স্পোর্টস ডেস্ক

হিন্দি সিনেমা ‘হেরা ফেরি’র সেই বিখ্যাত ডায়লগটা মনে আছে? ‘দেনে ওয়ালা যাব ভি দেতা, দেতা ছাপ্পাড় ফাড়কে’ (দেনে ওয়ালা যখন দেন, একেবারে উজাড় করেই দেন)। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের দিকে তাকালে এই কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।
দীর্ঘ ৩৬ বছরের শিরোপা খরা। সেই ১৯৮৬ সাল থেকে কত চোখের জল, কত না-পাওয়ার আক্ষেপ! ২০১৪ বিশ্বকাপে মারাকানায় ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির কাছে সেই হৃদয়ভাঙা হার, কিংবা ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে মেসির সেই অভিমানী অবসর—সব মিলিয়ে চরম হতাশার গল্প। কিন্তু গল্পটা ওখানে শেষ হওয়ার ছিল না। মেসি ফিরলেন, আর স্কালোনির হাত ধরে শুরু হলো এক রূপকথার যাত্রা।
২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে শুরু, এরপর ২০২২-এ ‘ফিনালিসিমা’র মুকুট, আর সবশেষে ২০২২ সালের সেই মহাকাব্যিক বিশ্বকাপ জয়। নিয়তি যেন এত দিনের সব বঞ্চনা সুদে-আসলে মিটিয়ে দিতেই নিজের ভাণ্ডার উজাড় করে দিল মেসিদের জন্য।
বুধবার (১৫ জুলাই) ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে আরেক ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। রোববার (১৯ জুলাই) ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে জিতলে ৬৪ বছর পর প্রথম কোনো দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয় ট্রফি জয়ের গৌরব অর্জন করবে তারা। জিততে পারলে ফুটবল ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দেশ হিসেবে এই কীর্তি গড়বে মেসিবাহিনী।
এর আগে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে কেবল ইতালি ও ব্রাজিল এই ‘ব্যাক-টু-ব্যাক’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১৯৩৪ সালে কোচ ভিত্তোরিও পোজোর অধীনে ঘরের মাঠে চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম ট্রফি জেতার পর ১৯৩৮-এ হাঙ্গেরিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুবার শিরোপা নিজের ঘরে তুলেছিল ইতালি।
এরপর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে পেলের জাদুতে টানা দুবার ট্রফি ঘরে তুলেছিল ব্রাজিল। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে আয়োজক সুইডেনকে ৫-২ ব্যবধানে হারায় ব্রাজিল। ১৯৬২ সালে পেলে ইনজুরিতে পড়লেও গারিঞ্চার নৈপুণ্যে চেকোস্লোভাকিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে ব্রাজিল।
১৯৬২ সালের পর দীর্ঘ ৬৪ বছর কেটে গেলেও ফুটবলবিশ্ব আর কোনো ব্যাক-টু-ব্যাক চ্যাম্পিয়ন দেখেনি।
অতীতে এই রেকর্ডের খুব কাছে গিয়েও শেষ ধাপে হোঁচট খেয়েছে অনেক দেশ। ১৯৮৬ সালের বিশ্বজয়ী আর্জেন্টিনা ১৯৯০-এ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯৪ সালের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ১৯৯৮-এ ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হেরে।
আর সবশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ২০১৮ সালের বিশ্বজয়ী ফ্রান্স ফাইনালে এই আর্জেন্টিনার কাছেই টাইব্রেকারে হেরে টানা দ্বিতীয় শিরোপার সুযোগ হারায়।
রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লিওনেল মেসির দল মাঠে নামবে ইতিহাসের তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের মহাকাব্য রচনার স্বপ্ন নিয়ে।

