সাইলেন্ট ডিভোর্স কী? কেন বাড়ছে এমন নীরব বিচ্ছেদ? এমন সম্পর্কের ক্ষেত্রে আসলে কী ঘটে?
স্ট্রিম ডেস্ক

সব কিছু ঠিকঠাক। স্বামী-স্ত্রী এক ছাদের নিচে থাকছেন, অতিথি এলেও হাসিমুখে স্বাগত জানাচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে তাঁরা মানসিকভাবে একে অপরের থেকে আলাদা, কাছাকাছি থেকেও দূরের মতো। এমন দম্পতির সংখ্যা এখন ক্রমেই বাড়ছে। যারা আইনত স্বামী-স্ত্রী, কিন্তু আবেগে ও সম্পর্কে কেউই আর কারও নয়। একসঙ্গে থেকেও মন আলাদা হয়ে গিয়েছে তাঁদের। এই অবস্থাকে বলা হচ্ছে ‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’।
‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন। কারণ, এটি আইনি বিচ্ছেদ নয়। তাই কোথাও নথিবদ্ধও হয় না। যাঁরা এমন পরিস্থিতিতে থাকেন, তাঁরা সাধারণত বিষয়টি প্রকাশও করতে চান না। আবার বাইরে থেকে দেখেও বোঝার উপায় নেই। হয়তো আশেপাশের মানুষের চোখে তাঁরা সুখী এখনো দম্পতি, সংসার এখনো চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুনিয়াজুড়েই এই নীরব বিচ্ছেদ এখন দ্রুত বাড়ছে। ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ, সন্তানের দায়িত্ব এবং সমাজে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করার প্রবণতা—সব মিলিয়ে মানুষ একসঙ্গে থেকেও মনের বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে।

একটি সম্পর্ক টিকে থাকার মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস। যখন সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরে, তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়। অনেক সময় বড় কোনো ঘটনার কারণে নয়, বরং ছোট ছোট অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি বা উপেক্ষিত কষ্ট ধীরে ধীরে জমে গিয়ে দূরত্ব তৈরি করে। যদি এক পক্ষ সেই অভিমানকে গুরুত্ব না দেয়, সম্পর্কের ভেতরকার আবেগ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়।
অন্যদিকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, অর্থনৈতিক সমস্যা, সন্তান লালনপালন বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মতের অমিলও সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। একে অপরের ওপর নির্ভরতা বা মানসিক সংযোগ হারিয়ে ফেললে সম্পর্কটা থেকে যায় শুধু নামমাত্র। একসময় সম্পর্কের ভেতর থেকে আবেগ আর আগ্রহ হারিয়ে যায়। কথোপকথনও সীমিত হয়ে পড়ে। তখন সম্পর্কটা শুধু নিয়ম বা দায়িত্বের মতো হয়ে যায়। কিন্তু তাতে প্রাণ বা অনুভূতি থাকে না।
আবেগগতভাবে সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলে কেউ কেউ আইনিভাবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন, কেউ-বা বিচ্ছেদের কথা ভাবেন। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সামাজিক কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ডিভোর্স অনেকের কাছে লজ্জার বিষয়। তাই এমন নীরব বিচ্ছেদ ঘটে।
আবার পরিবার ও সমাজে সমালোচনার ভয়, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আর একা জীবনযাপনের চিন্তাসহ নানা রকমের আশঙ্কা থাকে অনেকের। বিশেষ করে নারীরা এই অবস্থায় বেশি সংকটে পড়েন। সামাজিক নিরাপত্তা হারানোর ভয়, আর্থিক অনিশ্চয়তা, আত্মীয়দের কটু মন্তব্যের ব্যাপারও থাকে।
১. একই বাসায় থাকলেও শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন।
২. দৈনন্দিন কথাবার্তা সীমাবদ্ধ থাকে শুধু প্রয়োজনীয় বিষয়েই।
৩. একসঙ্গে বসে খাওয়ার বা সময় কাটানোর কোনো মানসিক প্রয়োজন বোধ করেন না।
৪. সামাজিক অনুষ্ঠান বা পারিবারিক আয়োজনেও আলাদা উপস্থিতি দেখা যায়। অনেকে একসঙ্গে যাওয়া এড়িয়েও চলেন।
৫. ছুটির দিন বা অবসর সময় তাঁরা যে যার মতো করে সময় কাটান।
৬. কোনো বিষয়ে মতের অমিল হলে সেটি আলোচনা না করে এড়িয়ে যান, যাতে অকারণ ঝামেলা না হয়।
৭. যদি দুজনেই উপার্জন করেন, তবে অনেক সময় খরচ আলাদাভাবে ভাগ হয়। কেউ একা উপার্জন করলে অন্যজন শুধু নির্ভরশীল হয়ে থাকেন।
৮. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আর্থিক সুবিধা, সন্তান, সামাজিক মর্যাদা বা শুধু অভ্যাস।
৯. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনার আগ্রহ দেখা যায় না।
১০. সম্পর্কের সমস্যা থাকলেও সমাধানের চেষ্টা করেন না। বরং নীরবতাকেই স্থায়ী সমাধান মনে করেন।

