ad

মাঠে ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ নিয়ে ব্যানার, ফিফা কী সাজা দেবে আর্জেন্টিনাকে

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

খেলা শেষে ব্যানার প্রদর্শন করে আর্জেন্টিনা দল। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উদযাপনের সময় বিরোধপূর্ণ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। এ ঘটনায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে দেশটি। খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় সেমিফাইনালে শেষ মুহূর্তের দুই গোলে ইংল্যান্ডকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়েরা ‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করে। এর অর্থ, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’।

দক্ষিণ-পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিরোধ চলছে। ১৯৮২ সালে এটিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়। এতে আর্জেন্টিনার ৬৫৫ জন এবং যুক্তরাজ্যের ২৫৫ জন সেনাসদস্য নিহত হন। এ নিয়ে দুই দেশের বিরোধ আর কাটেনি।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। খেলায় জেতার পর আর্জেন্টিনা দল এমন একটি ব্যানার দেখিয়েছে, যা ফিফার আইনে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

এর আগে ফিফা একই ধরনের ঘটনার জন্য আর্জেন্টিনাকে শাস্তি দিয়েছিল। ২০১৪ সালে স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের আগে একই বার্তাসংবলিত ব্যানার প্রদর্শন করে আর্জেন্টিনা। তখন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হয়। সে সময় ফিফা বলেছিল, ওই পদক্ষেপ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।

ফিফার আইনকে অবশ্য বিশেষ পাত্তা দিচ্ছেন না আর্জেন্টাইনরা। সেমিফাইনালে জয়ের পর দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়াররুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, এটি শুধু আরেকটি ম্যাচ ছিল না।

আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার। তারা স্টেডিয়ামে এগুলো আনা নিষিদ্ধ করেছে, কিন্তু ভুলে গেছে যে আমরা এগুলোকে আমাদের রক্তে এবং আমাদের হৃদয়ে বহন করি।

ম্যাচের আগে ভিয়াররুয়েল বলেছিলেন, এই সেমিফাইনাল ছিল আগ্রাসনকারীদের তাদের জায়গা দেখিয়ে দেওয়ার লড়াই।

তবে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি ম্যাচের আগে ফুটবল ও রাজনীতিকে আলাদা রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, এটি একটি ফুটবল ম্যাচ এবং অতীতের দুঃখজনক ইতিহাসের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ফুটবলকে রাজনীতির সঙ্গে মেলাতে চান না। তাঁর বলেন, যুদ্ধ সব সময়ই সমালোচনার বিষয়, তবে ফুটবল ও রাজনীতিকে এক করে দেখা উচিত নয়।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত