সাইলেন্ট ডিভোর্স কী, কেন বাড়ছে, এমন সম্পর্কে আসলে কী ঘটেসাইলেন্ট ডিভোর্স কী? কেন বাড়ছে এমন নীরব বিচ্ছেদ? এমন সম্পর্কের ক্ষেত্রে আসলে কী ঘটে?
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও আমাদের জাতীয় দুর্ভাগ্যউনিশ শতকের শেষতম দশক। গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক স্কুল শিক্ষক। এ বাড়ি ও বাড়ি গিয়ে পরশপাথরের মতো খুঁজে ফিরছেন ‘অতি সামান্য’জিনিস, পরোনো পুঁথি। মনে হতে পারে, আহা মরি কিছু নয়। উচ্চবর্গের ‘উচ্চ সংস্কৃতি’র কাছে এর বিশেষ কদর থাকার কথাও নয়। কিন্তু কেউ কেউ এর মূল্য বুঝেছিলেন ভবিষ্যতের বিচারে; সেই জনাকয়েক সমঝদ
আজ চে গুয়েভারার মৃত্যুদিনচে গুয়েভারার সমাধিতে দাঁড়িয়ে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিলপৃথিবীর ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের মৃত্যু তাঁদের অস্তিত্বকে মুছে দেয় না, বরং আরও জীবন্ত করে তোলে, আরও প্রেরণার উৎসে পরিণত করে। চে গুয়েভারা ঠিক তেমনই এক নাম।
আজ বিশ্ব ডাক দিবসএখন কেউ আর লেখে না ‘এখন তুমি কোথায় আছো, কেমন আছো, পত্র দিও’আজ বিশ্ব ডাক দিবস। একটা সময়ে চিঠি ছিল একধরনের নীরব সংলাপ। একটা চিঠি লেখা হতো ভালোবাসা মিশিয়ে। এখন ভালোবাসা আসে ‘টাইপিং…’ শব্দে, এবং হারিয়ে যায় ‘লাস্ট সিন এট…’-এ। হেলাল হাফিজের মতো গভীর আবেগ নিয়ে কেউ আর লেখে না ‘এখন তুমি কোথায় আছো, কেমন আছো, পত্র দিও’ বরং লিখে ‘ইউ ওকে?’
চোখের সাজে কাজল: ঐতিহ্য থেকে আজকের ট্রেন্ডপ্রসাধনী হিসেবে কাজল উপমহাদেশের সাজসজ্জার ঐতিহ্য। বিয়েবাড়ি হোক বা পার্টি, নারীদের সাজের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে চোখের মেকআপ। সেখানে কাজলের ব্যবহার দেখা যায়। কাজল কেন এখনো ট্রেন্ডি? কাজলের কি ঔষধি গুণ আছে? প্রসাধনী শিল্পে কাজলের দখল কতখানি? এসব জানা যাবে এ লেখায়।
গুগলের এআইয়ের ত্রুটি ধরিয়ে দিলে মিলবে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলারগুগলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এআই এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। তাই এর নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা আরও জরুরি।’ এই বাগ শনাক্তকরণ কর্মসূচির আওতায় গুগলের এআইয়ের ত্রুটি ধরিয়ে দিলে মিলতে পারে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার।
হোমমেড কেক-ফাস্টফুডে জমজমাট আগারগাঁও, বসে সাপ্তাহিক মেলাখেতে ভালোবাসেন? ঘুরে ঘুরে কিছু কিনতেও মন্দ লাগে না? শহরের ভেতরেই যদি এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায়, যেখানে একসঙ্গে পাওয়া যায় খাবার, আড্ডা আর কেনাকাটার আনন্দ—তবে সেটি নিঃসন্দেহে অনেকের কাছেই সেটি প্রিয় গন্তব্য।
জেন গুডাল: শিম্পাঞ্জিদের সঙ্গে জীবন কাটালেন যিনিজেন গুডঅল নামটি কানে এলেই যে ছবিটি চোখে সামনে ভেসে ওঠে, তা একজন স্বর্ণকেশী তরুণীর। আলগোছে বসে সামনের দিকে একটি হাত আলতো বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁর মুখমণ্ডল খুব একটা দৃশ্যমান নয়। তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া হাত ছোঁয়ার জন্য একটি আবেগী হাত ইতস্তত বাড়িয়ে দিয়েছে অপরপ্রান্ত থেকে এক শিশু শিম্পাঞ্জি।
বাঙালির দুর্গাপূজা শুরু হলো কীভাবে, যেভাবে পূজা বারোয়ারি হলোষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আজ শুরু হলো বাংঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দুর্গাপূজার কথা বললে দুই ধরনের পূজার কথা মাথায় আসে। বাড়ির পূজা এবং বারোয়ারি পূজা। যদিও প্রথমেই দুই ধরনের পূজা, অর্থাৎ বারোয়ারি আরবাড়িতে দুর্গাপূজার সূচনা হয়নি।
ঘরের মেয়ে দুর্গার আগমনীপ্রায় দুই হাজার বছর আগেকার কথা। তখনো কাগজ আবিষ্কার হয়নি। মিশরীয়রা তখন প্যাপিরাসে লিখত। সে সময় প্রাচীন মিশরের সেরাপিয়াস নামে এক নারী, প্যাপিরাসের এক টুকরোয় চিঠি লিখে পাঠালেন তাঁর জামাই এরমিনোসের কাছে।
গথামের নাগরিক বনাম কমিশনার পুত্রের ঘেরাও অভিযানগথাম সিটি এক অদ্ভুত নগর। এখানে আকাশচুম্বী অট্টালিকা যেমন রাত্রির আঁধারে আলো ঝলমল করিয়া ওঠে, তেমনি অলিগলিতে অন্ধকারের ঘন কুয়াশা কখনো কাটে না। এ শহরের নায়ক ব্যাটম্যান, খলনায়ক জোকার। তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেন; কিন্তু গথামের মানুষের আরেক বিশেষ দুর্ভোগের নাম কমিশনার পুত্র।
বুকপকেটে বুকমার্ক, টাকা, ডলার ও ডাকসুঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো বিশেষ কারণ ছিল না আমার। মাঝেমধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই আমি নানান জায়গায় যাই। শাহবাগের মোড় থেকে আনমনে হাঁটতে হাঁটতে টিএসসির দিকে চলে গেলাম। বিকেলটা সুন্দর। আকাশে মেঘ আছে, আবার মেঘের ফাঁক দিয়ে অদ্ভুত নরম আলো এসে পড়েছে। মনে হচ্ছিলো চা খেতে ভালো লাগবে।