একাত্তরে নদী ছিল অঘোষিত কমান্ডার: মোহাম্মদ এজাজের মুখোমুখিমুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদীগুলো হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের জন্য ‘লজিস্টিক্যাল নাইটমেয়ার’ বা মৃত্যুফাঁদ, আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ‘সেফ জোন’। কিন্তু এই যে ‘মানুষ বনাম প্রকৃতি’র লড়াই, কিংবা মানচিত্রের টেবিলে বসে নদীকে কেন্দ্র করে সেক্টর ভাগ করার এই সুক্ষ্ম কৌশল—এগুলো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা আসলে করেছেনট
৫২ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অটোগ্রাফ সংগ্রহ করছেন যিনিমুক্তির অটোগ্রাফ - ৫২ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অটোগ্রাফ সংগ্রহ করছেন তথ্যচিত্র নির্মাতা বকশি হাবিবুর রহমান।
বিজয়ের অনুষ্ঠানে ‘রাজাকারের পাঠ মঞ্চ’ নাটিকায় জামায়াত নেতাদের বাধা, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদলক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ‘রাজাকারের পাঠ মঞ্চ’ নাটিকায় বাধা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর নেতারা। অনুষ্ঠানে ডিসপ্লে (যেমন খুশি তেমন সাজো) অংশে রাজাকারের হাতে নারী নির্যাতনের দৃশ্য পাঞ্জাবি-টুপি পরে অভিনয়কে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
বীরাঙ্গনা: সমষ্টিগত অস্বীকৃতির গল্পসময় : ১৯৭২ সালের এক অবসন্ন দুপুর। স্থান : ঢাকার একটি বীরাঙ্গনা পুনর্বাসন কেন্দ্র। মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ দিনগুলোর শেষে বাবা আর মেয়ের পুনর্মিলন ঘটেছে। মেয়ে কান্নার প্রবল আবেগ সামলে দৌড়ে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরে। গত এক বছরে সবকিছুই অনেক বদলেছে, বাবাও। তিনি যেন আরও বুড়ো হয়ে গেছেন।
বিজয়ের ৫৪ বছর পরেও চেতনার ব্যবসা বন্ধ হয়নি: ব্যারিস্টার ফুয়াদআমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, বিজয়ের ৫৪ বছর পার হলেও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে চেতনার ব্যবসা বন্ধ হয়নি। ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু চেতনা নিয়ে কোনো ব্যবসা চলতে পারে না। তাই তথাকথিত চেতনার ঊর্ধ্বে উঠে নিরেট জায়গা থেকে ১৯৭১-কে ধারণ করতে হবে
বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুনবীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের স্ত্রী মাহফুজা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। বিজয় দিবসের আগে তাঁর কবরে এমন কাজ আমাদের জন্য অসম্মানজনক ও কষ্টদায়ক।’
জায়নামাজ থেকে রণাঙ্গন: একাত্তরের পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত যুদ্ধ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে দীর্ঘদিন ধরে একটি সরল ও বিকৃত বয়ানের ভেতর বন্দী করে রাখা হয়েছে অথচ ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায় এক ভিন্ন, বিস্ময়কর সত্য। একাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে
ইতিহাসের বয়ানে বিজয় দিবসইতিহাস সম্পর্কে যেসব ভিন্নমত আমরা দেখতে পাই, তার মধ্যে দুটো বড় ঘটনা—প্রথমত, অপারেশন সার্চলাইটের ভয়াবহতা ও হিংস্রতা পূর্ব পাকিস্তানবাসীদের পাকিস্তান সম্পর্কে সামান্যতম দুর্বলতাকেও পরিহার করতে প্রণোদিত করেছিল। দ্বিতীয়ত, ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিয়াজির আত্মসমর্পণ।
রণাঙ্গনের যোদ্ধা তিন গারো কন্যাগারো সম্প্রদায়ের সেই তিন অকুতোভয় নারী—ভেরেনিকা সিসংমা, সন্ধ্যারানী সাংমা এবং তুশি হাগিদক। তাদের হাতে কোনো স্টেনগান ছিল না, কিন্তু তারা একটি ফুলকে বাঁচানোর জন্যে যে যুদ্ধে শামিল হয়েছিলেন, সেটিও কোনো অংশে কম ছিল না।
পরিবেশ সৃষ্টি হলে নির্বাচনে যাবো, পাতানো নির্বাচনে যাবো না: কাদের সিদ্দিকীকৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘সার্বিকভাবে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হলে আমরা অবশ্যই নির্বাচন করবো। কিন্তু কোনো পাতানো নির্বাচনে আমরা যাবো না।’
‘গুডবাই সামার’ কনসার্টের আয় ছিল ১৫ হাজার পাউন্ড, ব্যয় হয়েছিল শরণার্থীদের জন্যনিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর কথা আমরা সবাই জানি; কিন্তু লন্ডনের ওভাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ‘গুডবাই সামার’ কনসার্টের কথা অনেকেরই অজানা।
পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে ফেলে দুই বাঙালি চিকিৎসক মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় আসেন শরণার্থী শিবিরে১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। লন্ডনের বিখ্যাত হাইড পার্কে ঘটে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। পাকিস্তানি বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে বিলাতের নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে দুই বাঙালি তরুণ চিকিৎসক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ডা. এম এ মবিন নিজেদের পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে আগুনে পুড়িয়ে দেন।
একাত্তরের স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানামুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার যে স্বপ্ন ছিল, তা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার অদূরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মুক্তিযুদ্ধ: ইনসারজেন্সি অপারেশন নাকি কনভেনশনাল যুদ্ধআমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ কি কনভেনশনাল যুদ্ধ নাকি ইনসারজেন্সি অপারেশন? অনেকেরই এই বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার নয়। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে হলে শুরুতেই জানতে হবে ইনসারজেন্সি এবং কাউন্টার ইনসারজেন্সি অপারেশন কী?
মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা: দোদুল্যমান সরকার কিন্তু অটল জনসমর্থন১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব রাজনীতির পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা ছিল স্পষ্ট ও বিভাজিত। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, অন্যদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে।