স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমস শুল্ক ও ভ্যাট কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তুলে ধরা পৃথক দুটি প্রস্তাবে কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিপণ্যে শুল্ক কমানো, দেশীয় উৎপাদনে কর-সুবিধা এবং বিনিয়োগবান্ধব করনীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিডার কাস্টমস-সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় কমাতে বিভিন্ন কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ, রাসায়নিক দ্রব্য, ইলেকট্রনিক উপাদান ও প্রযুক্তিপণ্যে আমদানি শুল্ক পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। এতে স্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তারা কম খরচে উৎপাদন করতে পারবেন এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে কিছু পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক ও অগ্রিম কর কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি), সেমিকন্ডাক্টর, মেডিকেল যন্ত্রপাতি, টেস্টিং ল্যাব সরঞ্জাম, তথ্যপ্রযুক্তি ও হাইটেক শিল্পের কাঁচামালে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিডার মতে, এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়লে দেশে নতুন প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি আয় বাড়বে।
অন্যদিকে ভ্যাট-সংক্রান্ত প্রস্তাবে দেশীয় উৎপাদনমুখী শিল্পকে উৎসাহ দিতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনভিত্তিক কর সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আমদানি-নির্ভর ব্যবসার তুলনায় দেশীয় উৎপাদনকারীরা যাতে বেশি সুবিধা পান, সে জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভ্যাট কাঠামো নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বিডা বলেছে, দেশে তৈরি পণ্যে উচ্চ স্থানীয় উপাদান ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানকে কম ভ্যাট হার দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে, দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী হবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এয়ার কন্ডিশনার, বৈদ্যুতিক পণ্য ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী উৎপাদনে এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, পানি সরবরাহ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও খাদ্যপণ্য খাতেও কর ছাড় দিলে নতুন বিনিয়োগ আসবে। কিছু ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক হ্রাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিনিয়োগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজেটে বিডার এসব প্রস্তাব আংশিক বা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে, উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে রাজস্ব আদায়ে সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় এনবিআর কতটুকু গ্রহণ করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমস শুল্ক ও ভ্যাট কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তুলে ধরা পৃথক দুটি প্রস্তাবে কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিপণ্যে শুল্ক কমানো, দেশীয় উৎপাদনে কর-সুবিধা এবং বিনিয়োগবান্ধব করনীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিডার কাস্টমস-সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় কমাতে বিভিন্ন কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ, রাসায়নিক দ্রব্য, ইলেকট্রনিক উপাদান ও প্রযুক্তিপণ্যে আমদানি শুল্ক পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। এতে স্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তারা কম খরচে উৎপাদন করতে পারবেন এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে কিছু পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক ও অগ্রিম কর কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি), সেমিকন্ডাক্টর, মেডিকেল যন্ত্রপাতি, টেস্টিং ল্যাব সরঞ্জাম, তথ্যপ্রযুক্তি ও হাইটেক শিল্পের কাঁচামালে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিডার মতে, এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়লে দেশে নতুন প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি আয় বাড়বে।
অন্যদিকে ভ্যাট-সংক্রান্ত প্রস্তাবে দেশীয় উৎপাদনমুখী শিল্পকে উৎসাহ দিতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনভিত্তিক কর সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আমদানি-নির্ভর ব্যবসার তুলনায় দেশীয় উৎপাদনকারীরা যাতে বেশি সুবিধা পান, সে জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভ্যাট কাঠামো নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বিডা বলেছে, দেশে তৈরি পণ্যে উচ্চ স্থানীয় উপাদান ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানকে কম ভ্যাট হার দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে, দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী হবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এয়ার কন্ডিশনার, বৈদ্যুতিক পণ্য ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী উৎপাদনে এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, পানি সরবরাহ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও খাদ্যপণ্য খাতেও কর ছাড় দিলে নতুন বিনিয়োগ আসবে। কিছু ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক হ্রাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিনিয়োগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজেটে বিডার এসব প্রস্তাব আংশিক বা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে, উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে রাজস্ব আদায়ে সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় এনবিআর কতটুকু গ্রহণ করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং।’
১ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শুধু আগামী অর্থবছরে নয়; ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও করমুক্ত আয়সীমা পৌনে ৪ লাখ টাকা অব্যাহত থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে