স্টেনগান টু জায়নামাজ: একাত্তরে যুদ্ধ করেছিলেন সুফি সাধক, পীর-মাশায়েখ ও দরবেশেরা‘আজান হয়েছে, আমাকে দুই রাকাত ফজরের নামাজ পড়তে দাও।’ একাত্তরের রমজান মাসে পাকিস্তানিদের কাছে শেষবারের মতো মিনতি করেছিলেন পীর বেলায়েত হোসেন। কিন্তু পাকিস্তানিরা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় তাঁর দেহ। সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও ১০ সদস্যের।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কেন ইতিহাসের ভুল দিকে ছিল মধ্যপ্রাচ্যবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইতিহাসের ভুল দিকে অবস্থান নিয়েছিল। ধর্মীয় সংহতি, রাজনৈতিক স্বার্থ ও পরাশক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তারা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
একাত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: কৌশলগত স্বার্থের কাছে হেরেছিল মানবতা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল সুপরিকল্পিত কৌশলগত স্বার্থরক্ষার এক নির্মম উদাহরণ। সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চেয়ে স্নায়ুযুদ্ধের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ বড় হয়ে দেখা দিয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুনমুক্তিযুদ্ধের সময়ে আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুন কেমন ছিলেন? কীভাবে বন্দী ছিলেন? সে সকল নির্যাতনের ইতিহাস বর্ণনা করেছেন স্ট্রিম টকের এই পর্বে।
পাকিস্তানি জেনারেলদের স্ববিরোধিতার দলিলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নকশা১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিজয় বইমেলায় পাঠকের ঢলশহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছেন বইপ্রেমীরা। চলমান বিজয় বইমেলার পঞ্চম দিন ছিল অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে আলাদা। ছুটির দিন ও বিশেষ দিবস হওয়ায় শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
ফটো নিউজ /শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগে এ দেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসকসহ দেশের বহু কৃতী সন্তানকে হত্যা করা হয়। পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হাজারো মানুষকে হত্যা করে।
ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি: মির্জা ফখরুলবিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। একাত্তরের মতো তারা আবারও ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ঠক ঠক ঠক... স্যার, একটু বাইরে আসবেনঠক ঠক, ঠক ঠক, স্যার একটু বাইরে আসবেন? এই কথাটা কানে এলেই আমাদের মনে পরে ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়। এই দিনই আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নামের লিস্ট করে হত্যা করেছিল কারণ তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।
প্রিয় পতাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত এই পতাকার রং কী বলে আমাদেরপ্রিয় পতাকা: মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত এই পতাকার রং কী বলে আমাদের
অপারেশন ওমেগার দুঃসাহসী গল্প১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব বাংলায় গণহত্যা চালাচ্ছিল, তখন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা কিংবা বিদেশি সাংবাদিকদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। ঠিক সে সময় লন্ডনের কয়েকজন তরুণ-তরুণী সিদ্ধান্ত নেন, ত্রাণ নিয়ে সীমান্ত ভেঙে বাংলাদেশে ঢোকার। এ দুঃসাহসী মানবিক অভিযানই ইতিহাসে পরিচিত অপারেশন ওমেগা নামে।
মুক্তিযুদ্ধ, মওলানা ভাসানী ও মাও সেতুংআজ মওলানা ভাসানীর জন্মদিন। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পরপরই ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল মওলানা ভাসানী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও সেতুং, প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের কাছে অত্যন্ত আবেগময় ও যুক্তিপূর্ণ বার্তা পাঠান। এই বার্তাগুলোর উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বনেতাদের কাছে পাকিস্তান
মুক্তিযুদ্ধের অনন্য বন্ধু–আদ্রে মালরোআদ্রে মালরো ছিলেন ফরাসি লেখক, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ—যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ফ্রান্সে বাংলাদেশের পক্ষে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর ঐতিহাসিক ঘোষণা ‘আমাকে একটি যুদ্ধবিমান দাও’ আন্তর্জাতিক সমাজকে নাড়া দেয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে বিরল সমর্থন যোগায়।
জেনারেল যখন নিজেই ধর্ষক: বাংকারের অন্ধকূপে নারী নির্যাতনের গোপন দলিল১৯৭১ সালের রণক্ষেত্র। চারদিকে লুটপাট আর নারী নির্যাতনের মহোৎসব। সাধারণ সৈনিকরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলছে। তাদেরই একজন প্রশ্ন তুলল— ‘আমাদের কমান্ডার (জেনারেল নিয়াজী) নিজেই তো একজন ধর্ষক। তাহলে আমাদের থামাবে কে?’