একাত্তরের গণহত্যা: উপাসনালয়েও চালানো হয়েছিল হত্যাযজ্ঞ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা শুধু সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর বিস্তার ও প্রকৃতি ছিল ভয়াবহ। আশ্রয়ের জায়গা হয়ে ওঠে মৃত্যুকূপ। মসজিদ, মন্দির, গির্জা—ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও রক্ষা পায়নি। কোথাও নামাজরত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, কোথাও উপাসনালয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে।
মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীমুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় অর্জন মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক।’
১৯৭১-এর রমজান কেমন ছিল১৯৭১ সালে চারদিকে পাকিস্তানি বাহিনীর দ/মন-পীড়/ন, গ/ণ/হ/ত্যা এবং ধ্বং/সের মধ্যেই শুরু হয়েছিল পবিত্র রমজান। অবরুদ্ধ বাংলায় তখন খাদ্যের অভাব, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা। তবুও, রোজা রেখে লড়াই চালিয়ে গেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। গ্রামের সাধারণ মানুষ নিজেরা না খেয়ে সেহরি ও ইফতারের খাবার পৌঁছে দিয়েছেন রণাঙ্গনে।
একাত্তরের গণহত্যা: নিজের কবর খুঁড়তে হতো নিজেকেই১৯৭১ সালের গণহ/ত্যা নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সংখ্যায় আটকে যায়। কিন্তু হ/ত্যা/র পদ্ধতি, বিস্তার ও সংগঠিত নৃশংসতার ধরন বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এটি ছিল বহুমাত্রিক ও সর্বব্যাপী সহিংসতা। উপাসনালয়, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির থেকে গ্রাম-শহর, বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। ইতিহাসকে বুঝতে হলে শুধু সংখ
স্বাধীনতা পদক পাওয়ার পর আবার আলোচনায় মেজর জলিলমুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল। সামরিক দক্ষতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্বের জন্য তিনি পরিচিত হলেও, তাঁর জীবনজুড়ে রয়েছে নানা বিতর্ক ও রাজনৈতিক মতভেদ। সম্প্রতি স্বাধীনতা পদক পাওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাঁর জীবন ও রাজনৈতিক অবস্থান।
একাত্তরের গণহত্যা: পাক আর্মি কত মানুষ পুড়িয়েছে?১৯৭১ সালের গণহত্যা নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণা ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এক কোটির বেশি বাড়িঘর পোড়ানো এবং ৬ হাজারের বেশি গ্রাম ধ্বংসের ঘটনা। আগুন, অবকাঠামো ও শিল্পকারখানার বয়লার পর্যন্ত হত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৬ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিল করে। একইসঙ্গে নির্বাহী আদেশে ৭ মার্চের সরকারি ছুটিও বাতিল করা হয়।
একাত্তরের গণহত্যা: সংখ্যার বাইরে নিষ্ঠুরতার বহুমাত্রিক রূপ১৯৭১ সালের গণহত্যা নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সংখ্যায় আটকে যায়। কিন্তু হত্যার পদ্ধতি, বিস্তার ও সংগঠিত নৃশংসতার ধরন বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এটি ছিল বহুমাত্রিক ও সর্বব্যাপী সহিংসতা। উপাসনালয়, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির থেকে গ্রাম-শহর, বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়।
ট্রল, মিম আর দেওয়ানবাগীর স্টেনগানমাহবুব-এ-খোদা। দেওয়ানবাগী পীর হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিত হওয়ার অনেক আগে এটিই ছিল তার নাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের হিস্ট্রিতে তার এন্ট্রিটা কোনোভাবেই অ্যাক্সিডেন্ট ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সাথে তার কানেকশনের পেছনে ছিল দীর্ঘ পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিজম আর কড়া দেশপ্রেমের দুর্দান্ত স্টোরিলাইন।
স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকায় মানচিত্র ছিল, এখন নেই কেন১৯৭১ সালের ২ মার্চ। বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এদিনই প্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আকাশে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা, যা ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক বলিষ্ঠ ঘোষণা।
মুক্তিযোদ্ধা ছিল ১ লাখ, এখন হয়ে গেছে আড়াই লাখ: হাফিজ উদ্দিন আহমদমুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ১ লাখের মতো মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও এখন সেটা আড়াই লাখ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘গেল সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
জাতীয় পতাকার রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিবর্তনজাতীয় পতাকা কেবল নির্দিষ্ট অনুপাতের একখণ্ড রঞ্জিত কাপড় নয়, জাতীয় পতাকা একটি জনপদের সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষা, দীর্ঘ লড়াইয়ের নির্যাস এবং আত্মপরিচয়ের এক দৃশ্যমান ইশতেহার। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায় প্রথম উত্তোলিত পতাকাটি ছিল এক রাষ্ট্রদ্রোহী বিদ্রোহের প্রকাশ, যা সময়ের পরিক্রমায়
পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও পাঠ্যবইয়ে অগ্নিঝরা মার্চশুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। নয় মাস টানা যুদ্ধের পরে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা মাস হিসেবে মার্চ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবার পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এসেছে মাসটি।
একাত্তরে হাসপাতালেও থাবা বসিয়েছিল পাকিস্তানি জল্লাদরাঅগ্নিঝরা মার্চ চলছে। এই মাস যেমন বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জনের স্মারক, তেমনি তা পাকিস্তানি হানাদারদের চরম পৈশাচিকতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী মেতে উঠেছিল এক সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের সেই বর্বরোচিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেবল সম্মুখ সমরের যোদ্ধা বা রাজনৈতিক কর্মীরাই ছিল এমন নয়। বহু মান
একাত্তরে মসজিদেও গণহত্যা চালিয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীঅগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো