leadT1ad

‘আক্রমণাত্মক’ অস্ট্রিয়ার সামনে আর্জেন্টিনা, একাদশে বদল এক

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

স্ট্রিম গ্রাফিক

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’র দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া লিওনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ আজ ইউরোপের দল অস্ট্রিয়া। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।

প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ায় উভয় দলেরই পয়েন্ট তিন। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় এখন গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয় পেলে নকআউট পর্বের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে লিওনেল স্কালোনির দল। গ্রুপের অন্য ম্যাচের ফল অনুকূলে এলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই দ্বিতীয় রাউন্ডও নিশ্চিত হতে পারে আলবিসেলেস্তেদের।

কাগজে-কলমে আজকের ম্যাচের স্পষ্ট ফেবারিট আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে মুগ্ধ হয়েছে ফুটবল বিশ্ব। মাঝমাঠে রদ্রিগো ডি পল, এঞ্জো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের নিয়ন্ত্রণে আর্জেন্টিনা খেলেছে নিজেদের চেনা ছন্দে। তবে প্রতিপক্ষকে নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ স্কালোনি।

ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টাইন কোচ বলেছেন, অস্ট্রিয়ার বেশ কয়েকজন দারুণ ফুটবলার আছে। তারা হাই-প্রেসিং ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। তাই ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না।

স্কালোনির এই সতর্কতার পেছনে বড় কারণ অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিকের কৌশল। আধুনিক ফুটবলে ‘গেগেনপ্রেসিং’ বা উচ্চচাপের ফুটবলের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রিয়া কোচ। প্রতিপক্ষ বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই আক্রমণাত্মক প্রেসিংয়ের মাধ্যমে বল পুনরুদ্ধার করার কৌশলই গেগেনপ্রেসিং। প্রথম ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে সেই ফুটবলের কার্যকারিতা দেখা গেছে। মাইকেল গ্রেগোরিচ, ক্রিস্টোফ বাউমগার্টনার ও মার্সেল সাবিৎজারদের নিয়ে গড়া অস্ট্রিয়ার আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের রক্ষণে বারবার চাপ তৈরি করেছে। একই কৌশল আজও প্রয়োগ করতে চাইবে ইউরোপের দলটি।

পরিসংখ্যান অবশ্য আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলছে। যদিও এবারই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দেখা হচ্ছে দুই দলের। এর আগে সর্বশেষ ১৯৯০ সালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। মোট তিনটি প্রীতি ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুই দলের জয় একটি করে, অন্যটি ড্র হয়েছে।

একাদশে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই আর্জেন্টিনার। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে গঞ্জালো মন্টিয়েলের পরিবর্তে নাহুয়েল মোলিনাকে দেখা যেতে পারে শুরুর একাদশে। বাকি দল প্রায় অপরিবর্তিত রাখারই ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কালোনি।

ফেবারিট আর্জেন্টিনা। কিন্তু ফুটবল সব সময় সমীকরণ মেনে চলে না। রাংনিকের দমবন্ধ করা প্রেসিংয়ের বিপক্ষে স্কালোনির বল নিয়ন্ত্রণভিত্তিক ফুটবলের লড়াই ম্যাচটিকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা। ডালাসে তাই আজ শুধু মেসি কিংবা আলাবাদের ব্যক্তিগত লড়াই নয়, মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনও। সেই লড়াইয়ে কে হাসবে শেষ হাসি, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

Ad 300x250

সম্পর্কিত