স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের দেওয়া ১০৯ রানের লক্ষ্য মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় অজিরা।
এর আগে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুতেই ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (১)। একই ওভারের শেষ বলে সাইফ হাসান শূন্য রানে সাজঘরে ফিরলে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এরপর শুরু হয় ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল। ১ রান করতে ১৩ বল খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে টাইগাররা।
এরপর ৮ বলে ৬ রান করে অ্যাডাম জাম্পার নিচু হওয়া বলে বোল্ড হন নুরুল হাসান সোহান এবং শূন্য রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। রিশাদ হোসেন ২০ বলে ২৬ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দলের ১১ জন ব্যাটারের ৯ জনই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন।
একপ্রান্তে সতীর্থদের যাওয়া-আসার মিছিল চললেও অন্যপ্রান্তে লড়াই করেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ৪ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি তুলে নেন। তাঁর ৫১ বল খেলে ৩ চার ও ৩ ছক্কার সাহায্যে ৬১ রানের ইনিংসে স্কোরবোর্ডে ১০৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
১১০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝোড়ো সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে জশ ইংলিস ও মিচেল মার্শ মিলে তোলেন ৫৫ রান। নাসুম আহমেদের বলে ১৬ বলে ১৭ রান করা ইংলিস ফিরলেও ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কার সাহায্যে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। দলীয় ৮৮ রানে শরিফুলের বলে তিনি সাজঘরে ফেরেন। এরপর কুপার কনোলিকে (১৫) রিশাদ হোসেন আউট করলেও টিম ডেভিড ক্রিজে এসেই রিশাদের শেষ দুটি বলে দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে ১১ ওভারেই অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করেন। ডেভিড ৩ বলে ১২ এবং ম্যাট রেনশ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম, রিশাদ ও শরিফুল ১টি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ: ১০৯/৮ (২০ ওভার); হৃদয় ৬১, রিশাদ ২৬। জাম্পা ১/১৫, জনসন ১/১৭।
অস্ট্রেলিয়া: ১১২/৩ (১১ ওভার); মার্শ ৬০, ইংলিস ১৭, টিম ডেভিড ১২*; রিশাদ ১/২২।

চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের দেওয়া ১০৯ রানের লক্ষ্য মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় অজিরা।
এর আগে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুতেই ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (১)। একই ওভারের শেষ বলে সাইফ হাসান শূন্য রানে সাজঘরে ফিরলে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এরপর শুরু হয় ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল। ১ রান করতে ১৩ বল খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে টাইগাররা।
এরপর ৮ বলে ৬ রান করে অ্যাডাম জাম্পার নিচু হওয়া বলে বোল্ড হন নুরুল হাসান সোহান এবং শূন্য রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। রিশাদ হোসেন ২০ বলে ২৬ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দলের ১১ জন ব্যাটারের ৯ জনই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন।
একপ্রান্তে সতীর্থদের যাওয়া-আসার মিছিল চললেও অন্যপ্রান্তে লড়াই করেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ৪ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি তুলে নেন। তাঁর ৫১ বল খেলে ৩ চার ও ৩ ছক্কার সাহায্যে ৬১ রানের ইনিংসে স্কোরবোর্ডে ১০৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
১১০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝোড়ো সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে জশ ইংলিস ও মিচেল মার্শ মিলে তোলেন ৫৫ রান। নাসুম আহমেদের বলে ১৬ বলে ১৭ রান করা ইংলিস ফিরলেও ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কার সাহায্যে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। দলীয় ৮৮ রানে শরিফুলের বলে তিনি সাজঘরে ফেরেন। এরপর কুপার কনোলিকে (১৫) রিশাদ হোসেন আউট করলেও টিম ডেভিড ক্রিজে এসেই রিশাদের শেষ দুটি বলে দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে ১১ ওভারেই অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করেন। ডেভিড ৩ বলে ১২ এবং ম্যাট রেনশ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম, রিশাদ ও শরিফুল ১টি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ: ১০৯/৮ (২০ ওভার); হৃদয় ৬১, রিশাদ ২৬। জাম্পা ১/১৫, জনসন ১/১৭।
অস্ট্রেলিয়া: ১১২/৩ (১১ ওভার); মার্শ ৬০, ইংলিস ১৭, টিম ডেভিড ১২*; রিশাদ ১/২২।

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের হারে খলনায়কই বনে গিয়েছিলেন এলয় রোম। মাত্র এক ম্যাচ পর সেই তিনিই হয়ে গেলেন কুরাসাওয়ের ইতিহাসের নায়ক। বিশ্বরেকর্ড গড়ে এক ম্যাচেই করলেন ১৫টি সেভ। অতিমানবীয় সেই পারফরম্যান্সে ভর করে বিশ্বকাপের প্রথম পয়েন্ট তুলে নিয়েছে তাঁর দল।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক হাজারতম ম্যাচটি গোল উৎসব করে স্মরণীয় করে রাখল জাপান। মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়ে নকআউটের আশাও বাঁচিয়ে রেখেছে এশিয়ার দেশটি। বিশ্বকাপে এশিয়ার দল হিসেবে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও গড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জার্মানি ২০১৪ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর হারিয়ে ফেলেছিল ছন্দ। পরের দুই বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। সেই দুঃস্বপ্ন অবশেষে কেটেছে। আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১২ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে জার্মানি।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে গ্রুপ ‘এফ’-এর ম্যাচে শনিবার (২০ জুন) সুইডেনকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে নেদারল্যান্ডস।
৭ ঘণ্টা আগে