মিজানুর রহমান

রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে সয়াবিন তেল কিনতে এসেছিলেন রাব্বি হাসান। তবে কয়েকটি মুদি দোকান ঘুরেও পেলেন না ৫ লিটারের বোতল। শেষপর্যন্ত এক লিটারের বোতল নিয়ে ফেরেন তিনি।
রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের এমন সংকট দেখা গেছে। বেশির ভাগ দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না। পেলেও সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে দাম চাওয়া হচ্ছে লিটারে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি।
ভোক্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি মানা যায়। কিন্তু সয়াবিন তেল তো সেখান থেকে আসে না। দেশে ডলারের দামও বাড়েনি। তাহলে সংকটটা কোথায়? এগুলো ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা ছাড়া কিছু না।
খুচরা ব্যবসায়ীরা অবশ্য দুষছেন ডিলারদের। হাতিরপুল বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, সয়াবিন তেল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা নিয়মিত অর্ডার নিতে যাচ্ছেন না। আবার নিলেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করছেন না।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারের আমির স্টোরের স্বত্বাধিকারী আমান হোসেন বলেন, ‘যতটুকু অর্ডার দিই, তার চেয়ে কম তেল দিচ্ছে। বিক্রয়মূল্য আগের মতোই আছে, কিন্তু আমাদের কার্টনপ্রতি বেশি দাম দিতে হচ্ছে। ১ লিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি, অথচ আমাদের কেনাই পড়েছে ১৯৩ টাকা।’
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও দেখা যায়, খুব কম দোকানেই আছে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল। এখানে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেশি অর্ডার দিলেও ডিলারদের কাছ থেকে দুই-চার কার্টনের বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে আটা, সরিষার তেল ও চা-পাতার মতো পণ্য নেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।
সরকার নির্ধারিত দর অনুযায়ী, খুচরা বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫ টাকা, ২ লিটার ৩৯০ টাকা এবং ৫ লিটার ৯৫৫ টাকায় বিক্রি করার কথা। তবে সংকট দেখিয়ে এই দামের বেশি নিচ্ছেন কিছু দোকানি। অন্যদিকে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকায়।
কারওয়ান বাজারের তুহিন জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা বলেন, ‘তেলের দাম এখনও বাড়েনি, কিন্তু কোম্পানিগুলো শর্ত দিয়ে বিক্রি করছে। এক কার্টন সয়াবিন কিনলে বাধ্যতামূলক দুই প্যাকেট চা-পাতা, এক বস্তা আটা অথবা ৫ লিটারের এক বোতল সরিষার তেল নিতে হয়। ৫ কার্টন অর্ডার দিলে ২ কার্টন সাপ্লাই দেয়। আগের চেয়ে দাম বেশি রাখা হচ্ছে। এতে আমাদের লাভের পরিমাণ কমে গেছে। গায়ের দামের (বিক্রয়মূল্য) চেয়ে তো আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে পারি না।’
তবে টি কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ‘পুষ্টি’ ব্র্যান্ডের কারওয়ান বাজার জোনের বিক্রয় প্রতিনিধি কামাল বলেন, দোকান বেশি হওয়ায় সব দোকানে অল্প করে তেল দিচ্ছি, যাতে সবাই পায়। তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য নেওয়ার শর্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে কিছু দিচ্ছি না। তারা তো দোকানে তেলের পাশাপাশি অন্য পণ্যও বিক্রি করেন। আমরা শুধু কোম্পানির অন্য পণ্যগুলো নিতে উৎসাহিত করি।’
এদিকে, গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে দ্রব্যমূল্য সংক্রান্ত টাস্কফোর্স সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাজারে এই মুহূর্তে খোলা সয়াবিন তেলের সংকট নেই। তবে বোতলজাত তেলের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এটি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই সময়ে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া দাম বাড়ানোর একটি অপকৌশল। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, সয়াবিন তেল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। এ ধরনের পণ্যের দাম বাড়লেও চাহিদা খুব একটা কমে না। এই সুযোগ নিয়েই সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে কোম্পানিগুলো। নিয়মিত বাজার তদারকি থাকলে এই পরিস্থিতি হতো না।
সয়াবিন তেলের পাশাপাশি রান্নায় ব্যবহৃত সরিষার তেলের দামও বেড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিক্রেতারা জানান, গত দুই সপ্তাহে সরিষার তেলের দাম কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেড়েছে। ১৬ কেজির টিন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়, যা সপ্তাহের ব্যবধানে ৪০০ টাকা বেশি। আর ১ লিটারের বোতল ৩২০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকায়।