সব কিছু ঠিকঠাক। স্বামী-স্ত্রী এক ছাদের নিচে থাকছেন, অতিথি এলেও হাসিমুখে স্বাগত জানাচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে তাঁরা মানসিকভাবে একে অপরের থেকে আলাদা, কাছাকাছি থেকেও দূরের মতো। এমন দম্পতির সংখ্যা এখন ক্রমেই বাড়ছে। যারা আইনত স্বামী-স্ত্রী, কিন্তু আবেগে ও সম্পর্কে কেউই আর কারও নয়। একসঙ্গে থেকেও মন আলাদা হয়ে গিয়েছে তাঁদের। এই অবস্থাকে বলা হচ্ছে ‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’।
‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন। কারণ, এটি আইনি বিচ্ছেদ নয়। তাই কোথাও নথিবদ্ধও হয় না। যাঁরা এমন পরিস্থিতিতে থাকেন, তাঁরা সাধারণত বিষয়টি প্রকাশও করতে চান না। আবার বাইরে থেকে দেখেও বোঝার উপায় নেই। হয়তো আশেপাশের মানুষের চোখে তাঁরা সুখী এখনো দম্পতি, সংসার এখনো চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুনিয়াজুড়েই এই নীরব বিচ্ছেদ এখন দ্রুত বাড়ছে। ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ, সন্তানের দায়িত্ব এবং সমাজে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করার প্রবণতা—সব মিলিয়ে মানুষ একসঙ্গে থেকেও মনের বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে।

একটি সম্পর্ক টিকে থাকার মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস। যখন সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরে, তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়। অনেক সময় বড় কোনো ঘটনার কারণে নয়, বরং ছোট ছোট অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি বা উপেক্ষিত কষ্ট ধীরে ধীরে জমে গিয়ে দূরত্ব তৈরি করে। যদি এক পক্ষ সেই অভিমানকে গুরুত্ব না দেয়, সম্পর্কের ভেতরকার আবেগ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়।
অন্যদিকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, অর্থনৈতিক সমস্যা, সন্তান লালনপালন বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মতের অমিলও সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। একে অপরের ওপর নির্ভরতা বা মানসিক সংযোগ হারিয়ে ফেললে সম্পর্কটা থেকে যায় শুধু নামমাত্র। একসময় সম্পর্কের ভেতর থেকে আবেগ আর আগ্রহ হারিয়ে যায়। কথোপকথনও সীমিত হয়ে পড়ে। তখন সম্পর্কটা শুধু নিয়ম বা দায়িত্বের মতো হয়ে যায়। কিন্তু তাতে প্রাণ বা অনুভূতি থাকে না।
আবেগগতভাবে সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলে কেউ কেউ আইনিভাবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন, কেউ-বা বিচ্ছেদের কথা ভাবেন। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সামাজিক কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ডিভোর্স অনেকের কাছে লজ্জার বিষয়। তাই এমন নীরব বিচ্ছেদ ঘটে।
আবার পরিবার ও সমাজে সমালোচনার ভয়, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আর একা জীবনযাপনের চিন্তাসহ নানা রকমের আশঙ্কা থাকে অনেকের। বিশেষ করে নারীরা এই অবস্থায় বেশি সংকটে পড়েন। সামাজিক নিরাপত্তা হারানোর ভয়, আর্থিক অনিশ্চয়তা, আত্মীয়দের কটু মন্তব্যের ব্যাপারও থাকে।
১. একই বাসায় থাকলেও শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন।
২. দৈনন্দিন কথাবার্তা সীমাবদ্ধ থাকে শুধু প্রয়োজনীয় বিষয়েই।
৩. একসঙ্গে বসে খাওয়ার বা সময় কাটানোর কোনো মানসিক প্রয়োজন বোধ করেন না।
৪. সামাজিক অনুষ্ঠান বা পারিবারিক আয়োজনেও আলাদা উপস্থিতি দেখা যায়। অনেকে একসঙ্গে যাওয়া এড়িয়েও চলেন।
৫. ছুটির দিন বা অবসর সময় তাঁরা যে যার মতো করে সময় কাটান।
৬. কোনো বিষয়ে মতের অমিল হলে সেটি আলোচনা না করে এড়িয়ে যান, যাতে অকারণ ঝামেলা না হয়।
৭. যদি দুজনেই উপার্জন করেন, তবে অনেক সময় খরচ আলাদাভাবে ভাগ হয়। কেউ একা উপার্জন করলে অন্যজন শুধু নির্ভরশীল হয়ে থাকেন।
৮. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আর্থিক সুবিধা, সন্তান, সামাজিক মর্যাদা বা শুধু অভ্যাস।
৯. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনার আগ্রহ দেখা যায় না।
১০. সম্পর্কের সমস্যা থাকলেও সমাধানের চেষ্টা করেন না। বরং নীরবতাকেই স্থায়ী সমাধান মনে করেন।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২৪ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে