মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের ভূমিকা: আড়ালের ইতিহাস১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বাত্মক গণযুদ্ধ, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি বামপন্থীরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন সংগঠন গেরিলা যুদ্ধ, জনসংগঠন এবং আদর্শিক লড়াইয়ে সক্রিয় ছিল। কেউ সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, কেউ সংগঠিত করেছেন প্রতিরোধ।
মেয়র নির্বাচিত হলে মুক্তিযোদ্ধাদের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের: ডিএসসিসি প্রশাসকমেয়র নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সকল মুক্তিযোদ্ধার সচ্ছলতার দায়িত্ব নেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক আবদুস সালাম। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডিএসসিসি প্রাঙ্গণে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে একদিকে ছিল আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী, অন্যদিকে সীমিত অস্ত্র নিয়ে লড়াই করা মুক্তিবাহিনী।
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে: মন্ত্রীসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সঠিক তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি কাউকে কৃতিত্ব দিতে রাজি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সব সময় মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু তাদের কৃতিত্ব হিসেবে প্রচার করত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
ব্যারি লিচের যুদ্ধ১৯৭১-এর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে ছুটে এসেছিলেন ২৩ বছরের তরুণ, প্রস্থেটিক এক্সপার্ট ব্যারি লিচ। আধুনিক উপকরণের অভাব সত্ত্বেও অদম্য সৃজনশীলতায়, স্থানীয় কাঠ আর টায়ার দিয়ে কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন অজস্র মানুষের 'বুড়া সাহেব'।
সীমান্ত পেরিয়ে ত্রাণ বিতরণ: অপারেশন ওমেগার দুঃসাহসী গল্প১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব বাংলায় গণহত্যা চালাচ্ছিল, তখন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা কিংবা বিদেশি সাংবাদিকদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। ঠিক সেই সময় লন্ডনের কয়েকজন তরুণ-তরুণী সিদ্ধান্ত নেন, ত্রাণ নিয়ে সীমান্ত ভেঙে বাংলাদেশে ঢোকার।
একতারা থেকে রাইফেল: মুক্তিযুদ্ধে বাউলদের লড়াই১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু সামরিক লড়াই নয়, ছিল সংস্কৃতি ও আদর্শেরও যুদ্ধ। বাংলার বাউল সম্প্রদায় তাঁদের মানবতাবাদী দর্শন, গান এবং সংগ্রামের মাধ্যমে এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেউ গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন, কেউ সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নেমেছেন।
একাত্তরের ‘বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী’ শিরিন বানু মিতিলের স্মৃতি সংরক্ষণ না হওয়ায় ক্ষোভভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য স্টেটসম্যান মুক্তিযুদ্ধের সময় শিরিন বানুকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছিল ‘এ শাই গার্ল উইথ এ গান’ (বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী)। আকাশবাণী বেতার থেকে প্রখ্যাত ভাষ্যকার দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগঘন কণ্ঠ সারা বিশ্বে পৌঁছে দিয়েছিল মিতিলের বীরত্বগাঁথা।
একাত্তরে পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত ইতিহাসএকাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে তুলেছেন প্রতিরোধের দুর্গ।
মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র মানেই কি আশি-নব্বইয়ের দশক?একটি বেসরকারি গণমাধ্যমে কাজ কাজ করেন ফাবিহা। তাঁর কাছে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি চলচ্চিত্র বেছে নিতে বললে, তিনি শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন এবং আগুনের পরশমণির নাম জানান।
সময়ের সঙ্গে কি স্বাধীনতা দিবস উদযাপনও পাল্টে যাচ্ছে?২৬ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। সেই থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপিত হয় স্বাধীনতা দিবস।
বিশেষ লেখামুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক করে আমরা কোথায় পৌঁছাতে চাইহ্যাঁ আমরা সেই কম হেঁটে যাওয়া মানুষের পথে হেঁটেছিলাম। যে পথ ভয়ের, ক্ষয়ের, ত্যাগের এবং অস্তিত্বের সেই পথেই আমরা হেঁটেছি। ১৯৭১ সাল; বাঙালি হেঁটেছে অস্তিত্বের পথে। জীবনের সহজ সুখের সমস্ত পথ রুদ্ধ করে, ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আর জীবনের মায়া ত্যাগ করে স্বাধীনতার কণ্টকাকীর্ণ পথ বেছে নিয়েছিল অজস্র যুবা
কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল একাত্তরের রণাঙ্গনে১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লড়াই ছিল না, এটি ছিল আধুনিক সমর ইতিহাসের এক অনন্য সমীকরণ। এই যুদ্ধে তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম সুসংগঠিত ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি পেশাদার সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিল এক অদম্য গেরিলা শক্তি।
মুক্তিযুদ্ধে বাউল১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রান্তিক বাউল সম্প্রদায়ের অবদান ছিল একই সঙ্গে আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক। এই সময় বাউলরা তাঁদের একতারা ও কণ্ঠকে কেবল সাধনার মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করেননি, বরং যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে গেছেন নিরলসভাবে।
মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র মেরামতে এখনো নেই কোনো উদ্যোগছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বিকেলে মেহেরপুরের মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র ভাঙচুর করে ক্ষুব্ধ জনতা। আজও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র বয়ে বেড়াচ্ছে ভাঙচুরের ক্ষতচিহ্ন, নেওয়া হয়নি মেরামতের কোনো উদ্যোগ।
সামরিক বর্বরতা শুরুর জন্য কেন বেছে নেওয়া হয়েছিল ২৫ মার্চ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চ রাত ‘কালরাত্রি’ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছিল ১৯৭১ সালের এই রাত। এর আগ অবধি স্বাধীনতা কিভাবে অর্জিত হবে তা নিয়ে জাতীয় জীবনে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। বিষয়টি উঠে এসেছে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের স্মৃতিচারণামূলক ‘কালরাত্রির খণ্ডচিত