রোজার শুরু থেকে সোনালি মুরগির দাম বাড়তে বাড়তে ৪০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। ঈদের পর দাম ৪২০ টাকায় ঠেকে। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম কমতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজারে সোনালি ৩১০-৩৬০ টাকা, ব্রাউন কক ৩০০ এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৭০-১৮০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।
বাজারের মামা-ভাগিনা চিকেন হাউজের বিক্রেতা রিফাত পাটোয়ারি বলেন, এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের চেয়ে কম। আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
কয়েক মাস কম থাকার পর ফের চড়তে শুরু করেছে ডিমের বাজার। গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের ডজনে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। কারওয়ান বাজারে মুরগির লাল ডিম ৪২ টাকা (হালি), সাদা ডিম ৩৭ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির দাম কিছুটা কমলেও খুব একটা স্বস্তি দিতে পারছে না। কিছু সবজির কেজিতে এখনও গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা। হাতিরপুল কাঁচাবাজার ও কারওয়ানবাজারে পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, আলু ৩৫, ফুলকপি ৫০, গাজর ৫০, ঢ্যাঁড়স ৫০, পটল ৭০, টমেটো ৫০, করলা ৮০, বরবটি ৮০, বেগুন ১০০, পেঁপে ৬০, মুলা ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, লাউ ৬০, লতি ৮০, শসা ৬০, কাঁকরোল ১২০ এবং আদা ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া মোটা মসুর ডাল ৮৫-৯০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১০০-১৫০ টাকা, ছোলার ডাল ৯৫-১০০ টাকা, কলাই ডাল ১৬০ টাকা এবং অ্যাংকর বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা।

রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে সয়াবিন তেল কিনতে এসেছিলেন রাব্বি হাসান। তবে কয়েকটি মুদি দোকান ঘুরেও পেলেন না ৫ লিটারের বোতল। শেষপর্যন্ত এক লিটারের বোতল নিয়ে ফেরেন তিনি।
রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের এমন সংকট দেখা গেছে। বেশির ভাগ দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলছে না। পেলেও সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে দাম চাওয়া হচ্ছে লিটারে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি।
ভোক্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি মানা যায়। কিন্তু সয়াবিন তেল তো সেখান থেকে আসে না। দেশে ডলারের দামও বাড়েনি। তাহলে সংকটটা কোথায়? এগুলো ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা ছাড়া কিছু না।
খুচরা ব্যবসায়ীরা অবশ্য দুষছেন ডিলারদের। হাতিরপুল বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, সয়াবিন তেল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা নিয়মিত অর্ডার নিতে যাচ্ছেন না। আবার নিলেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করছেন না।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারের আমির স্টোরের স্বত্বাধিকারী আমান হোসেন বলেন, ‘যতটুকু অর্ডার দিই, তার চেয়ে কম তেল দিচ্ছে। বিক্রয়মূল্য আগের মতোই আছে, কিন্তু আমাদের কার্টনপ্রতি বেশি দাম দিতে হচ্ছে। ১ লিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি, অথচ আমাদের কেনাই পড়েছে ১৯৩ টাকা।’
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও দেখা যায়, খুব কম দোকানেই আছে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল। এখানে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেশি অর্ডার দিলেও ডিলারদের কাছ থেকে দুই-চার কার্টনের বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে আটা, সরিষার তেল ও চা-পাতার মতো পণ্য নেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।
সরকার নির্ধারিত দর অনুযায়ী, খুচরা বাজারে ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫ টাকা, ২ লিটার ৩৯০ টাকা এবং ৫ লিটার ৯৫৫ টাকায় বিক্রি করার কথা। তবে সংকট দেখিয়ে এই দামের বেশি নিচ্ছেন কিছু দোকানি। অন্যদিকে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকায়।
কারওয়ান বাজারের তুহিন জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা বলেন, ‘তেলের দাম এখনও বাড়েনি, কিন্তু কোম্পানিগুলো শর্ত দিয়ে বিক্রি করছে। এক কার্টন সয়াবিন কিনলে বাধ্যতামূলক দুই প্যাকেট চা-পাতা, এক বস্তা আটা অথবা ৫ লিটারের এক বোতল সরিষার তেল নিতে হয়। ৫ কার্টন অর্ডার দিলে ২ কার্টন সাপ্লাই দেয়। আগের চেয়ে দাম বেশি রাখা হচ্ছে। এতে আমাদের লাভের পরিমাণ কমে গেছে। গায়ের দামের (বিক্রয়মূল্য) চেয়ে তো আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে পারি না।’
