি। অন্য পাশে বিজয়ী দলের নিজস্ব ঐতিহ্য, লোগো ও পরিচয় খোদাই করার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে।
আংটির ক্ষেত্রে তো নিখুঁত মাপের প্রয়োজন, এ ক্ষেত্রে ফিফা কী করবে—এমন প্রশ্ন আসতেই পারে। উত্তরটা বেশ সহজ। ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের প্রতিটি খেলোয়াড় ও কোচের আঙুলের নিখুঁত মাপ নেওয়া হবে এবং সেই অনুযায়ী সম্পূর্ণ কাস্টমাইজড বা বিশেষভাবে তৈরি করা হবে ৩০টি বিশেষ আংটি। প্রতিটি আংটির সঙ্গে বিজয়ী খেলোয়াড়েরা পাবেন আসল পণ্যের অফিশিয়াল সনদ।
ফিফার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্বকাপের বছরের সঙ্গে মিল রেখেই ২ হাজার ২৬টি বিশেষ স্মারক আংটি তৈরি করবে ফিফা।
এর মধ্যে ৩০টি আংটি পাবেন বিশ্বজয়ী দলের খেলোয়াড় ও প্রধান কোচ। বাকি ১ হাজার ৯৯৬টি আংটি উন্মুক্ত থাকবে সব ফুটবলপ্রেমীর জন্য। ফিফার অফিশিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্মারক হিসেবে সমর্থকেরাও চাইলে সংগ্রহ করতে পারবেন এই সীমিত সংস্করণের আংটি।
ফাইনালের রাতেই অবশ্য চূড়ান্ত আংটি দেওয়া হবে না। ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে শুধু প্রতীকী দুটি আংটি পরানো হবে। পরবর্তী সময়ে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের হাতে পৌঁছে যাবে মূল আংটি।
এখন অপেক্ষা শুধু রোববারের ফাইনালের। আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, কাদের হাতে উঠবে ট্রফির সঙ্গে ইতিহাসের এই বিশেষ স্মারক আংটি?

হিন্দি সিনেমা ‘হেরা ফেরি’র সেই বিখ্যাত ডায়লগটা মনে আছে? ‘দেনে ওয়ালা যাব ভি দেতা, দেতা ছাপ্পাড় ফাড়কে’ (দেনে ওয়ালা যখন দেন, একেবারে উজাড় করেই দেন)। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের দিকে তাকালে এই কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।
১৫ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর মেসির গোলসংখ্যা সমান। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। অথচ আজকের ম্যাচে কোনো গোল পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
২০ ঘণ্টা আগে
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ গড়িয়েছে প্রায় ৬০ বছরে। ফুটবল বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দুই দেশ। এবারের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আগে এক চোট কথার লড়াইও হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উদযাপনের সময় বিরোধপূর্ণ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। এ ঘটনায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে দেশটি। খবর বিবিসির।
১৬ জুলাই ২০২৬