নেতাজি বলেছিলেন, ভারতবর্ষ স্বাধীন হলে বাঙালির জাতীয় কবি হবেন কাজী নজরুলআজ ১৫ ডিসেম্বর। ১৯২৯ সালের এই দিনে কলকাতার অ্যালবার্ট হলে (বর্তমান কফি হাউস) কলকাতায় বুদ্ধিজীবীদের পক্ষ থেকে কাজী নজরুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। আর সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও কিছু প্রশ্ন, কিছু ভাবনাআজ ১৪ ডিসেম্বর। এই দিনটি বাংলাদেশে প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসাবে পালিত হয়। এ দিনটি গভীর বেদনার, শোকের অশ্রু ঝরানো এবং স্বজন হারানোর কষ্টে কাতর। আজকের এই দিনে সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠ থেকে যখন শুনি-সব ক’টা জানালা খুলে দাও না/ওরা আসবে চুপি চুপি/যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রা১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ঠক ঠক ঠক... স্যার, একটু বাইরে আসবেনঠক ঠক, ঠক ঠক, স্যার একটু বাইরে আসবেন? এই কথাটা কানে এলেই আমাদের মনে পরে ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়। এই দিনই আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নামের লিস্ট করে হত্যা করেছিল কারণ তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
জহির রায়হানকে নিয়ে স্মৃতিলেখা: সুতোর টানআজ দশ বছর হতে চললো জহির নেই। দীর্ঘ দশটি বছর, অথচ মনে হয় এইতো সেদিনের কথা। এ. জে. করদারের সহকারী হিশেবে কাজ করছে জহির রায়হান। প্রথমে পরিচয়। তারপর ঘনিষ্ঠতা। পঞ্চাশের শেষের দিকেই হবে সম্ভবত। জহির তুমুল উৎসাহে স্ক্রিপ্ট করছে, ‘‘কখনো আসেনি’’-র স্ক্রিপ্ট। ছবি হবে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
জহির রায়হানের প্রথম কবিতাতাঁর লেখা প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতার ‘নতুন সাহিত্য’ পত্রিকায় ১৯৪৯ সালে। পরে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘সচিত্র সন্ধানী’ পত্রিকায় ১৯৮২ সালের জানুয়ারি সংখ্যায় কবিতাটি পুনর্মুদ্রিত হয়।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধাআজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল বদর-আল শামস বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
এই সময়ের বুদ্ধিজীবীর কাজ কী?বুদ্ধিজীবী কে? কী তাঁর কাজ? প্রশ্নগুলো বেশ পুরনো; তবু এই প্রশ্নের পাল্লায় আমাদের পড়তে হয়। ‘বুদ্ধিজীবী’ শব্দটির সমান্তরালে ব্যবহৃত হয় আরও একটি শব্দ ‘আঁতেল’। দৈনন্দিন আলাপ ও অনুষঙ্গে মাঝেমধ্যেই তীব্র ব্যঙ্গের সঙ্গে বলা হয় ‘আঁতলামি’—‘আঁতেল’ থেকে ‘আঁতলামি’। শব্দগুলোর সামাজিক অর্থ নেতিবাচক।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
নোম চমস্কি: দমন-পীড়নের পৃথিবীতে নিরন্তর প্রশ্ন তোলা এক চিন্তকের ৯৭ বছরবর্তমান বিশ্বে সাহসী বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যাঁর নাম সবার আগে আসে, তিনি নোম চমস্কি। ৭ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিন। একদিকে তিনি আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের স্থপতি, অন্যদিকে শোষিতের পক্ষে দাঁড়ানো এক অকুতোভয় যোদ্ধা। খুঁজে দেখা যাক আধুনিক সময়ের অন্যতম প্রধান চিন্তক ও জনবুদ্ধিজীবী নোম চমস্কির বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম।০৮ ডিসেম্বর ২০২৫