স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর মেসির গোলসংখ্যা সমান। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। অথচ আজকের ম্যাচে কোনো গোল পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাহলে এগিয়ে গেলেন কী করে? এগিয়ে গেছেন আসলে অ্যাসিস্ট সংখ্যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জোড়া অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। এতে পেছনে পড়ে গেছেন ফরাসি তারকা এমবাপ্পে।
গতকাল রাতে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে নিজে গোল না পেলেও, ৮৫ ও যোগ করা সময়ের (৯০+২ মিনিট) দুটি গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন মেসি। তার দুই পাস থেকেই গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।
ফিফার গোল্ডেন বুটের টাইব্রেকার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্ট। সেই হিসেবে চলতি বিশ্বকাপে মেসি ও এমবাপ্পে দুজনেরই গোল ৮টি হলেও অ্যাসিস্টে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অ্যাসিস্ট ৪টি, আর এমবাপ্পের ৩টি। এই ব্যবধানেই আপাতত গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন মেসি।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট— দুই সূচকেই সমতা থাকে, তাহলে মাঠে কম সময় খেলা ফুটবলারকে এগিয়ে রাখে ফিফা। অর্থাৎ, কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়ই জিতবেন গোল্ডেন বুট।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও শীর্ষে আছেন মেসি। তার গোলসংখ্যা ২১। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমবাপ্পের গোল ২০। এরপর ১৬ গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা এবং ১৫ গোল নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।
তবে গোল্ডেন বুটের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে এই সপ্তাহের শেষেই। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবেন এমবাপ্পে। অন্যদিকে সোমবার (২০ জুলাই) স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবেন মেসি।
অবশ্য লড়াইটা শুধু এই দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ৬ গোল করে এখনো দৌড়ে আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন। তাদের সামনে রয়েছে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ।

চলতি বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর মেসির গোলসংখ্যা সমান। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। অথচ আজকের ম্যাচে কোনো গোল পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাহলে এগিয়ে গেলেন কী করে? এগিয়ে গেছেন আসলে অ্যাসিস্ট সংখ্যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জোড়া অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। এতে পেছনে পড়ে গেছেন ফরাসি তারকা এমবাপ্পে।
গতকাল রাতে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে নিজে গোল না পেলেও, ৮৫ ও যোগ করা সময়ের (৯০+২ মিনিট) দুটি গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন মেসি। তার দুই পাস থেকেই গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।
ফিফার গোল্ডেন বুটের টাইব্রেকার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্ট। সেই হিসেবে চলতি বিশ্বকাপে মেসি ও এমবাপ্পে দুজনেরই গোল ৮টি হলেও অ্যাসিস্টে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অ্যাসিস্ট ৪টি, আর এমবাপ্পের ৩টি। এই ব্যবধানেই আপাতত গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন মেসি।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট— দুই সূচকেই সমতা থাকে, তাহলে মাঠে কম সময় খেলা ফুটবলারকে এগিয়ে রাখে ফিফা। অর্থাৎ, কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়ই জিতবেন গোল্ডেন বুট।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও শীর্ষে আছেন মেসি। তার গোলসংখ্যা ২১। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমবাপ্পের গোল ২০। এরপর ১৬ গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা এবং ১৫ গোল নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।
তবে গোল্ডেন বুটের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে এই সপ্তাহের শেষেই। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবেন এমবাপ্পে। অন্যদিকে সোমবার (২০ জুলাই) স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবেন মেসি।
অবশ্য লড়াইটা শুধু এই দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ৬ গোল করে এখনো দৌড়ে আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন। তাদের সামনে রয়েছে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ।

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ গড়িয়েছে প্রায় ৬০ বছরে। ফুটবল বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দুই দেশ। এবারের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আগে এক চোট কথার লড়াইও হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উদযাপনের সময় বিরোধপূর্ণ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। এ ঘটনায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে দেশটি। খবর বিবিসির।
৭ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ছিল ইংল্যান্ডের হাতেই। আটলান্টার গ্যালারিতে তখন ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় ইংলিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। তবে শেষ কয়েক মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের গল্প। লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।
১০ ঘণ্টা আগে
এই জার্সির পেছনে রয়েছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ খ্যাত শতাব্দী সেরা গোলের অনন্য ইতিহাস। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক চালও বটে।
২১ ঘণ্টা আগে