হিন্দি সিনেমা ‘হেরা ফেরি’র সেই বিখ্যাত ডায়লগটা মনে আছে? ‘দেনে ওয়ালা যাব ভি দেতা, দেতা ছাপ্পাড় ফাড়কে’ (দেনে ওয়ালা যখন দেন, একেবারে উজাড় করেই দেন)। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের দিকে তাকালে এই কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।
দীর্ঘ ৩৬ বছরের শিরোপা খরা। সেই ১৯৮৬ সাল থেকে কত চোখের জল, কত না-পাওয়ার আক্ষেপ! ২০১৪ বিশ্বকাপে মারাকানায় ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির কাছে সেই হৃদয়ভাঙা হার, কিংবা ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে মেসির সেই অভিমানী অবসর—সব মিলিয়ে চরম হতাশার গল্প। কিন্তু গল্পটা ওখানে শেষ হওয়ার ছিল না। মেসি ফিরলেন, আর স্কালোনির হাত ধরে শুরু হলো এক রূপকথার যাত্রা।
২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে শুরু, এরপর ২০২২-এ ‘ফিনালিসিমা’র মুকুট, আর সবশেষে ২০২২ সালের সেই মহাকাব্যিক বিশ্বকাপ জয়। নিয়তি যেন এত দিনের সব বঞ্চনা সুদে-আসলে মিটিয়ে দিতেই নিজের ভাণ্ডার উজাড় করে দিল মেসিদের জন্য।
বুধবার (১৫ জুলাই) ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে আরেক ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। রোববার (১৯ জুলাই) ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে জিতলে ৬৪ বছর পর প্রথম কোনো দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয় ট্রফি জয়ের গৌরব অর্জন করবে তারা। জিততে পারলে ফুটবল ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দেশ হিসেবে এই কীর্তি গড়বে মেসিবাহিনী।
এর আগে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে কেবল ইতালি ও ব্রাজিল এই ‘ব্যাক-টু-ব্যাক’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১৯৩৪ সালে কোচ ভিত্তোরিও পোজোর অধীনে ঘরের মাঠে চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম ট্রফি জেতার পর ১৯৩৮-এ হাঙ্গেরিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুবার শিরোপা নিজের ঘরে তুলেছিল ইতালি।
এরপর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে পেলের জাদুতে টানা দুবার ট্রফি ঘরে তুলেছিল ব্রাজিল। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে আয়োজক সুইডেনকে ৫-২ ব্যবধানে হারায় ব্রাজিল। ১৯৬২ সালে পেলে ইনজুরিতে পড়লেও গারিঞ্চার নৈপুণ্যে চেকোস্লোভাকিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে ব্রাজিল।
১৯৬২ সালের পর দীর্ঘ ৬৪ বছর কেটে গেলেও ফুটবলবিশ্ব আর কোনো ব্যাক-টু-ব্যাক চ্যাম্পিয়ন দেখেনি।
অতীতে এই রেকর্ডের খুব কাছে গিয়েও শেষ ধাপে হোঁচট খেয়েছে অনেক দেশ। ১৯৮৬ সালের বিশ্বজয়ী আর্জেন্টিনা ১৯৯০-এ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯৪ সালের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ১৯৯৮-এ ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হেরে।
আর সবশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ২০১৮ সালের বিশ্বজয়ী ফ্রান্স ফাইনালে এই আর্জেন্টিনার কাছেই টাইব্রেকারে হেরে টানা দ্বিতীয় শিরোপার সুযোগ হারায়।
রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লিওনেল মেসির দল মাঠে নামবে ইতিহাসের তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের মহাকাব্য রচনার স্বপ্ন নিয়ে।

চলতি বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর মেসির গোলসংখ্যা সমান। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। অথচ আজকের ম্যাচে কোনো গোল পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
৬ ঘণ্টা আগে
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ গড়িয়েছে প্রায় ৬০ বছরে। ফুটবল বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দুই দেশ। এবারের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আগে এক চোট কথার লড়াইও হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উদযাপনের সময় বিরোধপূর্ণ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। এ ঘটনায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে দেশটি। খবর বিবিসির।
১২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ছিল ইংল্যান্ডের হাতেই। আটলান্টার গ্যালারিতে তখন ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় ইংলিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। তবে শেষ কয়েক মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের গল্প। লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।
১৫ ঘণ্টা আগে