তবে টি কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ‘পুষ্টি’ ব্র্যান্ডের কারওয়ান বাজার জোনের বিক্রয় প্রতিনিধি কামাল বলেন, দোকান বেশি হওয়ায় সব দোকানে অল্প করে তেল দিচ্ছি, যাতে সবাই পায়। তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য নেওয়ার শর্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে কিছু দিচ্ছি না। তারা তো দোকানে তেলের পাশাপাশি অন্য পণ্যও বিক্রি করেন। আমরা শুধু কোম্পানির অন্য পণ্যগুলো নিতে উৎসাহিত করি।’
এদিকে, গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে দ্রব্যমূল্য সংক্রান্ত টাস্কফোর্স সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাজারে এই মুহূর্তে খোলা সয়াবিন তেলের সংকট নেই। তবে বোতলজাত তেলের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এটি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই সময়ে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া দাম বাড়ানোর একটি অপকৌশল। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, সয়াবিন তেল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। এ ধরনের পণ্যের দাম বাড়লেও চাহিদা খুব একটা কমে না। এই সুযোগ নিয়েই সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে কোম্পানিগুলো। নিয়মিত বাজার তদারকি থাকলে এই পরিস্থিতি হতো না।
সয়াবিন তেলের পাশাপাশি রান্নায় ব্যবহৃত সরিষার তেলের দামও বেড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিক্রেতারা জানান, গত দুই সপ্তাহে সরিষার তেলের দাম কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেড়েছে। ১৬ কেজির টিন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়, যা সপ্তাহের ব্যবধানে ৪০০ টাকা বেশি। আর ১ লিটারের বোতল ৩২০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকায়।
রোজার শুরু থেকে সোনালি মুরগির দাম বাড়তে বাড়তে ৪০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। ঈদের পর দাম ৪২০ টাকায় ঠেকে। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম কমতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজারে সোনালি ৩১০-৩৬০ টাকা, ব্রাউন কক ৩০০ এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৭০-১৮০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।
বাজারের মামা-ভাগিনা চিকেন হাউজের বিক্রেতা রিফাত পাটোয়ারি বলেন, এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের চেয়ে কম। আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
কয়েক মাস কম থাকার পর ফের চড়তে শুরু করেছে ডিমের বাজার। গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের ডজনে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। কারওয়ান বাজারে মুরগির লাল ডিম ৪২ টাকা (হালি), সাদা ডিম ৩৭ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৬০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির দাম কিছুটা কমলেও খুব একটা স্বস্তি দিতে পারছে না। কিছু সবজির কেজিতে এখনও গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা। হাতিরপুল কাঁচাবাজার ও কারওয়ানবাজারে পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, আলু ৩৫, ফুলকপি ৫০, গাজর ৫০, ঢ্যাঁড়স ৫০, পটল ৭০, টমেটো ৫০, করলা ৮০, বরবটি ৮০, বেগুন ১০০, পেঁপে ৬০, মুলা ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, লাউ ৬০, লতি ৮০, শসা ৬০, কাঁকরোল ১২০ এবং আদা ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া মোটা মসুর ডাল ৮৫-৯০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১০০-১৫০ টাকা, ছোলার ডাল ৯৫-১০০ টাকা, কলাই ডাল ১৬০ টাকা এবং অ্যাংকর বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এবার ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৫ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৫১৩ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড গত পাঁচ অর্থবছরে অতিরিক্ত পরিশোধিত কর বাবদ প্রায় ৬০ কোটি ১৭ লাখ টাকা রিফান্ড দাবি করেছে। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চট্টগ্রাম কর অঞ্চলে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
কাস্টমস ও ভ্যাট অনুবিভাগের আওতাধীন বিদ্যমান ও নবসৃষ্ট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্রাধীন বিভাগ ও সার্কেলগুলোর সীমানা যৌক্তিকীকরণ এবং এ সংক্রান্ত সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ দিন আগে