স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
যুদ্ধে ইরানের কর্মকর্তারা কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির আলোচনা করছেন। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এই দাবি সরাসরি নাকচ করা হয়েছে। এতে তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
মঙ্গলবার এশিয়ার সকালবেলার লেনদেনে তেলের এই মানদণ্ডের দাম ৩.৭৫% বেড়ে ১০৩.৬৯ ডলারে (৭৭.৪২ পাউন্ড) পৌঁছায়। নাইমেক্স লাইট সুইট ৩.৪২% বেড়ে ৯১.৫৫ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে, গতকাল সোমবার ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রভাবে ব্রেন্টের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হওয়ার পর ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এ ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে।
তবে ইরানের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, তেল ও আর্থিক বাজারে প্রভাব ফেলতেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেছেন।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ছাড়ায়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ চলাচল করে। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্যারেল প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৬৫ ডলার।
সুত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স

ইরান যুদ্ধ ঘিরে কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
যুদ্ধে ইরানের কর্মকর্তারা কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির আলোচনা করছেন। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এই দাবি সরাসরি নাকচ করা হয়েছে। এতে তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
মঙ্গলবার এশিয়ার সকালবেলার লেনদেনে তেলের এই মানদণ্ডের দাম ৩.৭৫% বেড়ে ১০৩.৬৯ ডলারে (৭৭.৪২ পাউন্ড) পৌঁছায়। নাইমেক্স লাইট সুইট ৩.৪২% বেড়ে ৯১.৫৫ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে, গতকাল সোমবার ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রভাবে ব্রেন্টের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হওয়ার পর ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এ ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে।
তবে ইরানের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, তেল ও আর্থিক বাজারে প্রভাব ফেলতেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেছেন।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ছাড়ায়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ চলাচল করে। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্যারেল প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৬৫ ডলার।
সুত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বেড়ে নতুন করে জ্বালানি-সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাপানের শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ সকালে লেনদেনের শুরুতেই ৩.৪ শতাংশ নেমে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচকে ধস নামে প্রায় ৫ শতাংশ। আর চীনের সাংহাই কম্পোজিট পয়েন্ট কমেছে ২.৩ শতাংশ।
১ দিন আগে
দেশে কম মূল্যমানের, বিশেষ করে ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোটের এই ঘাটতি চলছে কয়েক মাস ধরেই। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ১০, ২০ টাকার নোটের বেশিরভাগই ছেঁড়া, সেটিও মিলছে না। এতে দৈনন্দিন জীবনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
২ দিন আগে
ইরান যুদ্ধের জেরে বৈশ্বিক তেলবাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা এখন আর শুধু ১০০ ডলারের ঘরে সীমাবদ্ধ নেই। বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলা এবং কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল-গ্যাস স্থাপনায় ইরানের পাল্টা আঘাতের পর তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে
৫ দিন আগে